শিরোনাম
প্রকাশ : ৮ মে, ২০২১ ১৮:২৮
প্রিন্ট করুন printer

দিনাজপুরে ঝড়ে শতাধিক ঘর-বাড়িসহ ফসলের ক্ষতি

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরে ঝড়ে শতাধিক ঘর-বাড়িসহ ফসলের ক্ষতি
Google News

দিনাজপুরের খানসামায় গত দুইদিনের কালবৈশাখী ঝড়ে কয়েক গ্রামে বিধ্বস্ত হয়েছে কিছু কাঁচা ও আধাপাকা বাড়ি, ভেঙে বা উপড়ে পড়েছে অনেক গাছ ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাঠের ফসল। ঝড়ের প্রভাবে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে একাধিক গ্রাম।

গত দুইদিনের ঝড়ের তাণ্ডবে খানসামা এলাকায় ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি নিরূপনে মাঠে কাজ করছে বিভিন্ন বিভাগ। 

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে হঠাৎ বৈশাখী ঝড়, শিলা বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। যা থেমে থেমে সারারাত চলে এবং শুক্রবার দিবাগত রাতেও ঝড় ও বৃষ্টি হয়। এতে খানসামার আংগারপাড়া ইউপির সূর্বণখুলী ওকড়াবাড়ি এলাকায় প্রায় ৫০টি বাড়ি ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় আরো শতাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

গত দুইদিনের ঝড়ে ঘর-বাড়ি লণ্ডভণ্ডের সাথে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বোরো ধান, ভুট্টা, রসুন, আম ও লিচুরও ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। এতে দুশ্চিন্তায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

সূবর্ণখুলী গ্রামের মান্নু চন্দ্র রায় বলেন, বিছানাই ঘুমে ছিলাম। হঠাৎ রাত ১২টার দিকে কালবৈশাখীর ঝড়ে বাড়ির পাশের ৫০ বছর বয়সের বটগাছটি ঘরের উপর উপড়ে পড়ে। এতে ঘর ভেঙে আমাদের ওপর পড়ে। জীবন রক্ষার্থে ঘরের বেড়া ভেঙে বের হই। কিন্তু এ ঘটনায় আমার স্ত্রীর কোমর ভেঙে যায়। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

একই গ্রামের নিরঞ্জন রায়, পলাশসহ কয়েকজন জানায়, করোনার প্রভাব অপরদিকে বৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে নিরুপায়। নষ্ট হয়েছে আবাদি ফসল। ভেঙে গিয়েছে ঘর-বাড়ি।

এ বিষয়ে আংগারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা আহমেদ শাহ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে তাদের তালিকা করা হচ্ছে। তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এলাকার বিত্তবানসহ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি।

খানসামা উপজেলা কৃষি অফিসার বাসুদেব রায় জানান, আগামী সোমবারের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে মাঠে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ কাজ করছেন। 

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে খানসামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি খাত ও ঘর-বাড়ির ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে কৃষি বিভাগ ও ইউনিয়ন পরিষদ কাজ করছে। সেটি হাতে পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর