শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল, ২০২১ ১৬:১৭
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২১ ১৬:২১
প্রিন্ট করুন printer

নাটোরে হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়কে মারধর, দেড় ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা বন্ধ

নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরে হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়কে মারধর, দেড় ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা বন্ধ

রোগীর আত্মীয় স্বজন হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়কে মারধর করাকে কেন্দ্র করে নাটোর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেড় ঘণ্টা ধরে বন্ধ হয়ে যায়। এসময় হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স ও ওয়ার্ড বয়রা একত্রিত হয়ে মারধরকারী ব্যক্তিকে পাল্টা মারধর করে এবং একটি কক্ষে আটকে রাখে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।  এক পর্যায়ে ওয়ার্ডবয়কে মারধরকারী ওই যুবক ক্ষমা চাইলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। 

জানা যায়, শনিবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে আটটার দিকে নাটোর শহরের উপর বাজার এলাকার সেলিম মিয়ার স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে করোনা উপসর্গ নিয়ে নাটোর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক হওয়ায় জরুরি বিভাগে নিয়ে চিকিৎসা দিয়ে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রাজশাহী নেওয়ার প্রস্তুতির সময় মনোয়ারার আত্মীয় উপল এবং দুইজন নারী হঠাৎ চিৎকার চেচামেচি শুরু করে এবং অশালীন উক্তি করতে থাকে। 

এক পর্যায়ে উপস্থিত হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় সেলিম প্রামাণিক প্রতিবাদ করলে উপল এবং ওই দুইজন নারী মিলে তাকে মারধর করে। এসময় হাসপাতালের নার্স ও ওয়ার্ড বয়রা একত্রিত হয়ে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রেখে ওই তিনজনকে আটক করে এবং উপলকে পাল্টা মারধর করে একটি কক্ষে আটকে রাখে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উপল ও দুই নারীকে উদ্ধার করে। 

এসময় উপলের দোষ প্রমাণিত হলে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক পরিতোষ কুমার ঘোষ এবং পুলিশ কর্মকর্তা নাটোর থানার ওসি তদন্ত আব্দুল মতিন ও ডিবির এসআই লিটন কুমার দাসের উপস্থিতিতে উপল ক্ষমা চাইলে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে। 

এ বিষয়ে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক পরিতোষ কুমার ঘোষ বলেন, তিনি ঘটনা জেনে পুলিশকে জানান। পুলিশ আসার পরে সব কিছু শুনে উপলের দোষ প্রমাণিত হলে উপল ক্ষমা চান। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রয়েছে।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর