শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১০ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ মার্চ, ২০২১ ২৩:১৭

করোনা নিয়ে সতর্ক করে তিন নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

হঠাৎ করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় মাস্ক পরাসহ তিনটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মাধ্যমে মন্ত্রিসভার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমরা যে যেখানে আছি টিকা নিই বা না নিই, তিনটি বিষয় বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। অবশ্যই যেন মাস্ক ব্যবহার করি, যথাসম্ভব যেন সতর্কতা অবলম্বন করি আর তৃতীয়টি হচ্ছে পাবলিক গ্যাদারিং যেখানে হচ্ছে সেখানে যেন লিমিটেড সংখ্যায় থাকি। নিজেরাও যেন দায়িত্ববোধ থেকে বেশিসংখ্যক লোক যেখানে আছি সেখানে যেন না যাই। যারা যাবেন তারা যেন স্বাস্থ্যবিধি অনুগ্রহ করে মেনে চলি। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মন্ত্রিসভায় কভিডের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমরা একেবারে কমফোর্ট জোনে আছি এটা যেন চিন্তা না করি। অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা ভালো আছি। তবে এটি নিশ্চয়তা দেয় না যে আমরা একেবারে কমফোর্ট জোনে আছি। খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমরা যা মনে করেছিলাম শীতকালে পিকে চলে যাবে। আমাদের পিক ছিল হাই সামারে। সুতরাং মে-জুন হাই সামার হবে। এক্সপার্টরা যা বলছেন সে দিকটায়ও দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে, যেন আমরা যার যার জায়গা থেকে কেয়ারফুল থাকি। মাস্ক বাধ্যতামূলক করার জন্য প্রশাসন মাঠে নামবে কিনা এমন প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমরা প্রচার করছি- একটা ভ্যাকসিন নিলে বিজ্ঞানীরা বলছেন না যে আপনি পুরোপুরি নিরাপদ, ভ্যাকসিন নিলেও মাস্ক পরতে বলা হয়েছে। রোজার মাসে পণ্য সরবরাহ নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রমজানে কতগুলো পণ্য বিশেষভাবে জরুরি হয়ে যায় যেমন ভোজ্য তেল, চিনি, ছোলা, ডাল, খেজুর ও পিঁয়াজ। এসব নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মন্ত্রিপরিষদ সভায় আশ্বস্ত করেছে আমাদের যে পরিমাণ চাহিদা সে তুলনায় আমাদের মজুদ সন্তোষজনক রয়েছে। টিসিবি যে আমদানি করছে তা রোজার আগেই চলে আসবে। অন্তত ছয়টি যে পণ্য রোজার সময় বিশেষ প্রয়োজন সেগুলো নিয়ে অসুবিধা হবে না। তিনি বলেন, আশা করা যায় সাপ্লাইয়ের কোনো ঘাটতি হবে না। দাম বাড়ার বিষয়টি অনেকটা মার্কেটের ওপর নির্ভর করে। সাপ্লাই বেশি থাকলে দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে।