শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:২৯
আপডেট : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:৪৭
প্রিন্ট করুন printer

রংপুরে নির্মিত হচ্ছে আল্লাহর ৯৯ নাম নিয়ে দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:

রংপুরে নির্মিত হচ্ছে আল্লাহর ৯৯ নাম নিয়ে দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার খোড়াগাছ ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয়দের সমন্বিত উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে আল্লাহর ৯৯ নাম নিয়ে দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য। খুব দ্রুত এই ভাস্কর্যের কাজ শেষ হলে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। এছাড়া একই ইউনিয়নে আল-কোরআনের অবয়বে রেহেল চত্বর নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে। 

জানা গেছে, রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার খোড়াগাছ ইউনিয়নের রপসি পাঁচ মাথার মোড়ে চারটি ফলক নিয়ে একটি স্তম্ভ তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। বর্গাকার স্তম্ভটির চার পাশে আল্লাহর গুণবাচক ৯৯ নাম আরবিতে ও বাংলা উচ্চারণসহ ওপর থেকে নিচে লেখা হয়েছে। নিচে রয়েছে বর্গাকার বেদী যা দুই স্তরের গোলাকার বেদী দিয়ে বেষ্টিত। দুই ফুট বাই দুই ফুট বর্গাকার এই স্তম্ভটির উচ্চতা ২৭ ফুট। এর ২২ ফুটে রয়েছে আল্লাহর ৯৯টি নাম এবং ওপরে পাঁচ ফুটে থাকবে 'আল্লাহু' লেখা।

খোড়াগাছ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামানের প্রচেষ্টায় আল্লাহর ভাস্কর্যের নির্মাণ কাজ চলছে। তিনি নিজেই এটির ড্রয়িং ও ডিজাইন করেছেন। ভাস্কর্যের নির্মাণ কাজ অনেকটা শেষ হলেও কারুকাজের কিছু বাকি রয়েছে। গত বছরের আগস্ট মাসে এটি নির্মাণ কাজ শুরু হয়। 

লাইটিং সিস্টেমের সাথে অটোমেটিক সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে দিনরাত ২৪ ঘণ্টায় এখানে আল্লাহর ৯৯টি নাম উচ্চারিত হবে। এখানে বিদ্যুৎ সংযোগের পাশাপাশি আইপিএস সংযোগও দেয়া থাকবে।

খোড়াগাছ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান জানান, গত বছরে টিআর প্রকল্পের ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে স্থানীয় বুড়াজুম্মা মোড়ে 'আল্লহু ভাস্কর্য' নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু বুড়াজুম্মা মোড়টি সংকুচিত ও ছোট হওয়ায় সেখানে দৃষ্টিনন্দন হবে না ভেবে ভাস্কর্যটি রুপসি পাঁচ মাথার মোড়ে নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। এ লক্ষে পাঁচ মাথার মোড়ের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে নির্মাণ কাজ শুরু করি। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে উপজেলায় অভিযোগ জানায় উপজেলা চেয়ারম্যান। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী ভাস্কর্যটি পরিদর্শনে করে টিআর প্রকল্পের বাজেট বাতিল করে দেন। পরে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা আগের সেই বুড়াজুম্মা মোড়ে 'রেহেল চত্তর' নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয় উপজেলা প্রকৌশল অফিস। সেখানে রেহেল চত্তর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ভাস্কর্যের কাজ কিভাবে চলছে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমানে সমন্বিতভাবে অর্থায়ন করে ভাস্কর্যটির নির্মাণ কাজ চলছে। তিনি জানান, এই ইউনিয়নে আল্লাহ ভাস্কর্য ও রেহেল ভাস্কর্য নির্মাণের কাজ চলছে। এরপরে আমি বঙ্গবন্ধু চত্ত্বর নির্মাণ করবো। ইতিমধ্যে আমের জন্য বিখ্যাত পদাগঞ্জ এলাকায় আম চত্ত্বর নির্মাণ করেছি।

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য