শিরোনাম
প্রকাশ : ২৫ জুলাই, ২০২১ ২১:৩২
প্রিন্ট করুন printer

মাদারীপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কাউন্সিলরসহ আহত ৭

মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কাউন্সিলরসহ আহত ৭
প্রতীকী ছবি
Google News

মাদারীপুরের কালকিনিতে ফেস্টুন ছেড়া নিয়ে বর্তমান ও সাবেক কাউন্সিলরের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কালকিনি পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলরসহ ৭ জন আহত হয়েছেন। 

রবিবার (২৫ জুলাই) সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। 

এলাকা ও পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, কালকিনি পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মো. আনোয়ার হোসেন বেপারীর উদ্যোগে গত ১৮ জুলাই কোরবানির ঈদ উপলক্ষে স্থানীয় এমপি ড. আবদুস সোবহান গোলাপকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা দিয়ে তার ওয়ার্ডের বিভিন্নস্থানে ফেস্টুন টানানো হয়। ওই সকল ফেস্টুন ঈদের রাতেই দুর্বৃত্তরা ছিড়ে ফেলেন। 

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারীর সমর্থক হৃদয় সরদারের সাথে একই এলাকার সাবেক কাউন্সিলর তোফাজ্জেল হোসেন দাদনের সমর্থক রুবেল সরদারের মধ্যে প্রথমে বাকবিতন্ডা হয়। পরে রুবেল সরদারের নেতৃত্বে মাসুম সরদার, আবদুল সরদার ও বারেক সরদারসহ বেশ কয়েকজন মিলে হৃদয় সরদারের উপর হামলা চালায়। 

এক পর্যায় উভয় পক্ষই সংঘর্ষে জরিয়ে পরে। এ সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারী (৫০) গুরুতর আহত হন। এছাড়া বিল্লব বেপারী(২১), জাহাঙ্গির বেপারী(৫০) ও সাইফুল বেপারী (২০)-সহ কমপক্ষে ৭ জন আহত হন। আহতদেরকে কালকিনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে খবর পেয়ে কালকিনি থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। 

আহত কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারী বলেন, আমি মারামারি থামাতে গেলে আমাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। হামলাকারী রুবেল সরদারসহ সকল মিলে ফেস্টুন রাতের আঁধারে ছিড়ে ফেলেছে। তারা সকলে বিএনপি ও সাবেক কাউন্সিলর দাদনের সমর্থক। ৩-৪টি বসতবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে তারা। এ বিষয়ে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছি। আমি এ ন্যাক্কারজনক হামলার বিচার চাই।

প্রতিপক্ষ সাবেক কাউন্সিলর তোফাজ্জেল হোসেন দাদন বলেন, যারা বর্তমান কাউন্সিলরের লোকজনের সাথে মারামারি করেছে তারা কেউ আমার লোক নয়। বিষয়টি একান্তই তাদের বিষয়। পুর্ব থেকেই তাদের মধ্যে শত্রুতা চল আসছে।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি ইসতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ আল সিফাত

এই বিভাগের আরও খবর