শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৫ জুন, ২০২১

এলএসডি যুগে টিকটক রাজনীতি

সৈয়দ বোরহান কবীর
Not defined
প্রিন্ট ভার্সন
এলএসডি যুগে টিকটক রাজনীতি

পত্রিকায় দেখে প্রথমে বুঝতে পারলাম না কীসের ছবি। এই ছেলেরা কি শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের কোনো আন্দোলনে অংশ নেওয়ার জন্য গ্রেফতার হয়েছে? পুলিশ ভ্যানে তাদের হাস্যোজ্জ্বল ছবি। ছেলেগুলোর চেহারা সপ্রতিভ। কদিন ধরেই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার দাবিতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। এজন্যই কি পুলিশ এদের গ্রেফতার করল? এমন ভাবতে ভাবতে খবরে চোখ বুলিয়ে চমকে গেলাম। এরা এলএসডি সেবকচক্র। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর নিখোঁজ এবং মৃত্যুর সূত্র ধরে পুলিশ এলএসডির মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়ার তথ্য পায়। তরুণদের সর্বশেষ ক্রেজ এলএসডি। একটু পরে দেখলাম এলএসডি এমন একটা নেশা যা উদ্ধত করে, আত্মবিনাশী করে, আত্মহত্যাপ্রবণ করে একজন মানুষকে। হতাশা, বিষাদ থেকে রক্ষা পেতে এ নেশার চল হয়েছিল। এটি নেশা হিসেবে পুরনো হলেও বাংলাদেশে নতুন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পুরনো নেশা হলেও বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে এলএসডির ব্যাপক চল শুরু হয়েছে তরুণদের মধ্যে। এলএসডি খেয়ে তরুণরা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য, বোধশক্তিহীন, আত্মবিনাশী হয়ে উঠছে। সেজন্য ছবিতে তাদের গ্লানি নেই, কুণ্ঠা নেই, অপরাধবোধ নেই, তারা লজ্জিত নয়।

সংবাদপত্র পড়ে অফিসের উদ্দেশে বেরিয়ে দেখলাম এক অদ্ভুত দৃশ্য। দেশে কাগজে-কলমে লকডাউন চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে অন্তত মাস্ক পরাটা বাধ্যতামূলক করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কে শোনে কার কথা। বাসে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। মানুষ উপচে পড়ছে। বেশির ভাগ গণপরিবহন যাত্রীর মাস্ক নেই। বাজার হাটের অবস্থা তো আরও ভয়ংকর। রাস্তায় চলতে চলতে দেখবেন, স্বাস্থ্যবিধি মানে এমন মানুষের সংখ্যাই কম। মাস্ক পরা যেন এক শাস্তি। গত মার্চ থেকে বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ ওঠানামা করছে। কিন্তু ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন শঙ্কা সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় করোনা নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। এর থেকে বাঁচার উপায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং মাস্ক পরা। কিন্তু কজন করছে তা? ঢাকায় তা-ও দোকানপাটে, গণপরিবহনে নানা স্টাইলে মাস্ক পরা হয়। কেউ নাকের নিচে, কেউ গলায় মাস্ক ঝুলিয়ে রাখে। মাস্ক যেন এক নতুন ফ্যাশন স্টাইল। কিন্তু ঢাকার বাইরে গেলে আপনি বুঝতে পারবেন না দেশে করোনা মহামারী চলছে। ইউরোপ, সৌদি আরবসহ ৪১টি দেশ বাংলাদেশে সংক্রমণ বেশি হওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত করোনায় প্রায় ১৩ হাজার মানুষ মারা গেছে। গত মের শেষ সপ্তাহে রংপুর গেলাম। আমার মায়ের মৃত্যুর ৪০ দিন পেরোনো স্মরণে কবর জিয়ারত ও দোয়া করতে। সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকেই দেখলাম মাস্ক উধাও। মাস্কের কথা বললে লোকজন হাসে। পীরগঞ্জের ছোট গ্রাম চতরা আমাদের বাড়ি, সেখানে ‘মাস্ক’ জিনিসটা কী তাই অনেকে জানে না। মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি, মাস্ক পরার কথা বললে হাসে। এ হাসি আর ওই তরুণদের হাসি একই রকম। করোনাকালে আমার মনে হচ্ছে পুরো সমাজ যেন এলএসডিতে বুঁদ হয়ে আছে। না হলে কেন এ আত্মবিনাশী উপেক্ষা? আমরা যেন এলএসডি যুগে প্রবেশ করেছি।

করোনা তো একটা ব্যাধি। আমাদের সমাজে বীভৎসতা, অমানবিকতা, পৈশাচিকতা এক ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। এ প্রবণতা করোনার চেয়েও ভয়াবহ। সেদিন একজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। আমাদের তরুণদের ভবিষ্যৎ কী, এ নিয়ে তাঁর মত জানতে চাইছিলাম। বেচারা একটি ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। এখন চাকরি নেই। অনলাইন এবং বাড়িতে গিয়ে টিউশন করে কোনোমতে চলেন। আমার প্রশ্ন শুনে হাসলেন। তারপর বললেন, ‘এখনকার তরুণরা এলএসডির নেশায় বুঁদ হয়ে টিকটক বানাবে। টিকটক শেয়ার দেবে, লাইকি বাড়বে এরপর ভাইরাল হবে।’ আমি কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলাম। তাই তো, আমাদের তরুণদের ভবিষ্যৎ কী? দেড় বছর ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। অনলাইন ক্লাসের নামে এক তামাশা চলছে। গতবার এইচএসসি পরীক্ষা হয়নি। এবার মাধ্যমিকের পরীক্ষাও হলো না। আগে তা-ও একটি খোলার তারিখ দিয়ে আশা ঝুলিয়ে রাখা হতো। এখন শিক্ষামন্ত্রী বলে দিলেন, করোনা সংক্রমণ ৫ শতাংশের নিচে না নামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে না। আবার তিনি বলছেন, ‘শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে।’ শিক্ষার্থীরা কী করবে? তারা এলএসডিতে আসক্ত হচ্ছে। কিশোর গ্যাং তৈরি করছে। টিকটকের ফাঁদে নানা অপরাধ-অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। এদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্র। টিকটকের নামে এক নারীর ওপর নিপীড়নের রহস্য উন্মোচন করতে গিয়ে নারী পাচারের ভয়ংকর কাহিনি বেরিয়ে এসেছে। এলএসডির আত্মবিনাশী প্রভাব কি শুধু তরুণ-কিশোররা? একটু ভালো করে লক্ষ্য করে দেখুন পুরো সমাজ যেন এক আত্মবিনাশী পথে। আমরা সবাই কেমন যেন বীভৎস, উন্মাদ, অমানবিক হয়ে উঠছি। সেদিন পত্রিকায় দেখলাম স্বামীকে কয়েক টুকরো করা হয়েছে। শুধু মেরে ফেলে মনের জ্বালা মেটেনি। এই ভয়ংকর মানসিকতা তৈরি হয় কীভাবে? সংবাদপত্রে দেখলাম একজন নারী চিকিৎসকের রক্তাক্ত লাশ পাওয়া গেছে। এজন্য মামলা করতে হবে। কিন্তু কেউ মামলায় বাদী হতে রাজি না। এ রকম অমানবিক বাংলাদেশ কেন হচ্ছে? এ রকম স্বার্থপর কেন হচ্ছে আমাদের সমাজ?

এখন চাপপাশে যা দেখছি, যা ঘটছে তা আমাদের বৈশিষ্ট্য নয়, এ আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য নয়। কিন্তু আমরা যেন ক্রমে বদলে যাচ্ছি। আগে রাস্তায় একজন দুর্ঘটনায় পড়লে লোকজন ছুটে আসত। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেত। নিকটজনকে খবর দিত। এখন এ রকম দুর্ঘটনায় যদি কখনো পড়েন তাহলে খবর আছে। কয়েকজন এসে আপনার মানিব্যাগ, ঘড়ি, অন্যান্য দামি জিনিস অবলীলায় নিজের মনে করে নিয়ে যাবে। আর বেশির ভাগ মানুষ দূর থেকে মোবাইলে ঘটনার ভিডিও ধারণ করবে। তারপর তা ফেসবুকে দেবে। অপেক্ষা করবে ভাইরালের। এ রকম একটা সমাজে আমরা প্রবেশ করেছি যেখানে আমরা জানি না পাশের ফ্ল্যাটে কে থাকে। সন্তান জানে না তার পিতার বিপুল বিত্তের উৎস কী? স্বামীর মাসিক বেতন কত জানার পরও স্ত্রী ডায়মন্ডের হার দাবি করেন। আয়ের চেয়ে অসংগতির জীবন নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে না। নব্বইয়ের দশকেও বাংলাদেশে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একটা সামাজিক ঘৃণা ছিল। দুর্নীতিবাজরা মানুষের সঙ্গে মিশতে আড়ষ্ট থাকত। চুরির টাকার বড়াই দেখা যেত না। কিন্তু সময় এখন পাল্টে গেছে। এলএসডির প্রভাবে এখন দুর্নীতিবাজরাই দাপুটে। দুর্নীতিবাজদের উল্লাসনৃত্যে সৎরা কোণঠাসা। দুর্নীতির অভিবাসন ঘটেছে। দুর্নীতিবাজদের মধ্যে নিম্নশ্রেণির দুর্নীতিবাজরা দেশে কিছু চুরি-চামারি করে। আর বড় দুর্নীতিবাজরা তো সব টাকা রপ্তানি করে। বলা হয়, গার্মেন্ট নাকি বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য। আমি হিসাব করে দেখেছি এ তথ্য ভুল। বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় রপ্তানি পণ্য হলো টাকা। প্রতি বছর যে পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ থেকে পাচার হয় তার তুলনায় গার্মেন্ট পণ্য রপ্তানি আয় তুচ্ছ। বাংলাদেশে দুর্নীতি নিয়ে কথা হয় হঠাৎ। হাঁপানি রোগীর মতো। শ্বাসকষ্ট হলে যেমন জোরে কাশে। তেমনি কারও সঙ্গে দেনা-পাওনায় ঝুটঝামেলা হলেই তাকে মহা উৎসাহে ধরা হয়। আর যতক্ষণ দেনা-পাওনায় সমস্যা নেই ততক্ষণ তার টিকিটি কেউ ধরতে পারে না। জি কে শামীম থেকে সাহেদ, ড্রাইভার মালেক থেকে ডা. আরিফ সবই শর্ত পূরণে ব্যর্থতায় দুর্নীতিবাজ। আবার স্বাস্থ্য খাত খোবলা করা মিঠু, বেসিক ব্যাংক চেটেপুটে সাফ করা বাচ্চুর কিছু হয় না। তারা গায়ে বাতাস দিয়ে ঘোরে। কিছুদিন আগে কানাডার বেগমপাড়ায় বাংলাদেশিদের বাড়ি নিয়ে খুব হইচই হলো। টিকটক রাজনীতির যুগে প্রথমবার নির্বাচন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন ড. আবদুল মোমেন। তিনি বোঝেন কী বললে ভাইরাল হবে। তিনি এক বোমা ফাটালেন, বললেন, ‘আমরা আগে মনে করতাম কানাডায় বোধহয় রাজনীতিবিদদের বাড়িঘর বেশি। কিন্তু এখন খোঁজ নিয়ে দেখলাম আমলাদের বাড়িঘরই বেশির ভাগ।’ তাঁর এ কথায় লাইক, শেয়ার হলো বটে কিন্তু কানাডাসহ বিদেশে বাড়ির মালিকদের নামের তালিকা জাতি জানল না। হয়তো কোনো দিন জানবেও না। এখন বাংলাদেশে প্রভাবশালী অনেক আমলা দেশে ব্যাচেলর জীবনযাপন করেন। বউ-বাচ্চারা বিদেশ থাকেন। তাদের বিদেশি পাসপোর্টও আছে। অর্থাৎ দেশপ্রেমবিবর্জিত, দুর্নীতিতে নিমজ্জিত, আত্মবিনাশী একটি সমাজের চেহারা যেন প্রকট হচ্ছে। যে চেহারার সঙ্গে এলএসডির উপসর্গের মিল আছে। কেউ কারও অবস্থায় সুখী নয়। যিনি ভাড়াবাড়িতে থাকেন তিনি যেন মৃতপ্রায়, তার বাঁচা আর মরার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। যিনি নিজের বাড়ি বা ফ্ল্যাটে থাকেন তার মতো দুঃখী যেন দ্বিতীয় কেউ নেই, আরেকটি বাড়ি না থাকলে তার ভবিষ্যৎ কী? এভাবেই অপ্রাপ্তির হতাশায় আকণ্ঠ ডুবে যাচ্ছে এই সমাজ, আমাদের চারপাশ। লোভ এখন সর্বব্যাপী। হেফাজত পরিচয়ের মাওলানা সাহেবদের যে বিত্তবৈভবের কথা আজকাল শুনছি তাতে লোভ মহামারী কোথায় পৌঁছেছে অনুমান করা যায়। প্রশ্ন হলো, সমাজটা এ রকম অনৈতিক হয়ে উঠছে কেন? কেন আমাদের নীতি উবে যাচ্ছে। মূল্যবোধের শিকড়কে কেন উপড়ে ফেলছি। অসহিষ্ণুতার বিষবাম্প ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র? এ প্রশ্নের উত্তরে অনেকে অনেক কথা বলবেন। অনেকে সামাজিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দেবেন। কিন্তু আপনি যদি রাষ্ট্রে বিশ্বাস করেন তাহলে মানতেই হবে রাজনীতিই হলো রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রক শক্তি। রাজনীতিহীন রাষ্ট্রে সমাজ হয় ভারসাম্যহীন। রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত হবে রাজনীতি দিয়ে। রাজনীতিই হলো একটি দেশ ও সমাজের চালিকাশক্তি। রাজনীতি যদি রাষ্ট্র পরিচালনায় চালকের আসনে না থাকে তাহলে ওই রাষ্ট্র ব্যাধিতে আক্রান্ত হবেই। বিশে^র দেশে দেশে এটি প্রমাণিত, রাজনীতিকে যেখানেই নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে সেখানে রাষ্ট্রই ব্যর্থ হয়েছে। পাকিস্তান এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ এবং বোধগম্য উদাহরণ। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। জনগণ তার পছন্দের প্রতিনিধিদের একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্বাচিত করে। এরা হলেন সংসদ সদস্য। জনপ্রতিনিধিদের নেতা আবার তার নির্বাহী দায়িত্ব কয়েকজনকে ভাগ করে দেন। এরা হলেন মন্ত্রী। আর জনপ্রতিনিধিরা যেন ঠিকঠাকমতো কাজ করতে পারেন সেজন্য সহযোগিতা করতে কিছু লোক রাখা হয় বেতন দিয়ে। এরা হলেন কর্মচারী। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় এরা চলেন। এদের বোধগম্য ভাষায় চাকরবাকর বলা যায়। এই হলো একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিচালন পদ্ধতি। আর এজন্যই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বলেছেন, ‘সবচেয়ে খারাপ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সবচেয়ে ভালো স্বৈরাচারী ব্যবস্থার চেয়ে উত্তম।’ এর প্রমাণ বিশে^র চারপাশে তাকালেই ঢের পাওয়া যাবে। কিন্তু বাংলাদেশে এক অদ্ভুত গণতন্ত্র চলছে। এখানে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আছেন, কিন্তু সংসদ সদস্যদের কোনো ক্ষমতা নেই। ক্ষমতা ডিসিদের হাতে। এখানে মন্ত্রিসভা আছে কিন্তু মন্ত্রীদের কোনো ক্ষমতা নেই। সব ক্ষমতা আমলাদের হাতে। রাজনীতি এখন নিয়ন্ত্রক নয়। ফলে এ সমাজে এলএসডি সংক্রমণ ঢুকেছে।

ধরা যাক আপনি বাড়ির মালিক। আপনার বাড়িতে ড্রাইভার আছে, মালী আছে, রান্নার বাবুর্চি আছে, ঘর পরিষ্কারের লোক আছে। একদিন আপনি আবিষ্কার করলেন, আপনি বাড়ির মালিক ঠিকই কিন্তু আপনার কোনো ক্ষমতা নেই। আপনার ইচ্ছা-অনিচ্ছার কোনো গুরুত্ব নেই। আপনি সকালে লুচি আর আলুর দম খাবেন বলে আগের রাতে বাবুর্চিকে বললেন। বাবুর্চি বললেন, না, এটা সম্ভব নয়। আমি যা দেব তা-ই খেতে হবে। আপনি ঘুমুতে যাবেন। ঘর পরিষ্কারের লোক বললেন, এখন তো ঘুমাতে পারবেন না। আপনার চাকরবাকরই যদি আপনার সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে তখন আপনি কী করবেন? অতিষ্ঠ হয়ে পাগল হয়ে যাবেন (এলএসডি আক্রান্ত) অথবা ঘর ছেড়ে চলে যাবেন। আপনি যদি বলিষ্ঠ, ব্যক্তিত্ববান হন তাহলে এসব চাকরবাকরকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করবেন, ভালো লোক নিয়োগ দেবেন। আর দুর্বল চিত্তের হলে চাকরবাকর জোট বেঁধে আপনাকে চালাবে। আপনি তাদের কথায় উঠবেন-বসবেন। আপনি তাদের ভয় পাবেন। এরা আপনার খাবারে বিষ মেশাতে পারে। রাতে এরা আপনার গলা টিপে মারতেও পারে। এ আতঙ্কে এদের হাতেই সংসারের চাবি তুলে দিয়ে আপনি আশ্বস্ত থাকতে চাইবেন।

বাংলাদেশ কি এখন এ রকম একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে? চাকরবাকরই যেন দেশের মালিক বনে গেছে। আর বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়ায় রাজনীতিবিদরা টিকটকের চরিত্র হয়ে গেছেন। দেশে এখন রাজনীতি বলতে কিছু নেই, রাজনীতির নামে যা হচ্ছে তা হলো টিকটক। টিকটক নিয়ে বিশে^ হুলুস্থুল। এটা আসলে খুব ছোট্ট (৩০ থেকে ৯০ সেকেন্ড) ভিডিও কনটেন্ট। অল্প কিছু সময়ে এমন কিছু করতে হবে যাতে মানুষ আকৃষ্ট হয়। সময়স্বল্পতায় দ্রুত ভিডিও কনটেন্টের মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এখন টিকটকে বিকৃতি, অশ্লীলতা এবং অরুচির উৎসব চলছে। বাংলাদেশের রাজনীতিও এখন শটকাট পদ্ধতিতে ধাবমান। রাজনীতি এখন মাঠেও নেই, জনগণের কাছেও নেই। এখন রাজনীতি চলে গেছে ফেসবুকে। ফেসবুকে লাইভে এসে নেতারা ঘোষণা দেন, হুমকি দেন। ফলে নেতৃত্বের চেইন অব কমান্ড নেই। ফেসবুকে যার যত ফলোয়ার, লাইক, শেয়ার তিনি তত বড় নেতা। ত্যাগী, পরীক্ষিত ইত্যাদি শব্দ কেবল বক্তৃতার জন্য সংরক্ষিত। রাজনীতিতে টিকটক ফরমুলাই এখন শক্তিশালী। একটা-দুইটা কথা বলে ঝড় তুলুন, ব্যস, আপনি ভাইরাল নেতা। কাদের মির্জা থেকে মন্ত্রী। সবাই দেড় মিনিটে কিছু বলে, করে ভাইরাল হতে চান। জনগণের কী হলো না হলো সে কথা কে ভাবে। টিকটক রাজনীতি সমাজকে লক্ষ্যহীন করেছে। চাকরবাকর যখন ড্রাইভিং সিটে বসেছে, সাধারণ মানুষ অধিকারহীন হয়ে পড়েছে তখন মানুষ আত্মকেন্দ্রিক, স্বার্থপর হয়েছে। অদ্ভুত এক আত্মহননের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে টিকটক রাজনীতির মহামারীতে।

লেখক : নির্বাহী পরিচালক, পরিপ্রেক্ষিত।

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
প্রাথমিক শিক্ষা
প্রাথমিক শিক্ষা
ব্যাংক লুটপাট
ব্যাংক লুটপাট
সর্বশেষ খবর
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

১ সেকেন্ড আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

১২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৫৬ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়