১৪ জুন, ২০২৪ ১৮:৩১

বগুড়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

নিজস্ব প্রতিবেদক,বগুড়া

পবিত্র ঈদ উল আজহা উপলক্ষে জমে উঠেছে বগুড়ার পশুর হাটগুলো। দিন যতো ঘনিয়ে আসছে ততোই বাড়ছে ক্রেতা বিক্রেতাদের পদচারণা। হাটের পাশাপাশি খামার থেকেও গরু ছাগল বিক্রি হচ্ছে। ছোট ও মাঝারি ধরনের গরুর চাহিদা বেশি। জেলায় চাহিদার তুলনায় বেশি পশু থাকলেও এবার দাম নিয়ে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ক্রেতারা পছন্দের পশু ক্রয় করতে বিভিন্ন হাট ঘুরছেন। গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় পশু পালনে খরচ বেড়েছে। 

গত কয়েকদিন জেলার মহাস্থান, চাদমুহা, ধাপেরহাট, কালিতলা, ঘোড়াধাপ হাট ঘুরে দেখা গেছে দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা। তবে চলতি বছর খাদ্যের দাম ও শ্রমিকের মজুরিসহ অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় পশুপালন খরচও বেড়েছে কয়েক গুণ। এতে করে কোরবানির পশুর দাম গত বছরের চেয়ে বেশি। 

শিবগঞ্জের খামারি মোহন মিয়া তার অস্ট্রেলিয়ান জাতের গরুর দাম ২ লাখ ২০ হাজার হাঁকালেও ক্রেতা ১ লাখ ৫০ হাজার বলে আর দাম বাড়াননি। তবে পরে তিনি সেই গরু ১ লাখ ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। হাটে আসা ক্রেতা সাজেদুর শিপলু  জানান, সাড়ে ৩ লাখ টাকায় বিশাল আকৃতির শাহীওয়াল জাতের গরু ক্রয় করেছেন তিনি। গত বছরের চেয়ে এবার দাম একটু বেশি। এছাড়া হাটে গরু ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের কাছে থেকে ইজারদারগণ হাসিল আদায় করছেন, তা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এবার কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪১৫টি। যা গত বছরের তুলনায় ৮ হাজার বেশি। কোরবানিযোগ্য পশুর মধ্যে গরু ২ লাখ ৭০ হাজার ৪১ টি, ছাগল ৪ লাখ ২২ হাজার ৬৫৭টি, ভেড়া ও গারল ৩৯ হাজার ৮৫১টি এবং মহিষ ২ হাজার ২৬৬টি। এসব পশু এবার বগুড়া জেলায় চাহিদা পূরণ করেও ২৯ হাজার ১৫৫ টি বেশি থাকবে।
 
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ আনিছুর রহমান বলেন, জেলায় প্রায় অর্ধলক্ষ খামারির মধ্যে ৯৫ ভাগ প্রান্তিক। গ্রামে ও শহরের খামারিদের পাশাপাশি বড় খামারগুলোতে কোরবানির পশু লালন পালন হচ্ছে। 

বগুড়া জেলা প্রশাসক মো: সাইফুল ইসলাম জানান, নির্ধারিত হাসিলের অতিরিক্ত কোনভাবেই নেয়া যাবে না। প্রতিটি হাটেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা নিয়মিত মনিটরিং করছেন।

 

বিডি প্রতিদিন/নাজমুল

এই রকম আরও টপিক

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর