শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ মার্চ, ২০২০ ২৩:৩০

প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন

রুহুল আমিন রাসেল

প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন
এ কে আজাদ

জনসমাগম এড়িয়ে চলা ও মুজিববর্ষে কর্মসূচি বাতিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি  এ কে আজাদ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার বিশাল হৃদয়ে সময়ের সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই। জাতির দীর্ঘদিনের একটি প্রতীক্ষিত অনুষ্ঠানের জন্য আমরা অপেক্ষা করেছিলাম। সেই অনুষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধুকন্যা কাটছাঁট করেছেন। পুরো জাতিকে তিনি আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করেছেন। এখন সরকারিভাবে কিছু পদক্ষেপ নিলে পরিস্থিতি সামলানো বাংলাদেশের জন্য সুবিধাজনক হবে। এ কে আজাদ গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন- আমাদের কিন্তু কোয়ারেন্টাইন করার মতো জায়গা নেই। সে জন্য দ্রুত সরকারের কিছু পদক্ষেপ নেওয়া দরকার যেটা চীন করেছে। অস্থায়ী ভিত্তিতে অসুস্থ রোগীর জন্য যত সম্ভব বিচ্ছিন্নভাবে কিছু হাসপাতাল তৈরি করা যায় কিনা, সরকারের ভেবে দেখা দরকার। নইলে করোনাভাইরাসের ব্যাপকতা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। তবে গরম আসছে, এটা আমাদের জন্য ইতিবাচক হতে পারে। দেশের বৃহত্তম তৈরি পোশাক পণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হা-মীম গ্রুপের এই কর্ণধার বলেন, বস্ত্র ও পোশাক খাতে একটা ভীতি কাজ করছে। কারণ, একেকটা কারখানায় প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার শ্রমিক শ্রমিক কাজ করেন। তাদের মধ্যে যদি একজনও আক্রান্ত হন, তার প্রভাব পুরো শিল্প খাতে পড়বে। এটা যেন না হয়, আমরা চেষ্টা করছি। কিন্তু সবাই এই সতর্কতা অবলম্বন করছে না। সে জন্য সরকারের উচিত হবে একটা বাধ্যবাধকতা তৈরি করা, একটি নির্দেশনা দেওয়া এবং তা মনিটরিং করা। এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে। অনেকের গাফিলতির কারণে বিশাল ক্ষতি হতে পারে। এ কে আজাদ বলেন, বাংলাদেশি পণ্যের আন্তর্জাতিক ক্রেতারা ইতিমধ্যে বেশকিছু আতঙ্কজনক পদক্ষেপ নিয়েছে। পাশাপাশি আমাদের অন্যতম রপ্তানি গন্তব্য ইউরোপ- আমেরিকার অবস্থা খুবই খারাপ। বিশেষ করে ইতালিতে প্রতিদিনই করোনা আক্রান্ত রোগী মারা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রও তাদের বেশ কিছু শহরে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। সেখানে অনেক শপিং মল খোলা থাকলেও, তাতে ক্রেতারা যাচ্ছেন না। এ ছাড়া আমাদের অনেক ক্রেতা কোনো ধরনের যোগাযোগ রাখলেও, ভিজিটরকে গ্রহণ করছেন না। মুখোমুখি যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। রপ্তানি পণ্য পরিদর্শন করতে কারখানাগুলোতে ক্রেতা ও তাদের প্রতিনিধিরা যাচ্ছেন না। তারা সরাসরি পণ্য পাঠাতে বলছেন। সব কিছু মিলিয়ে আমরা একটা চিন্তার মধ্যে আছি যে, এটা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।


আপনার মন্তব্য