শিরোনাম
প্রকাশ : ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৫:১০
প্রিন্ট করুন printer

প্রোটিন কি শুধুই মাংসপেশী গঠনে সাহায্য করে?

অনলাইন ডেস্ক

প্রোটিন কি শুধুই মাংসপেশী গঠনে সাহায্য করে?
প্রতীকী ছবি
Google News

প্রোটিন পেশী, ত্বক, চুল, এবং নখের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তার সঙ্গে অ্যান্টিবডি, হরমোন, এবং সেলুলার কাঠামো তৈরিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল এই প্রোটিন। প্রোটিন হল সবচেয়ে সাধারণ ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট। কিন্তু অনেকের এই প্রোটিন সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। আমাদের মধ্যে অনেকেই মনে করেন যে, প্রোটিন শুধু মাত্র মাংসপেশীর গঠনে সাহায্য করে। তাহলে আসুন আসল সত্য জানা যাক।

আমাদের শরীর এটি অ্যামিনো অ্যাসিডে ভেঙে দেয় এবং পেশী পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠনের জন্য এই অ্যামিনো অ্যাসিড কাজ করে। অ্যামিনো অ্যাসিড বিল্ডিং ব্লক কোষ হিসাবে কাজ করে। কিন্তু প্রোটিন তার চেয়ে অনেক বেশি কাজ করে। প্রোটিন শুধু মাত্র মাংসপেশীর গঠনে সাহায্য করে- এই বিষয়টা আংশিক সত্য। কারণ প্রোটিন তিনটি প্রাথমিক খাদ্য গ্ৰুপের মধ্যে একটি। অ্যামিনো অ্যাসিড যে বিল্ডিং ব্লক কোষ হিসাবে কাজ করে, সেই কোষগুলিকে প্রসারিত করার জন্য প্রয়োজন প্রোটিনের।

কিন্তু এই প্রোটিন মাংসপেশীর উন্নয়নে কীভাবে সহায়তা করে ?

মাংসপেশী গঠন করা থেকে তার বিকাশ অবধি সাহায্য করে প্রোটিন। অন্যদিকে, এই গুরুত্বপূর্ণ উপাদানটি আপনার শরীরের সমস্ত দৈনন্দিন কাজ এবং ব্যবহারের জন্য আবশ্যক। আপনার কতটা প্রোটিন খাওয়া উচিত বা করা উচিত নয় সে সম্পর্কে ধারণা এবং অনুমান ছাড়াও আপনার অন্য একটি কাজ রয়েছে। তা হল আপনি অন্যান্য যে সব পুষ্টিগুলি গ্রহণ করেন তার সাথে প্রোটিনের পরিমাণকে মিলিয়ে দেখা উচিত।

অনেক মানুষের ধারণা যে প্রোটিন শুধুই মাংসপেশীতে সাহায্য করে। কিন্তু আসল বিষয়টি হল প্রোটিন পেশী বৃদ্ধি, মেরামত এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু এই কাজ ছাড়াও প্রোটিন হরমোন এবং এনজাইম উৎপাদন, ত্বক মেরামত, ইমিউন সিস্টেম নির্মাণ, এমনকি শক্তি সরবরাহ সহ অন্যান্য অনেক কাজ করে।

বেশি প্রোটিন গ্রহণ করলে মাংসপেশী গঠন হবে- এটাও মানুষের এক প্রকার ধারণা। সম্পূর্ণ না হলেও বিষয়টা আংশিক সত্য। মাংসপেশী গঠনের জন্য প্রোটিন খাওয়া দরকার কিন্তু সেটাও নির্দিষ্ট পরিমাণে এবং সঠিক প্রশিক্ষকের অধীনে। আপনার শরীরে যতটা পরিমাণ প্রোটিন দরকার শুধু সেই পরিমাণই প্রোটিন গ্রহণ করুন, অন্যথায় বিভিন্ন রোগেরও সৃষ্টি হতে পারে।

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ আল সিফাত