শিরোনাম
প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৮:১৩

ক্রাইম থ্রিলার নাটক ‘মায়াচর’

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:

ক্রাইম থ্রিলার নাটক ‘মায়াচর’

চার বন্ধুর একবন্ধুকে পত্রিকার একটি ভুয়া বিজ্ঞাপন দেখানো হয়। পেশায় শিক্ষক ওই বন্ধু বিজ্ঞাপন দেখে স্ত্রী সন্তানদের রেখে কানাডায় প্রবাশী এক মহিলাকে বিয়ে করার জন্য সব সম্পত্তি বিক্রি করতে চায়। সম্পত্তি কিনতে চায় বাকি তিনবন্ধু। 

একসময় তাদের সবার মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। তারা নানা পেশায় যুক্ত থেকে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। এক জোসনা রাতে নদীর বালুচরে তারা বেড়াতে গেলে তাদের মধ্যে পরিবর্তন ঘটতে থাকে। তাদের কারও নাক দিয়ে কেঁচো বের হতে থাকে, কারও চোখ দিয়ে মাছ পড়তে থাকে, কেউবা কুকুরে রুপান্তরিত হতে থাকে। কারও হাত মুখ লম্বা হতে থাকে। এ অবস্থায় এক নারীর সাথে দেখা হয় তাদের। সেই রহস্যময় নারী তাদের উদ্দেশ্যে বলেন তাদের অপরাধের গুপ্ত ইচ্ছে আর ভয়ানক মানষিকতাগুলো এতদিন সুপ্ত ছিল। হঠাৎ তারা সেই সুপ্ত অনুভূতিগুলো কেঁচো, মাছ, তেলাপোকা, সাপ হয়ে বেরিয়ে আসছে।

এজন্য তাদের চেহারাতেও পরিবর্তন ঘটছে। এরপর অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটতে থাকে। এমন কাহিনী নিয়ে পঞ্চগড়ের নাট্যদল ভূমিজ’ মঞ্চে নিয়ে আসছে ‘মায়াচর’। ৬৪ জেলায় অনুষ্ঠিত জাতীয় নাটোৎসবে পঞ্চগড়ে ২ দুই দিনের উৎসবে শুরুর দিনে বুধবার সন্ধ্যা সাতটায়  জেলা শিল্পকলা একাডেমি মঞ্চে মঞ্চস্থ হবে ‘মায়াচর’। 

মায়াচর নাটকটি রচনা ও নির্মাণ করেছেন সরকার হায়দার। অভিনয় করছেন নাসরিন আক্তার, রফিকুল ইসলাম, হাজ্জাজ তানিন, মোস্তাফিজুর রহমান এবং সরকার হায়দার। 

নাটকটির নির্মাতা সরকার হায়দার জানান, এই সময়ে প্রায় প্রত্যেক মানুষই ইচ্ছে বা অনিচ্ছেতে নানা অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। খুব হালকা বিষয় আশয় যেমন বদনাম, হিংসা আর জেলাসী দিয়ে মানুষ অনেক মূল্যবান সময় নষ্ট করে ফেলছে। এগুলোও এক ধরনের অপরাধ। যদিও ভেতরের সেই পশুবৃত্তিগুলো আমরা অভিনয় দিয়ে আবৃত্ত করে রাখি। মায়াচরের মূল ভাবনা মানুষের পশুবৃত্তিক আচরণ থেকেই নেয়া। ক্রাইম থ্রিলারের মতো ঘটনাবহুল এই নাটকটির প্রত্যেক দৃশ্যে টান টান উত্তেজনা দর্শকের মন ভরাবে বলে আশা করছি। 

উৎসবে ২০ ফেব্রুয়ারী একই সময়ে নীলফামারী জেলার ডোমার শিল্প ও সাহিত্য একাডেমি মঞ্চস্থ করবে হুমায়ুন আহমেদের নাটক ১৯৭১। নাটকটি নির্দেশনা দিয়েছেন মিজানুর রহমান সোহাগ ও বাসুদেব রায়। 

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের আয়োজনে দেশের ৬৪ জেলায় এই নাটোৎসব উদযাপিত হচ্ছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই উৎসব উদ্বোধন করেন। 


বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য