শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:২৮, বুধবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ আপডেট:

গরু-ছাগলের সঙ্গে তো এমন ব্যবহার করাই যায়!

আমিনুল ইসলাম
অনলাইন ভার্সন
গরু-ছাগলের সঙ্গে তো এমন ব্যবহার করাই যায়!

পত্রিকা অফিস থেকে আমাকে দুই বার জিজ্ঞেস করা হয়েছে, কি ব্যাপার, আপনি এই বিষয়ে কিছু লিখছেন না কেন?

আমি যেহেতু নিয়মিত বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষাঙ্গন নিয়ে লেখালেখি করি, তাই স্বাভাবিক অর্থে নিজ দায় থেকে'ই এই নিয়ে লেখা উচিত।

অরিত্রী নামের মেয়াটা আত্মহত্যা করেছে, এই খবর গতকাল পেয়েছি। মেয়েটা ভিকারুননিসা স্কুলে পড়ত। এই মেয়ে কিংবা আত্মহত্যা'র ঘটনা নিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে না। আমি বরং আমাদের চারপাশের অবস্থা গুলো আরেকবার তুলে ধরি।

ঢাকাতে'ই আমার জন্ম। সাধারণত আমাদের সময় যাদের জন্ম কিংবা বেড়ে উঠা ঢাকা'তে, তারা ঢাকা'র বাইরে পড়তে যেত না।

আমি বরাবর'ই মোটামুটি ভালো ছাত্র ছিলাম। আমার একাডেমিক ব্যাকরাউন্ড সব সময়'ই ভালো ছিল।

স্বাভাবিক ভাবে'ই যে কোন জায়গায় পরীক্ষা দিলে চান্স পেয়ে যাবো এমন একটা বিশ্বাস নিজের মাঝে'ই ছিল।

ইন্টারমিডিয়েট পাশ করার পর পরীক্ষা দিয়েছিলাম তিনটা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর এবং সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়।

ঠিক কোন কারণে আমি এই তিনটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়েছি, আমার এখন আর পুরোপুরি মনে পড়ছে না। যেহেতু প্রথম দুটো ঢাকাতে'ই আর আমার বাসাও ঢাকাতে, তাই স্বাভাবিক ভাবে সেখানে পরীক্ষা দেয়ার কথা।

ঢাকার বাইরে সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়েছি, কারণ ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার পর আমি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলাম- ঢাকার বাইরে গিয়ে পড়াশুনা করলে কেমন হয়! সেই ইচ্ছে থেকে'ই সিলেটে পরীক্ষা দেয়া।

সব গুলো বিশ্ববিদ্যালয়েই ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে চান্স পেয়েছি। শেষমেশ সিদ্ধান্ত নিয়েছি- সিলেটে পড়তে যাবো।

আমার বড় বোন আর দুলাভাই, যারা নিজেরাও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছে, এরা তো কোন ভাবে'ই আমাকে সিলেটে যেতে দিবে না। আমার বাবা'ও না। একদিন আমার বাবা আমাকে ডেকে বললেন, তোমার বাসার বাইরে গিয়ে পড়াশুনা করার কোন দরকার নেই। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়ে কেউ অন্য কোথাও পড়ে?

আমি আর কিছু বললাম না। গিয়ে মা'কে মনের কথা জানালাম।

আমার মা এই জীবনে কখনো আমাকে কোন কিছুর জন্য "না" করেনি।

শেষমেশ আমার মা, বাসার সবাইকে বুঝিয়ে রাজি করালেন। আমার অন্যান্য ভাই-বোন'রা তো সবাই রীতিমত আমাকে নিয়ে হাসাহসি করছে। কারণ ওরা সবাই ঢাকতে'ই পড়াশুনা করেছে। আমার এক বোন বলেছে, এক সময় বুঝবি কতো বড় ভুল করছিস তুই।

কতো হবে বয়েস তখন? ১৭ এর মতো। গেলাম চমৎকার শহর সিলেটে। ক্লাস শুরু হলো। অবাক হয়ে আবিষ্কার করলাম, সব স্যার-ম্যাডাম জিজ্ঞেস করছে, তুমি কোন কলেজে পড়াশুনা করেছ?

এটা জিজ্ঞেস করা খারাপ কিছু না। তবে বেশি অবাক হয়েছি, যখন আবিষ্কার করলাম কেউ একজন যদি নটরডেম কিংবা হলিক্রস-ভিকারুননিসা অথবা নামকরা কোন কলেজ থেকে থেকে পড়ে আসে, তাহলে স্যার কিংবা ম্যাডাম দুই চার লাইন বেশি'ই কথা বলছে তার সঙ্গে হেসে হেসে।

বুঝে গেলাম, স্রেফ ভালো স্কুল-কলেজে পড়ার জন্য শুধু শিক্ষক'রাই না, ক্লাসের বন্ধুদের কাছে'ও তারা আলাদা সমাদর পাচ্ছে!

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় এক ম্যাডাম আমার সঙ্গে এমন আচরণ করেছিল, যা আমি এই জীবনে কোন দিন ভুলতে পারবো না।

আমি বিতর্ক করতাম। জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক। সেবার সার্ক বিতর্কে অংশগ্রহণ করতে বিদেশে যেতে হবে। আমি বিতর্ক দলের সদস্য। তো, যেই স্যার আমাদের দেখভাল করছিলেন, তিনি দুপুর দুটো'র সময় মিটিং দেখেছেন, আমাদের সেখানে থাকতে হবে।

দুপুর দুটো'র সময় ওই ম্যাডামের সঙ্গে আমাদের একটা ক্লাস ছিল। তাই আমি ম্যাডাম'কে গিয়ে বললাম, বিতর্কের জন্য স্যারের সঙ্গে একটা মিটিং আছে, হয়ত মিনিট ১৫ লাগবে। আমি কি আপনার ক্লাসে খানিক পরে যেতে পারি?

ম্যাডাম বললেন- ঠিক আছে কোন সমস্যা নেই।

তো আমি মিটিং শেষে ক্লাসে ঢুকেছি। ম্যাডাম আমাকে সবার সামনে দাঁড় করিয়ে বললেন, এই ছেলে, তোমার সাহস তো কম না, আমার ক্লাশ বাদ দিয়ে মিটিং করতে যাও! কই থেকে উঠে আসছ? বাপ-মা কিছু শেখায়নি? মনে তো হয় বস্তি থেকে উঠে এসেছ!

বিশ্বাস করুন, এই ম্যাডাম এর চাইতেও জঘন্য কিছু শব্দ ক্লাসে ব্যাবহার করেছেন, যেটা আমার পক্ষে অন্তত এই লেখায় তুলে দেয়া সম্ভব না।

আপনাদের জানিয়ে রাখি- এই ম্যাডাম ঢাকার ভিকারুননিসা স্কুল-কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছিলেন।

এই ভদ্রমহিলা উঠতে-বসতে আমাদের অর্থাৎ আমরা যারা সিলেটে পড়াশুনা করছি, তাদের অপমান করতেন। তিনি প্রায়'ই বলতেন- তোমরা হচ্ছ ক্ষেত!

বিশ্বাস করুন, তিনি এই শব্দ বহু বার ব্যাবহার করেছেন অন্তত আমি যত দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলাম।

আমি সাধারণত খুব'ই নরম স্বভাবের মানুষ। আমার আশপাশের কেউ বোধকরি খুব একটা বলতে পারবে না, আমি কোন দিন কারো সঙ্গে উঁচু গলায় কথা বলেছি কিনা।

কিন্তু সেইদিন ম্যাডাম বাবা-মা তুলে কথা বলতে, আমি উত্তর দিয়ে বললাম, আমি যদি কোন দোষ করে থাকি, আপনি আমাকে বলেন। আপনি আমার বাবা-মা'কে কেন টেনে আনছেন এখানে? আর আপনি যে বললেন আমি বস্তি থেকে উঠে এসেছি। তাতে আপনার সমস্যা'টা কোথায়? নাকি বস্তির ছেলে-মেয়ে'রা যদি আপনার ছাত্র-ছাত্রী হয়, তাহলে তাদের পড়াবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? তাছাড়া আমি তো কোন অন্যায় করিনি, আমি তো আপনার অনুমতি নিয়েই গিয়েছিলাম। সেটাও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে। কাণে খুব কম ছেলে-পেলে'ই ইংরেজি'তে বিতর্ক করার সামর্থ্য রাখে।

এই ম্যাডাম আমার এই কথা শুনে এমন ভাবে চিৎকার করে উঠলেন, শুনে আমি'ই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। তিনি আমাকে সঙ্গে সঙ্গে বললেন, তোমার সাহস তো কম না, মুখের উপর কথা বলো! এক্ষুনি বের হও ক্লাস থেকে। নইলে আমি তোমাদের কোর্স করাব না।

আমি উত্তরে বলেছি, ম্যাডাম আমি তো কোন অন্যায় করিনি। বের হতে হলে আপনি হন। কারণ অন্যায় আপনি করছেন।

এই ম্যাডাম পুরো ক্লাসে বলে গেলেন, এই ছেলে যদি ক্লাসে থাকে, আমি তোমাদের কোর্স নিবো না। এরপর তিনি বের হয়ে গেলেন।

আমার ক্লাস মেট'রা এরপর আমাকে উনার কাছে গিয়ে মাফ চাইতে বলেছেন।

যা হোক, সেই কোর্স আমাকে অনেক পরে শেষ করতে হয়েছে। অনেক পরে জানতে পেরেছি ওই ম্যাডাম আর আমাদের বিতর্ক দলের দেখভাল করা স্যারের মাঝে বিরোধ ছিল। চিন্তা করে দেখুন অবস্থা, তাদের মাঝে বিরোধ, অথচ ঝাল'টা কিনা আমার উপর দিয়ে ঝাড়ল!

এই হচ্ছে আমাদের ভিকারুননিসা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের মনোভাব।

এদের কোন দোষ নেই। দোষ এদের শিক্ষকদের।

কারণ ভর্তি হবার পর'ই এদের প্রথমে'ই শিক্ষা দেয়া হয়- আমরা'ই সেরা। অন্য সবাই গরু ছাগল।

সুতরাং গরু-ছাগলের সঙ্গে তো এমন ব্যবহার করা'ই যায়!

যা হোক, সিলেটের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে দেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছি। সেখানেও দেখি এক'ই কাণ্ড!

সহকর্মী যারা বুয়েট কিংবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ে এসেছে, তারা অন্যদের সঙ্গে মিশতেই চায় না কিংবা মিশলেও ভালো ভাবে জানান দেয়- আমরা কিন্তু তোমাদের চাইতে আলাদা!

দেশের পাঠ চুকিয়ে আসলাম বিদেশে। সুইডেনের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি। যেই বিষয় নিয়ে পড়ছি, সেটা পড়তে বাংলাদেশ থেকে আরও কিছু ছাত্র-ছাত্রী এসেছে। এর মাঝে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়েছে এমন দুই-একজন ছিল।

এদের একজন তো আমাকে একদিন প্রশ্ন করেছে, আপনি সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে এখানে চান্স পেলেন কিভাবে?

অর্থাৎ বিদেশে এসেও রক্ষা নেই। সেখানেও নিজেদের ভাব কিংবা শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করতে হবে! অথচ যে কিনা এই প্রশ্ন করেছিল, সে বোধকরি এখন হোটেল-রেস্টুরেন্টে ক্লিনিং করে বেড়ায়।

কোন কাজ'ই খারাপ না। বরং এই কাজটাও সম্মানের। আমি তাকে ছোট করার জন্য বলছি না। ব্যাপার'টা বুঝানর জন্য বলতে হচ্ছে।

আমি এখন ছোট্ট যেই শহরে থাকি, কতো হবে সব মিলিয়ে বাংলাদেশির সংখ্যা? শ'দেড়েক হবে হয়ত।

এদের মাঝে যেই ছেলেটা কিংবা মেয়েটা এখানকার বড় কিংবা পাবলিক একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে, তারা এই এক'ই শহরে থাকা প্রাইভেট কিংবা ছোট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ম করে ছোট করে।

এই হচ্ছি আমরা বাংলাদেশি'রা। দেশ থেকে বিদেশে পাড়ি জমিয়েও কোন ফায়দা হচ্ছে না। স্বভাব এক'ই থেকে যাচ্ছে ! আমার ধারণা চাঁদ কিংবা মঙ্গল গ্রহে গেলেও আমাদের স্বভাব এমন'ই থাকবে!

এই মেয়েটা আত্মহত্যা করার পর আপনারা যারা এখন সবাই খুব আফসোসের সঙ্গে সহানুভূতি মিশিয়ে নানান সব লেখা লিখছেন কিংবা কথা বলছেন; দয়া করে একটু ভেবে বলুন তো- এই জীবনে আপনি নিজে কি কখনো উপরে বর্ণনা করা আচরণ গুলো'র একটিও কারো সঙ্গে করেননি?

যে কোন কারণেই হোক, এর যদি সামান্য টুকু আচরণও করে থাকেন, তবে জেনে রাখুন-আপনার কথা কিংবা ব্যাবহারও হয়ত কারো না না কারো জীবন ধ্বংস কিংবা আত্মহত্যার জন্য দায়ী।

আগে তো নিজেরা ঠিক হই, তারপর না হয় অন্য সব কিছু নিয়ে মন্তব্য করা যাবে।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
এক হাজার কোটি টাকার মালিক সুমন, ফেসবুকে জাওয়াদ নির্ঝর
এক হাজার কোটি টাকার মালিক সুমন, ফেসবুকে জাওয়াদ নির্ঝর
‌‘এতো আশ্চর্য আর কোনোদিন হইনি’
‌‘এতো আশ্চর্য আর কোনোদিন হইনি’
আশিক চৌধুরী ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদলের সেই নেত্রী
আশিক চৌধুরী ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদলের সেই নেত্রী
‘কত বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রি ডুবাচ্ছেন সেটা একবার ভাবেন’
‘কত বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রি ডুবাচ্ছেন সেটা একবার ভাবেন’
‘একটা সিনেমা আটকে দেয়া মানে কতগুলো স্বপ্নকে দাফন করে দেয়া’
‘একটা সিনেমা আটকে দেয়া মানে কতগুলো স্বপ্নকে দাফন করে দেয়া’
‌এবারের শোভাযাত্রা কেবল আরও ইনক্লুসিভ হবে তা না, আরও কালারফুল হবে
‌এবারের শোভাযাত্রা কেবল আরও ইনক্লুসিভ হবে তা না, আরও কালারফুল হবে
ফেব্রুয়ারিতে ইন্টারনেটে ২৬৮ ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে রিউমার স্ক্যানার
ফেব্রুয়ারিতে ইন্টারনেটে ২৬৮ ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে রিউমার স্ক্যানার
নতুন জীবনের জন্য দোয়া চাইলেন সারজিস
নতুন জীবনের জন্য দোয়া চাইলেন সারজিস
আগে সুন্দর করে একটু বাঁচি, তারপর হাজারো প্রশ্নের উত্তর দেব
আগে সুন্দর করে একটু বাঁচি, তারপর হাজারো প্রশ্নের উত্তর দেব
হাসিনার কারণে বিএনপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন তার স্বামী ড. ওয়াজেদ!
হাসিনার কারণে বিএনপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন তার স্বামী ড. ওয়াজেদ!
জামায়াত নেতাদের প্রশংসা করে ফেসবুকে যা লিখলেন গোলাম রাব্বানী
জামায়াত নেতাদের প্রশংসা করে ফেসবুকে যা লিখলেন গোলাম রাব্বানী
‘যে বলে কেন প্রেমে পড়েছি জানি না, ওরা মিথ্যা বলে’
‘যে বলে কেন প্রেমে পড়েছি জানি না, ওরা মিথ্যা বলে’
সর্বশেষ খবর
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

১৬ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৭ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ
জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন
মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

১৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়