শিরোনাম
প্রকাশ : ৩০ জুন, ২০২১ ১৮:৩৩
প্রিন্ট করুন printer

শার্শায় সাতমাইল গরুর হাট বন্ধ, উৎকণ্ঠায় ব্যবসায়ীরা

বেনাপোল প্রতিনিধি

শার্শায় সাতমাইল গরুর হাট বন্ধ, উৎকণ্ঠায় ব্যবসায়ীরা
ফাঁকা পড়ে আছে শার্শার বাগআঁচড়ার সাতমাইল পশুর হাট।
Google News

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে যশোরের শার্শার বাগআঁচড়ার সাতমাইল পশুর হাট বন্ধ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ফলে জমজমাট বিশাল এই গরু হাটের চেহারা রাতারাতি পাল্টে গেছে।

সারা বছর যশোর এবং সাতক্ষীরা অঞ্চলের গরু ব্যবসায়ী এবং খামারিরা চেয়ে থাকেন কোরবানির এই সময়টার দিকে। সাতমাইলের হাট থেকে গরু কিনে ব্যবসায়ীরা সারা দেশে গরুর প্রায় অর্ধেক চাহিদা পূরণ করে থাকেন। তাই হাট বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন খামারি ও গরু ব্যবসায়ীরা। বছরের দায়দেনা মিটিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন গরু কেনাবেচা নিয়ে। এখন তাদের মাঝে বিরাজ করছে চরম উৎকণ্ঠা আর হতাশা।

সাতমাইল পশুর হাট গরু ও ক্রেতার অভাবে এখন খাঁ খাঁ করছে। সপ্তাহের শনি ও মঙ্গলবার প্রতিদিন গড়ে কমপক্ষে ৫ হাজার গরু কেনাবেচা হয়ে থাকে এই হাটে। কোরবানির সময়ে এই সংখ্যা ৩ গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। গরুর হাট থেকে বছরে সরকারের টোল আদায় হয় প্রায় আড়াই কোটি টাকা। গত ২৩ জুন থেকে জেলা প্রশাসন শার্শায় লকডাউন ঘোষণার পর ২৬ জুন থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় এই পশুর হাট। ফলে হাটের ইজারাদারসহ ক্রেতা-বিক্রেতারা পার করছেন দুঃসহ জীবন।

দেশে করোনার ভয়াবহ সংক্রমণের মধ্যে সীমান্তবর্তী কয়েকটি জেলার পশুর হাট বন্ধ করা হলেও স্বাস্থ্যবিধি শতভাগ মেনে চলার শর্তে সাতমাইল পশুহাট পরিচালনার অনুমতি বহাল রাখে প্রশাসন। কিন্তু হাটের দিন হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি কোনোভাবে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা সম্ভব হচ্ছিল না। এতে স্থানীয় মানুষ করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে কয়েকজন মারা যায়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে অবশেষে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করতে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে এই পশুর হাট আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কবীর বলেন, খুলনা বিভাগসহ এ অঞ্চলে করোনা সংক্রমণের হার দিন দিন হু হু করে বেড়ে যাচ্ছে। মানুষকে করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হলে যতদিন শার্শাবাসী টিকার আওতায় না আসবে, ততদিন সাতমাইল পশুর হাট বন্ধ রাখা দরকার।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর