শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:১১
প্রিন্ট করুন printer

কুড়িগ্রামে দেড় সহস্রাধিক পরিবার পেল জমিসহ ঘর

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামে দেড় সহস্রাধিক পরিবার পেল জমিসহ ঘর

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রথম পর্যায়ে ভূমিহীন ও গৃহহীন সারাদেশে ৭০ হাজার পরিবার আধাপাকা ঘর ও জমি পেলেন। শনিবার (২৩ জানুয়ারী) সকাল এগারোটায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ আশ্রয়ণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় লাইভে সংযুক্ত ছিল দেশের খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি দেশের সব উপজেলা অনলাইনে এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়।

উদ্বোধনকালে কুড়িগ্রামের ৯টি উপজেলাও সরাসরি অনলাইনে যুক্ত থাকে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে অসহায় ভূমিহীন এবং গৃহহীন পরিবারের মধ্যে জেলার প্রথম ধাপে ১৫৪৯টি পরিবারের স্বপ্ন পূরণ হলো। এসময় জেলার ৯ উপজেলার উপজেলা পরিষদ হলরুমে নির্মিত আধাপাকা ঘর সকল উপকারভোগীর নিকট হস্তান্তর করা হয়। সকল উপজেলা পরিষদ হলরুমে  উপকারভোগীদের মাঝে ঘরের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানগণ।

জেলার ৯টি উপজেলায় ১৫৪৯টি ঘরের মধ্যে সদর উপজেলায় ২০০টি, ভূরুঙ্গামারীতে ২০০টি, নাগেশ্বরীতে২৬৪টি, ফুলবাড়িতে ১৬৫টি, রাজারহাটে৭০টি, উলিপুরে ২০০টি, রৌমারীতে ৫০টি, চিলমারীতে ১০০টি ও রাজিবপুরে ৩০০টি ঘর প্রদান করা হয়। প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার টাকা যা সবমিলে ব্যয় হয় ২৬ কোটি ৪৮ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা।  

জেলার ৯ উপজেলার একসাথে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে ঘরের চাবি ও দলিল হস্তান্তর করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন,জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম,জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, জেলা কর্মকর্তাগণসহ ইউপি চেয়ারম্যানগণ।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সারাদেশের ন্যায় কুড়িগ্রামেও ভূমিহীনরা তাদের পাকা ঘর,ঘরের দলিল ও চাবি পেলেন। আমি মনে করি, প্রধানমন্ত্রীর দেয়া এরকম গৃহ নির্মাণ করে তা ভূমিহীনদের প্রদান সারাদেশের চেয়ে কুড়িগ্রামেই সর্বোচ্চ। এটি আমি ও আমার উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ নির্মাণসহ প্রদান করতে পেয়ে আমি ভীষণ খুশি। এটি আমার চাকরি জীবনে অনন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমি এ কাজটি নির্দেশনা অনুযায়ী করতে পেয়ে অত্যন্ত গর্ব বোধ করছি।


বিডি-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর