শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর, ২০২০ ২১:২১

কাগজপত্র জটিলতায় তিনদিন ধরে হাসপাতাল মর্গে বৃদ্ধের লাশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

কাগজপত্র জটিলতায় তিনদিন ধরে হাসপাতাল মর্গে বৃদ্ধের লাশ

কাগজপত্রের জটিলতায় গত তিনদিন ধরে ২৫০ শষ্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে আনুমানিক ৫০ বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির লাশ। এর আগে অসুস্থ অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে তিনদিন পড়ে ছিলেন এই হতভাগা। অবশেষে ‘কাগুজে জটিলতা’ কাটিয়ে কাটা-ছেঁড়া শরীরে শনিবার কবরে তাঁর ঠাঁয় হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

গত ১৮ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে অসুস্থ অবস্থায় ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে তিনি ওই রেলওয়ে স্টেশনে তিনদিন পড়েছিলেন। ২৫০ শষ্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির পর গত ২১ অক্টোবর বিকেল চারটার দিকে তিনি মারা যান।

এরপর থেকে কাগুজে জটিলতায় হাসপাতাল মর্গে ওই বৃদ্ধের লাশ পড়ে থাকে। শনিবার দুপুরে তাঁর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে লাশ দাফনের প্রক্রিয়া নেয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মূলত কর্তৃপক্ষের গাফিলাতির কারণে ওই ব্যক্তির লাশ তিনদিন হাসপাতালের মর্গে পড়ে থাকে। হাসপাতালে কেউ মৃত্যুর পর ময়না তদন্তের প্রয়োজন হলে প্রয়োজনীয় যে কাগজ মর্গে পাঠাতে হয় সেই কাগজ সময় মতো পাঠানো হয়নি।  

হাসপাতালের মর্গের দায়িত্বে থাকা ডোম মোঃ সুমন মিয়া জানান, মৃত্যুর পরই লাশ মর্গে আনা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের স্বাক্ষর না থাকায় ময়নাতদন্ত করানো সম্ভব হয়নি। শনিবার দুপুরে ওই ব্যক্তির লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এখন লাশ দাফনের জন্য আঞ্জুমানে মফিজুল ইসলামের কাছে বুঝিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ মো শওকত হোসেন বলেন, রোগী যে ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন সেখানকার সেবিকা (নার্স) পারুল আক্তার চিকিৎসকের স্বাক্ষর সময় মতো নিতে পারেননি। এ ঘটনায় ওই সেবিকাকে শোকজ করা হয়েছে। শনিবার ময়না তদন্ত শেষে ওই ব্যক্তির লাশ দাফনেরও প্রক্রিয়া শুরু হয়।

 
বিডি প্রতিদিন/হিমেল

BP

আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর