Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ মে, ২০১৯ ২২:৪৫

শুরুতেই চড়া ফলের বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক

শুরুতেই চড়া ফলের বাজার

রমজানের শুরুতেই গত সপ্তাহের চেয়ে দেশি-বিদেশি সব ফলের দাম বেড়েছে ২০-৩০ টাকা। কিছু ফলের দাম ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

রোজায় ফলের চাহিদা বেশি হওয়ায় ফায়দা লুটতে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। রাজধানীর দক্ষিণখান, খিলক্ষেত, নদ্দা বাজার ঘুরে দেখা যায়, ফলের দোকানে মাল্টা ১৫০-১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গোপালভোগ আম ২৮০ টাকা, লাল আপেল ১৮০ টাকা, সবুজ আপেল ২০০ টাকা, পেঁপে ১৮০ টাকা, নাশপাতি ২৮০ টাকা, আঙ্গুর ৩৮০ টাকা, লাল আঙ্গুর ৪৫০ টাকা, বেদানা ৩০০ টাকা, বরই খেজুর ৩২০ টাকা, মরিয়ম খেজুর ১ হাজার টাকা, ইউসুফ মরিয়ম ৮০০ টাকা, ডেড ক্রাউন খেজুর ২৮০ টাকা, বারাবি খেজুর ৫৬০ টাকা, তরমুজ ৭০ টাকা, পেয়রা ৯০ টাকা, চেরি ৪০০ টাকায় কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে। সাগর কলা, সবরি কলা ৪০ টাকা হালি, বেল ১০০ টাকা পিস, আনারস ৬০ টাকা পিস, বাঙ্গি ১২০ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। নদ্দা বাজারে রোজায় প্রয়োজনীয় ফল কিনতে এসেছিলেন সাইফুল হোসেন। তিনি বলেন, এমন কোনো ফল নেই যার দাম বাড়েনি। গত সপ্তাহে মাল্টা কিনেছি ১২০ টাকা কেজি অথচ এখন কোনে দোকানদারই ১৫০ টাকার নিচে বিক্রি করছে না। তিন দিনে ৩০ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে। নাশপাতির দাম তো আকাশ ছোঁয়া। ১০০ টাকা বেড়েছে প্রতি কেজিতে। খেজুরের দাম প্রকার ভেদে ৪০-৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। বেদানার দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৪০ টাকা করে। বেল, বাঙ্গি, আনারস, তরমুজ প্রতিটি ফলের দাম বাড়ানো হয়েছে ফায়দা লাভের আশায়। রমজানকে ঘিরে এভাবে দাম বাড়ানোর প্রতিযোগিতা অনৈতিক। আল মদিনা স্টোরের ফল বিক্রেতা ফিরোজ আলী বলেন, গত সপ্তাহে আমরা যে দামে ফল কিনেছিলাম এ সপ্তাহে পাইকারিতে প্রতিটি ফলের দাম বাড়ানো হয়েছে। পাইকারি বিক্রেতারা দাম বাড়ালে আমাদের কিছু করার থাকে না। কিন্তু ক্রেতাদের নানারকম মন্তব্য শুনতে হয় আমাদের। দক্ষিণখান বাজারে ফল কিনতে আসা ক্রেতা আতিয়া বেগম বলেন, গত শুক্রবার এ দোকান থেকেই জামরুল কিনেছিলাম ১২৫ টাকা কেজিতে অথচ আজকে দাম বাড়িয়ে চাইছে ১৫০ টাকা, ১২০ টাকার সফেদা বিক্রি করছে ১৪০ টাকায়। মাঝারি সাইজের কাঁঠাল ৩০০ টাকায় কিনেছিলাম এখন ৪০০ টাকার নিচে বিক্রি করবে না বলছে। এখনো আমের মৌসুম শুরু না হওয়ায় এসব ফলের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। রোজার শুরুতে দাম নিয়ন্ত্রণ না করে আগে থেকে নিয়ন্ত্রণ করলে অসহনীয় অবস্থায় পড়তে হতো না।


আপনার মন্তব্য