শিরোনাম
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল, ২০২১ ১৯:৫৪
প্রিন্ট করুন printer

বাউফলে দুই মেম্বর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২৩

প্রতিনিধি বাউফল

বাউফলে দুই মেম্বর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২৩

পটুয়াখালীর বাউফলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের দুই পক্ষের পাল্লাপাল্টি সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২৩ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১৭ জনকে বাউফল হাসপাতালে ও তিনজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় চন্দ্রদ্বীপ এলাকার চরমিয়াজান গ্রামের ইবতেদায়ী মাদ্রাসার দক্ষিণ পাশে এ ঘটনা ঘটেছে। অপরদিকে, গতকাল তারাবির নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় কনকদিয়া ইউপির বায়তুর নুর জামে মসজিদের সামনে চারজনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে তাদের উদ্ধার করে বাউফল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

জানা গেছে, চন্দ্রদ্বীপ ইউপির সালাম হাওলাদারের ছেলে নাজমুল হাওলাদার করোনা উপলক্ষে দেওয়া ৩০ কেজি চাল আনার জন্য যাচ্ছিলেন। পথি মধ্যে ফোরকান দর্জির ছেলে হাসান দর্জি নাজমুলের গায়ে তার বাইসাইকেল উঠিয়ে দেয়। ফোরকান দর্জি ইউপি মেম্বর প্রার্থী বাবুল হাওলাদার গ্রুপ ও নাজমুল হাওলাদার অপর মেম্বর প্রার্থী কামাল হোসেনের পক্ষের সমর্থক।

বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পরলে দুই গ্রুপের লোকজন এসে লাঠি ও লোহার পাইপ নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে কামাল গ্রুপের কালু হাওলাদার, আকলিমা, লাইজু বেগম, কামাল হাওলাদার, সালাম হাওলাদার, কালাম হাওলাদার ও তাছলিমাসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। অপরদিকে, বাবুল গ্রুপের জিয়াউর রহমান, সাইুফুল হাওলাদার, ইউসুফ মৃধা, সোহেল, ইদ্রিস ও নাসিরসহ বেশকয়েক জন আহত হয়।

বাউফল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নূর আহম্মেদ সাঈদ জানান, আশঙ্কাজনক অবস্থায় কালু হাওলাদার, আকলিমা ও জিয়াউর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, বুধবার রাতে তারাবি’র নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় মনিরুজ্জামান (৩৬) নামের এক মুসল্লিকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কনকদিয়া ইউপির বায়তুর নুর মসজিদের সামনে ওই ঘটনা ঘটেছে।

চিৎকার শুনে মসজিদের মুসল্লিরা তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তাদেরকেও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে তারা। ওই ঘটনায় পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় কয়েকজনকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে বাউফল হাসপাতালে ভর্তি করেছে। আহতরা অভিযোগ করেন, গভীর রাতে বাড়ির ওপর দিয়ে চলাচলে নিষেধ করায় স্থানীয় কয়েকজন তাদের ওপর এই হামলা চালিয়েছে।

বাউফল থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) আল মামুন জানান, চন্দ্রদ্বীপের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেব। কনকদিয়া এলাকার ঘটনায় অফিসার তদন্তে রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। 

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর