শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ আগস্ট, ২০১৯ ২৩:৫৭

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী জেটলির জীবনাবসান

নয়াদিল্লি প্রতিনিধি

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী জেটলির জীবনাবসান

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী ও বিজেপির প্রভাবশালী সিনিয়র নেতা অরুণ জেটলি দীর্ঘদিন রোগভোগের পর গতকাল দুপুরে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (এইমস) হাসপাতালে মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৬। তিনি স্ত্রী, দুই সন্তান ও বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

পাঞ্জাবের ভূমিপুত্র, পেশায় আইনজীবী অরুণ জেটলি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর স্বীয় ব্যক্তিমাধুর্যের কারণে দ্রুত স্বনামখ্যাত হয়ে ওঠেন। বিজেপির প্রথম সরকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিন তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার দিয়েছিলেন জেটলিকে : অর্থ, প্রতিরক্ষা এবং তথ্য ও সম্প্রচার। সংকট উত্তরণের পথ বাতলানোর ক্ষেত্রে অসাধারণ মুনশিয়ানা ছিল অরুণ জেটলির। এজন্য ক্ষমতার কেন্দ্রে তাকে বলা হতো ‘দি আলটিমেট ব্যাকরুম স্ট্র্যাটেজিস্ট’। গত মে মাসে তার স্বাস্থ্যের গুরুতর অবনতি ঘটে। এ সময় তার দেহে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। আগে থেকেই তিনি ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ায় লোকসভার গত নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হননি। ওই নির্বাচনে জিতে মোদি আবার সরকার গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার সময় তাকে এক চিঠিতে জেটলি বলেন, ‘শরীরটা মোটেই ভালো যাচ্ছে না। চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট সময় দরকার। তাই নতুন সরকারে আমায় কোনো দায়িত্ব না দেওয়ার জন্য আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি’।

প্রধানমন্ত্রী মোদি বর্তমানে বাহরাইন সফরে রয়েছেন। সেখান থেকে জি-৭ শীর্ষ বৈঠকে যোগ দিতে তার ফ্রান্স যাওয়ার কথা। দলের গুরুত্বপূর্ণ এই নেতার মৃত্যু সংবাদের পর মোদি তার সফর বাতিল করেছেন কিনা তা এখনো জানা যায়নি। শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ায় ৯ আগস্ট এইমস হাসপাতালে ভর্তি হন জেটলি। গত রবিবার তার অবস্থা এতটাই খারাপ হয় যে নিঃশ্বাস প্রশ্বাস ও হৃদযন্ত্র স্বাভাবিক রাখতে তাকে এক্সট্রাকর্পোরিয়াল মেমব্রেন অক্সিজেনেশন (ইসিএমও) সিস্টেমেও রাখা হয়। জেটলির গুরুতর অসুস্থতার খবর পেয়ে গত সপ্তাহের বিভিন্ন সময়ে এইমস হাসপাতালে ছুটে গিয়েছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং প্রমুখ।


আপনার মন্তব্য

close