শিরোনাম
প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর, ২০২০ ২১:১২
আপডেট : ২৭ অক্টোবর, ২০২০ ২১:১৫

ক্লিনিকে চিকিৎসা বিলের মেমো চাওয়ায় সহকারী প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

ক্লিনিকে চিকিৎসা বিলের মেমো চাওয়ায় সহকারী প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগ
চিকিৎসাবাবদ দেওয়া বিলের মেমো চাওয়ায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বহিরাগত ডেকে তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে

বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের (ইইডি) সহকারী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। নগরীর বগুড়া রোডের সাউথ বেঙ্গল ক্লিনিকে তার ভাগ্নের চিকিৎসাবাবদ দেওয়া বিলের মেমো চাওয়ায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বহিরাগত ডেকে তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত চিকিৎসক হাবিবুর রহমান শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। 

প্রকৌশলীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সহকারী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলামের ভাগ্নে সুমন গাজীর বাম হাতের একটি আঙল গত ২৩ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভাগ্নের আঙুলের চিকিৎসার জন্য বরিশাল নগরীর বগুড়া রোডের সাউথ বেঙ্গল ক্লিনিকের চিকিৎসক হাবিবুর রহমানের সঙ্গে গত ৫ অক্টোবর ৩৫ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। ওইদিনই চুক্তির সব টাকা পরিশোধ করেন তারা। তবে টাকা পরিশোধের কোনো মেমো তাদের দেয়নি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত ২১দিন শেষে সোমবার দ্বিতীয় অপারেশন করেন ডা. হাবিবুর রহমান। এরপর রোগীর কাছে আরও ১০ হাজার টাকা দাবি করেন তিনি। এই টাকা না দিলে রোগীর ছাড়পত্র দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। 

খবর পেয়ে মঙ্গলবার বিকালে প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম ওই ক্লিনিকে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার কারণ এবং আগের নেওয়া বিলের টাকার ভ্যাট ও আয়কর পরিশোধিত মেমো চান ডা. হাবিবুর রহমানের কাছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ডা. হাবিবুর রহমান প্রকৌশলী শহীদুল ইসলামের সঙ্গে বাদানুবাদে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে তিনি মুঠোফোনে তার স্বজনদের ডেকে এনে প্রকৌশলী শহীদুলকে মারধর করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে প্রকৌশলী শহীদুল জরুরি সেবা হটলাইন ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চান। 

তবে রোগীর আঙুল অপারেশনের জন্য অতিরিক্ত কোনো টাকা চাওয়া হয়নি এবং রোগীর স্বজন শিক্ষা বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলামকে মারধর করার অভিযোগও সঠিক নয় বলে দাবি করেন সাউথ বেঙ্গল ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. হাবিবুর রহমান। টানাটানিতে তার শার্টের বোতাম ছিঁড়ে যেতে পারে বলে তার দাবি। 

বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে থানাপুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং পরিস্থিতি তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ করে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি। 
 
বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ
 
 

 
  


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর