শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৮ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৪৯

চার প্রার্থীর প্রচারণা তুঙ্গে

ফখরুলের কাছে ভোট চাইলেন আতিক, তাপসের পাশে খোকন, ইশরাকের ইশতেহার, তাবিথের জনসংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

চার প্রার্থীর প্রচারণা তুঙ্গে
জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে নৌকায় ভোট চান উত্তরের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম (ওপরে বামে)। মোহাম্মদপুর এলাকায় তাবিথ আউয়ালের গণসংযোগ (ওপরে ডানে)। ঢাকা দক্ষিণের প্রার্থী ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে মেয়র সাঈদ খোকন (নিচে বামে)। নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেন দক্ষিণে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন (নিচে ডানে) -বাংলাদেশ প্রতিদিন

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার শেষ মুহূর্তে ঘুম হারাম হেভিওয়েট চার প্রার্থীর। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকার পাড়া-মহল্লা ও ওলিগলিতে ঘুরছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা। গতকাল সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে কাকতালীয়ভাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে ভোট চান ঢাকা উত্তর সিটির আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দক্ষিণ সিটির আওয়ামী লীগ প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের পাশে দাঁড়িয়েছেন বর্তমান মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। এদিকে গতকাল সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটির বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন ১৬ দফায় ১৫৭টি প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উত্তর সিটির বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়াল নির্বাচনী গণসংযোগে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। বসে নেই অন্য প্রার্থীরাও। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন জাতীয় পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি, ইসলামী দলের প্রার্থীরাও। তবে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে হেভিওয়েট চার প্রার্থীর প্রচারণা।

ফখরুলের কাছে ভোট চাইলেন আতিক : কাকতালীয়ভাবে কাছে পেয়ে রাজধানীর উত্তরার বাসিন্দা বিএনপি  মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। এরপর আতিকুল ইসলাম জাতীয় প্রেস ক্লাবে স্বাধীনতা সাংবাদিক ফোরামের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে একটি অনুষ্ঠান শেষে ক্লাবের টিভি লাউঞ্জে চা পান করতে আসেন মির্জা ফখরুল, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান। হঠাৎই এ সময় আতিকুল ইসলাম লাউঞ্জে এসে বিএনপি মহাসচিবকে দেখে তার কাছে ছুটে আসেন এবং সালাম দেন। এ সময় আতিক বলেন, ‘ফখরুল ভাইকে আজ পেয়েছি। ভালোই হলো। কেমন আছেন ভাই?’ মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভালো আছি। আপনি ভালো তো?’ এ সময় আতিক হ্যাঁ-সূচক জবাব দিয়ে বলেন, ‘ফখরুল ভাইও উত্তরা-৪ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দা, আমিও। আমি আপনার কাছে ভোট চাইছি।’ এ সময় মির্জা ফখরুল হাসিমুখে বলেন, ‘ভাই, আমি ঢাকায় ভোটার নই।’ আতিক বলেন, ‘ভাই, আপনার দোয়া চাই।’ মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অবশ্যই, অবশ্যই।’ হালকা হাস্যরসের মধ্য দিয়ে কিছুক্ষণ কথাবার্তাও চলে দুজনের। এ সময় সাংবাদিকদের অনুরোধে দুজনকে ক্যামেরার সামনেও দাঁড়াতে হয়। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও আবদুল্লাহ আল নোমানের সঙ্গেও কুশল বিনিময় করেন আতিক।

এরপর জাতীয় প্রেস ক্লাবে স্বাধীনতা সাংবাদিক ফোরামের সঙ্গে মতবিনিময় করেন আতিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, ‘নৌকার কোনো ব্যাকগিয়ার নেই। নৌকার গিয়ার একটাই। সেটি হচ্ছে উন্নয়নের গিয়ার। নৌকা দিয়েছে স্বাধীনতা, নৌকা দেবে উন্নয়ন, নৌকা দেবে একটি সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকা। নৌকা এগিয়ে যাবে।’

মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ শ্যামল দত্ত। এতে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব মনজুরুল আহসান বুলবুল, সাবেক সভাপতি মো. শফিকুর রহমান, বিএফইউজে মহাসচিব শাবান মাহমুদ, সাংবাদিক নেতা ওমর ফারুক, আবদুল জলিল ভূঁইয়া, শাহেদ চৌধুরী, মইনুল আলম, ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।

মোহাম্মদপুর-মিরপুরে তাবিথের গণসংযোগ : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল বলেছেন, ‘আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পরিবর্তনের দিন। আমাদের নিজেদের ভাগ্য এবং গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে পরিবর্তনের পক্ষে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘সরকার ভয় পাচ্ছে। কারণ বিএনপির প্রচারে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। গণজোয়ারের কারণে বিপুল ভোট পড়বে। ভোট পড়লেই ধানের শীষ জয়ী হবে। এ কারণে আগামী কয়েক দিন তারা ভয়-ভীতি ও গুজব সৃষ্টি করতে পারে। আমরা এসব কিছুকে ভয় পাব না। নির্ভয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কেন্দ্রে যেতে হবে।’ গতকাল মোহাম্মপুর এলাকায় কয়েকটি পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ধানের শীষের পাশাপাশি বিএনপি সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষেও ভোট চান তাবিথ আউয়াল। বেলা ১১টার দিকে শের শাহ সুরী রোডে পথসভা শুরু হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে টাউন হল, জাকির হোসেন রোড, কাজী নজরুল ইসলাম রোড কলোনি, নূরজাহান রোড, তাজমহল রোড, কৃষি মার্কেট, জহুরি মহল্লা, শম্পা মার্কেট, আদাবর বাজার, মনসুরাবাদ, শনিরবিল বাজারসহ মিরপুরের ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডেও পথসভা করেন ধানের শীষের এই প্রার্থী। এদিকে তাবিথ আউয়ালের মা নাসরিন ফাতেমা আউয়াল দুপুরে রাজধানীর উত্তরা ১৪ সেক্টর, মহাখালী কাঁচাবাজার ও গুলশান পিংক সিটিতে গণসংযোগ করেন। তিনি ভোটারদের কাছে লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর সহধর্মিণী শামীমা বরকত লাকী, জেএসডি সভাপতি আ স ম রবের স্ত্রী তানিয়া রব এবং বরিশালের সাবেক মেয়র মুজিবর রহমান সারোয়ার ও আহসান হাবিব কামালের সহধর্মিণীও গণসংযোগ অংশ নেন।

তাপসের পাশে খোকন : অবশেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটির আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের পাশে দাঁড়ালেন দক্ষিণ সিটির বর্তমান মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। মেয়র পদে মনোনয়ন পাওয়ার পর খোকনের সঙ্গে গতকালই তাপসের প্রথম সাক্ষাৎ। দেখা হতেই তাপসকে আলিঙ্গন করলেন খোকন। এ সময় তাপসকে সমর্থন জানান খোকন। আচরণবিধির বাধ্যবাধকতা থাকায় তাপসের পক্ষে সরাসরি ভোট চাইতে পারছেন না বলেও জানান খোকন। গতকাল দুপুরে সদরঘাটে সিটি করপোরেশনের জলবায়ু উদ্বাস্তু আশ্রয়কেন্দ্রে দেখা হয় খোকন ও তাপসের। এদিন আশ্রয়কেন্দ্রটি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মেয়র খোকন। আর ওই এলাকাতেই গণসংযোগে গিয়েছিলেন ফজলে নূর তাপস। এ সময় ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আমি এখানে গণসংযোগ করতে এসেছিলাম। এখানে যে কেন্দ্রটি রয়েছে, সেটি বর্তমান মেয়রের একটি চমৎকার উদ্যোগ। জলবায়ু উদ্বাস্তু যারা, তাদের জন্য এই আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে।’

ইশরাকের ১৬ দফা ইশতেহার : ‘ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার সমন্বয়ে বিশ্বমানের বাসযোগ্য ঢাকা গড়ার প্রত্যয়’ নিয়ে ১৬ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে (ডিএসসিসি) বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। ইশতেহারে তিনি নগরবাসীকে ১৫৭টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকাবাসীর জন্য ভেজাল ও বিষমুক্ত খাবার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি অন্যতম। নির্বাচিত হলে নগরবাসীর জন্য কম দামে বিষ ও ভেজালমুক্ত তাজা খাবারের ব্যবস্থা করতে মহানগরীর বিশেষ বিশেষ স্থানে কৃষক মার্কেট ও নাইট মার্কেট স্থাপন করবেন বলে উল্লেখ করেন ইশরাক হোসেন। এ ছাড়া মেয়র নির্বাচিত হলে প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকার বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করে তা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন তিনি। গতকাল বেলা ১২টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে তিনি এই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মো. শাহজাহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইশতেহার ঘোষণার পর নগরবাসীর জন্য ‘কমন ইউটিলিটি’ সার্ভিস-সংক্রান্ত একটি অত্যাধুনিক পরিকল্পনা প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরেন তিনি। ১৬ দফার ইশতেহারে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দুর্নীতি থাকবে না। নগরবাসীর যে কোনো অভিযোগ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাবতীয় সেবা প্রাপ্তির লক্ষ্যে এবং সব অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ কর্তৃপক্ষকে সরাসরি অবহিত করার সুযোগ থাকবে। এ লক্ষ্যে মহানগরী ও আঞ্চলিক কার্যালয়ের হটলাইন টেলিফোন চালু করা হবে।’ নগরীতে ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু, মুক্তিযোদ্ধা, বয়স্ক, অন্ধ, প্রতিবন্ধী, নারী, শিশু এবং সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য বিশেষ সেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপির এই মেয়র প্রার্থী। তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ইত্যাদি ব্যাধিসহ মশার সংক্রমণ থেকে নগরবাসীকে বাঁচাতে নিয়মিত মশক নিধনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করারও অঙ্গীকার করেন তিনি। ঢাকা মহানগরীর দুর্দশার বর্ণনা করে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘বিশ্বের অন্যতম জনবহুল শহরের পাশাপাশি যোগ হয়েছে বিশ্ব তালিকায় বসবাসের অনুপযোগী শহরের শীর্ষে উঠে আসার দুর্নামও। বিশ্বায়নের এই সময়ে এমন দুর্নাম এই শহরের সব মানুষকে লজ্জাজনক মানসিক অবস্থায় ফেলে দিয়েছে। নৈতিক সামাজিক অবক্ষয় আমাদের তরুণ সমাজকে হতাশার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ফলে আমরা হারাতে বসেছি আমাদের গর্বিত ঐতিহ্য। এই পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটাতে হবে।’ বাবা প্রয়াত মেয়র সাদেক হোসেন খোকাকে স্মরণ করে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক বলেন, ‘বাবাকে হারানোর শোক এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি। এমতাবস্থায় দলের সিদ্ধান্ত ও জনগণের প্রত্যাশার কথা ভেবে রাজধানীবাসীর সেবা করার প্রত্যাশায় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।’

হরতাল-অবরোধ বন্ধ করবেন মিলন : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জাতীয় পার্টি মনোনীত মেয়র প্রার্থী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন বলেছেন, নির্বাচিত হলে রাজধানী ঢাকাকে সব সময়ের জন্য হরতাল-অবরোধের মতো ধ্বংসাত্মক রাজনীতি থেকে মুক্ত রাখার জন্য জনমত গঠন করে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করব। ঢাকাবাসীর জন্য নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ নিশ্চিত করব। যানজট নিরসনে সরু রাস্তা প্রশস্ত করব।’ গতকাল কাকরাইল, বিজয়নগর, আরামবাগ, মতিঝিল শাপলা চত্বর, গোপীবাগ, টিকাটুলি, আর কে মিশন রোড এলাকায় গণসংযোগকালে বেশ কয়েকটি পথসভায় ভোটারদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

ক্লিন গ্রিন ও স্মার্ট ঢাকা গড়বেন আবদুর রহমান : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে গতকাল দিনব্যাপী প্রচারণা চালিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবদুর রহমান। যাত্রাবাড়ী ও কদমতলী থানার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি বলেন, নির্বাচিত হতে পারলে ক্লিন গ্রিন ও স্মার্ট নগরী গড়ে তুলবেন।

দুর্নীতিবাজ জায়গা দেবেন না মাওলানা মাসউদ : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হাতপাখা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ বলেন, ‘যারা আজ সুস্থ ও সচল ঢাকার স্লোগান তুলছেন, কেন ঢাকা অচল হলো? দূষিত ও বসবাসের অযোগ্য হলো?’ মাওলানা মাসউদ বলেন, ‘নির্বাচিত হলে দুর্নীতিবাজদের জায়গা হবে না নগর ভবনে।’ গতকাল উত্তরা ১০ ও ১২ নম্বর সেক্টর, খামারপাড়া, রাজাবাড়ী এলাকায় গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন তিনি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর