শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৮ মে, ২০২০ ২৩:৫৮

স্বাস্থ্য খাতে চাপ তৈরি করবে

-ডা. আবুল হাসনাৎ মিল্টন

স্বাস্থ্য খাতে চাপ তৈরি করবে

ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি, রাইটস অ্যান্ড রেসপনসিবিলিটিস (এফডিএসআর) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবুল হাসনাৎ মিল্টন বলেছেন, ‘যদি বিজ্ঞানের কথা বলি, তাহলে কোনো দেশে লকডাউন শিথিল বা প্রত্যাহার করার কিছু পূর্বশর্ত থাকে। যেমন করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার যখন কমতে থাকে, এবং একপর্যায়ে অনেক কমে যায়, তখন পর্যায়ক্রমে লকডাউন শিথিল করা যেতে পারে। কিন্তু এখন এ সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য খাতে চাপ তৈরি করবে। কারণ দেশে আক্রান্তের গ্রাফ এখন ঊর্ধ্বমুখী।’

গতকাল তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘লকডাউন শিথিল করার ফলে যদি কভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের হার বেড়ে যায়, সে ক্ষেত্রে তাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত সুযোগ থাকতে হবে। পাশাপাশি এ সময় করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার যথেষ্ট সুযোগ থাকতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতা ভিন্ন। বাংলাদেশে দুই মাস ধরে সরকারিভাবে ছুটি ঘোষিত হলেও দেশব্যাপী পরিপূর্ণভাবে লকডাউন পালিত হয়নি। ফলে লকডাউনের ফলে আমরা করোনা নিয়ন্ত্রণে কাক্সিক্ষত ফল পাইনি। যদি লকডাউনটি আমরা কঠোরভাবে পালন করতে পারতাম, তাহলে অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও হয়তো করোনা সংক্রমণের হার আজ কমতির দিকে থাকত। সে ক্ষেত্রে আমাদেরও এভাবে লকডাউন শিথিলের কথা শুনে এতটা উদ্বিগ্নতা বোধ করতে হতো না।’

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিষয়ক জরুরি অবস্থায় আগে জীবনের কথাই ভাবতে হবে, জীবিকা নয়। জনস্বাস্থ্যের বিবেচনায় তাই এ সিদ্ধান্তটি অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ। এর ফলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর যে বাড়তি চাপের সৃষ্টি হবে, সেটি সামাল দেওয়ার মতো অবস্থা স্বাস্থ্য খাতের আছে কি না তাও দেখার বিষয়। মানবদেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করার জন্য পর্যাপ্ত টেস্টের ব্যবস্থা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। মানুষ যথেষ্ট ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। অথচ এ সময় বিপুলসংখ্যক টেস্টের সুযোগ নিশ্চিত করা দরকার ছিল।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর