শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২২:৫৯

রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি

উন্মোচন হবে সম্ভাবনার দ্বার

রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি

রাশিয়াসহ সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত ১১টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের দ্বার চলতি মাসেই উন্মোচন হতে যাচ্ছে। মু্িক্তযুদ্ধের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চে সম্পাদন হবে দ্বার খোলার চুক্তি। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত ১১টি দেশের জোট কমনওয়েলথ অব ইনডিপেনডেন্ট স্টেটসের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে ইউরেশিয়ান কাস্টমসে ঢোকার এ চুক্তির ফলে জোটভুক্ত দেশগুলোয় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির দ্বার উন্মোচন হবে। উল্লেখ্য, চীনের পর বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ। আর বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পোশাকের বাজার রাশিয়া। আনুমানিক ২৩-৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাকের বাজার রয়েছে দেশটিতে। রাশিয়ার মাধ্যমে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত ১১ দেশের জোট কমনওয়েলথ অব ইনডিপেনডেন্ট স্টেটসের বাজারে প্রবেশের সুযোগ থাকবে বাংলাদেশের। প্রায় ১৪ হাজার কোটি ডলারের রপ্তানি বাজার রয়েছে ওই দেশগুলোয়। সুযোগ রয়েছে আরমেনিয়া, বেলারুশ, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তানকে নিয়ে রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন ইউরেশিয়ান কাস্টমস ইউনিয়নেও রপ্তানি সম্প্রসারণের। রাশিয়া যেহেতু ইউরেশিয়ান কাস্টমস ইউনিয়নের নেতৃস্থানীয় সদস্য, সেহেতু বাংলাদেশ ওই বন্ধু দেশের নেতৃত্বে কাস্টমস ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে ব্যাংকিং লেনদেনসহ সরাসরি বাণিজ্য পরিচালনার উদ্দেশ্যে চুক্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ চুক্তির বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছে রাশিয়াও। প্রথম পর্যায়ের সমঝোতা চুক্তিতে উপনীত হবে দুটি দেশ। রাশিয়াসহ সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং লেনদেনের সুযোগ না থাকা বাধা হিসেবে কাজ করে। দ্বৈতকরও বাণিজ্য সম্প্রসারণে বাধা হয়ে দেখা দেয়। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছিল ১৬০ কোটি ডলারের। দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের বাধাগুলো অপসারণ হলে বাণিজ্যের পরিসর বিপুলভাবে বৃদ্ধি পাবে। তৈরি পোশাক, হিমায়িত খাদ্য, চিংড়ি, পাট ও চামড়াজাত পণ্যের যে বিশাল বাজার রয়েছে সাবেক সোভিয়েত দেশগুলোয় তা উন্মোচন হলে বাংলাদেশ বিপুলভাবে লাভবান হবে।


আপনার মন্তব্য