শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০১:৪২

জলবায়ু তহবিলে অর্থ বাড়াতে সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

জলবায়ু তহবিলে অর্থ বাড়াতে সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য অভিযোজন তহবিল বাড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘এফ২০ ক্লাইমেট সলিউশন উইক’ উপলক্ষে গতকাল উচ্চ পর্যায়ের এক ভার্চুয়াল সভায় মূল বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব সামাল দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বৃহত্তর সহযোগিতা, শক্তিশালী ও গ্রিন মেকানিজম এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেন। এফ২০ ও কিং খালেদ ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে ১৪ সেপ্টেম্বর এ সপ্তাহ শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য অভিযোজন তহবিল বৃদ্ধি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও জি-২০-এর কাছে শক্তিশালী সমর্থন কামনা করছি। বাস্তুচ্যুত অথবা জলবায়ু শরণার্থী ইস্যুতে বৈশ্বিক সমর্থন জোগাতে জি-২০-কে বৃহত্তর দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত নিরীহ মানুষকে কীভাবে সামাল দিতে পারব তা ব্যাপকভাবে নির্ভর করছে সবার শান্তি ও নিরাপত্তার ওপর। মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের কারণে প্রকৃতি ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। বাংলাদেশের চেয়ে এ পরিস্থিতি সম্পর্কে কেউ ভালো জানে না।’ বাংলাদেশ বর্তমানে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম-সিভিএফের সভাপতি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জলবায়ুজনিত বিপর্যয় মোকাবিলায় বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। ২০০৯ সালে প্রণীত বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য গঠিত বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট তহবিলে সরকার নিজস্ব সম্পদ থেকে ৪৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ঠেকাতে প্রতি বছর লাখ লাখ গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে। অভিযোজন কার্যক্রমের জন্য ২০১০ সালের পর থেকে সরকার প্রতি বছর গড়ে ২০০ কোটি ডলার ব্যয় করছে, যা জিডিপির ১ শতাংশ। সভায় জার্মানির অর্থমন্ত্রী ও ভাইস চ্যান্সেলর ওলাফ স্কলস, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. আবদুল্লাহ বেলহাইফ আল নুয়াইমি, কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস, এফ২০-এর সভাপতি ক্লাউস মিলকে, জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ড সদস্য ড. সাবিনি মাউডারার প্রমুখ বক্তব্য দেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর