শিরোনাম
প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল, ২০২১ ০৬:৪৫
আপডেট : ১৮ এপ্রিল, ২০২১ ১১:২৭
প্রিন্ট করুন printer

কৃষ্ণসাগরে উত্তেজনা বাড়িয়েছে রুশ যুদ্ধজাহাজ

অনলাইন ডেস্ক

কৃষ্ণসাগরে উত্তেজনা বাড়িয়েছে রুশ যুদ্ধজাহাজ

যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেছেন, কৃষ্ণসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ কেনো এসেছে, সেই প্রশ্নের জবাব এখনো মিলছে না। তুরস্কসহ যেসব দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, তাদেরকে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার পরামর্শ দিচ্ছি। এদিকে, কৃষ্ণসাগরের পথে বসফরাস প্রণালী অতিক্রম করেছে দুটি রুশ যুদ্ধজাহাজ। এছাড়া সাগরে স্থানান্তরিত হয়েছে ১৫টি ছোট নৌযানও। পশ্চিমা দেশগুলো ও ইউক্রেনের সঙ্গে সম্পর্কে উত্তেজনার মধ্যেই মস্কো তার নৌ উপস্থিতি বাড়িয়েছে কৃষ্ণসাগরে।

কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়ার বিপুল সেনা জমায়েতের পাশাপাশি নৌশক্তিও প্রদর্শন করা হচ্ছে ইউক্রেনের সীমান্তে।শীতলযুদ্ধের পরে বর্তমানে রুশ-মার্কিন সম্পর্কে চরম অবনতি ঘটেছে। গত সপ্তাহে রাশিয়ার কড়া প্রতিবাদের মুখে কৃষ্ণসাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া, ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে তুরস্কসহ বেশ কয়েকটি দেশকে আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া।

অপতৎপরতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০ রুশ কূটনীতিকে বহিষ্কারের জবাবে ১০ মার্কিন কূটনীতিকেও বহিষ্কার করেছে মস্কো। এদিকে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান সংলাপের মাধ্যমে ইউক্রেন-রাশিয়ার সীমান্তের উত্তেজনা মিটিয়ে ফেলতে আহ্বান জানিয়েছেন। কৃষ্ণসাগর অঞ্চলকে শান্তির অববাহিকায় রূপ দেওয়ায় তুরস্কের উদ্দেশ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলিমার জিলনস্কির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে পূর্ব ইউক্রেনের উত্তেজনা কমিয়ে আনা যাবে। ইউক্রেনের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে এই সমাধান বের করতে হবে।

রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে ক্রিমিয়াকে একীভূত করায় স্বীকৃতি দেবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্ক। এরদোগান বলেন, ক্রিমিয়ার ভূমিতে ইউক্রেনের উদ্যোগে তুরস্কের সমর্থন রয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 

এই বিভাগের আরও খবর