শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৭ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ মে, ২০২১ ২৩:২০

মামুনুল মাদানীসহ ১৪ নেতা কাশিমপুর কারাগারে

গাজীপুর প্রতিনিধি

Google News

হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হক ও ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানীসহ ১৪ নেতাকে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার ১১ মে দিবাগত রাতে তাদের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ওই কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার গিয়াস উদ্দিন জানান, নাশকতা কর্মকান্ড ও ডিজিটাল আইনে দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার মামুনুল হক ও রফিকুল ইসলাম মাদানীসহ ১৪ জন হেফাজত নেতাকে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদের পুলিশি প্রহরায় একটি প্রিজনভ্যানে করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ওই কারাগারে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম মাদানীকে বুধবার দুপুরে এ কারাগার থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ স্থানান্তর করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর ঢাকায় নেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এ কারাগারেই বন্দী ছিলেন।

 গাজীপুর মেট্রোপলিটন আদালতের সহকারী কমিশনার শুভাশীষ ধর জানান, রাষ্ট্র তথা সরকারবিরোধী ও আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থী উসকানি ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম মাদানীকে ৭ এপ্রিল ভোররাতে নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার লেটিরকান্দা এলাকার বাড়ি থেকে আটক করেন র‌্যাব-১-এর সদস্যরা।

তিনি ওই এলাকার মৃত সাহাব উদ্দিনের ছেলে। ওই দিন রাতেই গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়। তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে জিএমপির গাছা থানায় ৮ এপ্রিল ও বাসন থানায় ১১ এপ্রিল দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেফতারের পর জামিন মঞ্জুর না হওয়ায় তাকে আদালতের মাধ্যমে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ পাঠানো হয়। রফিকুল ইসলাম মাদানীকে আটককালে তার কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। জব্দ মোবাইল ফোনে আপত্তিকর, কুরুচিপূর্ণ অশ্লীল ভিডিওচিত্রসহ পর্নোগ্রাফি পাওয়া যায়। এসব এডাল্ট ছবি ও ভিডিও তিনি নিয়মিত দেখতেন এবং সেগুলো স্টোর করতেন ও লিঙ্ক দিতেন। এ জন্য রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(৫)(ক) ধারা সংযোজন করা হয়। এ দুটি মামলায় তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে ঢাকার তেজগাঁও থানার অপর মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ফের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়।

এই বিভাগের আরও খবর