শিরোনাম
প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর, ২০২০ ১৪:০৬
আপডেট : ২৮ অক্টোবর, ২০২০ ১৪:০৭

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধরা-ছোঁয়ার বাইরে জোড়া খুন মামলার আসামিরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধরা-ছোঁয়ার বাইরে জোড়া খুন মামলার আসামিরা

জোড়া খুন। প্রায় এক মাস পেরিয়েছে। আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও এখনো গ্রেফতার হয়নি। উল্টো ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করছে। পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন উৎকণ্ঠায়। 

গত ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুর লামা বায়েক গ্রামে চাঞ্চল্যকর ইশান ও মনির হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়। জোড়া খুনের ঘটনায় ২১ জনের নামে আশুগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত এক মাসে শুধু ১ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্য আসামিরা প্রকাশ্যে, নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াচ্ছে এলাকায়।

জানা যায়, ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপজেলার লালপুরে দুই যুবকের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে লামাবায়েক গ্রামের কলেজ ছাত্র ঈশান (২২) ও মনির হোসেন (২৪) প্রকাশ্যে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। দোকানে আড্ডা দেয়ার সময় লামাবায়েক গ্রামের বাদশা মিয়ার বাড়ির আহমদ আলীর ছেলে আলী আজম ও বাচ্চু মিয়ার বাড়ির মতলব মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়ার মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরেই দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এতে ঘটনাস্থলে ইশান ও মনির নিহত হয়। একই গ্রামের আলী আজ্জম, মাহফুজ ও শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা করে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাদের হত্যা করে নিহতের স্বজনদের অভিযোগ। 

এ ঘটনায় ১অক্টোবর আশুগঞ্জ থানায় ২১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলা হওয়ার এক মাস পার হলেও পুলিশ আসামি গ্রেফতারে টালবাহানা করছে বলে অভিযোগ।
 
নিহত ইশানের বাবা প্রবাসী মিজানুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের এতদিন পার হলেও আসামিদের ধরা হচ্ছে না। আতংকে রয়েছি। ছেলেকে যারা হত্যা করেছে তাদের গ্রেফতার করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি। 

মাতা আকলিমা আক্তার জানান, ছেলেই ছিল আমার একমাত্র ভরসা। অনেক শ্রম অনেক প্রচেষ্টা দিয়ে তাকে লালন পালন করেছি। আমার ছেলেকে যারা মেরেছে তারা মুক্ত আকাশের নীচে ঘুরাফেরা করছেন। আর আমরা কষ্টে দিন পার করছি।

পুলিশ সুপার মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধীরা পালিয়ে থাকে। তাদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাদের অবস্থান চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।


বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর