শিরোনাম
প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:২৩
প্রিন্ট করুন printer

ঠাকুরগাঁওয়ে দু’মাসেও উদ্ধার হয়নি সরকারি ভবন

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে দু’মাসেও উদ্ধার হয়নি সরকারি ভবন

গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় 'সরকারি ভবন দখল করে হাঁস-মুরগির দোকান' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালকের নজরে আসে। এরপর তিনি সদর উপজেলার রুহিয়া উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার আসাবিক ভবনের রুমগুলো তালাবদ্ধ করে রাখেন। আর যারা জমি দখল করে অবৈধভাবে দোকান ঘর নির্মাণ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

বিএসের আবাসিক ভবনটি দখলদারদের কাছে থেকে উদ্ধারের জন্য গত মাসের জানুয়ারিতে ইউনিয়নবাসী ঠাকুরগাঁও ১ আসনের সংসদ সদস্য, জেলা কৃষি উপ-পরিচালকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তবে জেলা কৃষি বিভাগ বলছেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষ্ণ রায়কে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি অদৃশ্যতার কারণে নিরব ভূমিকা পালন করছেন। অন্যদিকে দ্রুত গতিতে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে ভাড়া।

ইউনিয়নবাসীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রুহিয়া বিএস কোয়ার্টার ও বিক্রিত জমিটা উদ্ধারের জন্য আমরা এমপি মহোদয় ও কৃষি দফতরসহ বিভিন্ন অফিসে লিখিত অভিযোগ দিলাম। তারা আমাদের বললেন খুব তারাতারি উদ্ধার করা হবে। কিন্তু আড়াই মাসও উদ্ধারের কোন খবর নাই। কৃষি বিভাগ মোটা অংকের বিনিময়ে মুখ বন্ধ রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, বিএস কোয়ার্টার কারও মালিকানা নয় নিঃসন্দেহে এটা সরকারের জমি। কেউ থাকেনা এই সুযোগে বিএনপি অফিস করেন। বিএনপির নেতা মোতাহার চৌধুরী দখল করে ৮ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকায় একটা অংশ বিক্রি করে দেয়। কিন্তু এতো অভিযোগ দেয়ার পরেও কৃষি অফিস কেন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না?

এব্যাপারে সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষ্ণ রায়ের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ প্রসঙ্গে রুহিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চিত্ররঞ্জন কুমার রায় বলেন, বিএস কোয়ার্টারের বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিবো।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর