শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৯ নভেম্বর, ২০১৯ ২২:৪৭

তালেবানের সঙ্গে এবার শান্তি আলোচনা

হুট করে আফগানিস্তানে ট্রাম্প

তালেবানের সঙ্গে এবার শান্তি আলোচনা

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু করেছে প্রায় ১৮ বছর। ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হয়েছেন পুরো তিন বছর। আর তার এই মেয়াদে প্রথম আফগানিস্তানে সফর করলেন। তাও হুট করে কাউকে না জানিয়ে। যদিও ট্রাম্প জানিয়েছেন তার এই সফরের প্রধান কারণ সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাসদস্যদের ‘থ্যাংকস গিভিং ডে’র শুভেচ্ছা জানাতে। যা মার্কিন সৈন্যদের অনুপ্রাণিত করবে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, তার এই সফরের মূলে রয়েছে তালেবানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ফের শুরু করা। তিনি শান্তিচুক্তির সম্ভাবনার আভাস দিয়েছেন। মার্কিন সৈন্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি আফগান প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।

একের পর এক কেলেঙ্কারি ও বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে ইদানীং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাবমূর্তি তেমন ভালো যাচ্ছে না। এমনকি ‘কমান্ডার-ইন-চিফ’ হিসেবে কয়েকটি ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর কাজে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার আমেরিকার ‘থ্যাংকস গিভিং’ উৎসবের দিনটি সুদূর আফগানিস্তানে বাগরাম সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন সৈন্যদের সঙ্গে কাটিয়ে তিনি হারানো জমি কিছুটা পুনরুদ্ধার করতে পারলেন কিনা, তা বলা কঠিন। কয়েকজন সৈন্যকে খাবার পরিবেশন করে তাদের সঙ্গে বসে খেয়েছেন ট্রাম্প। তাদের কাজের প্রশংসাও করেছেন। সেই সঙ্গে গোপনীয়তার বেড়াজালে ঘেরা এই সফরে পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে সাফল্যের আরেকটি সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করছেন ট্রাম্প। তালেবানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। সাংবাদিকদের কাছে ট্রাম্প দাবি করেন, তালেবান একটি চুক্তি করতে চায়। এ কারণে তালেবানের সঙ্গে তারা আলোচনায় বসছেন। তারা বলছে, একটি যুদ্ধবিরতি হতে হবে। আফগানিস্তানে বর্তমানে ১৩ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে মার্কিন সেনার সংখ্যা ৮ হাজার ৬০০ জনে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে তার। তালেবান সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, তালেবান শান্তিচুক্তি করতে চায়। এমনকি অতীতে অস্ত্রবিরতির শর্তে রাজি না হলেও তালেবান এখন আপত্তি তুলে নিচ্ছে। তার প্রশাসনও এ নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। উল্লেখ্য, তালেবান নেতারাও সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, গত সপ্তাহ থেকে তারা কাতারের রাজধানী দোহায় মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আবার আলোচনা শুরু করেছেন।


আপনার মন্তব্য