শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০২:০২

তিতাসের মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেদন

দায় এড়াতে পারেন না যুগ্মসচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

কাঁঠালবাড়ী ঘাটে ফেরিতে অ্যাম্বুলেন্সে স্কুলছাত্র তিতাস ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে যুগ্মসচিব আব্দুর সবুর ম-লকে সরাসরি দায়ী না করা হলেও ফেরি অপেক্ষমাণ রাখায় তিনি দায় এড়াতে পারেন না বলে উল্লেখ করেছে। গতকাল দাখিল করা প্রতিবেদন আজ বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাই কোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

এর আগে গত ২৩ অক্টোবর তিতাসের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদন রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে দাখিল করে। ওই প্রতিবেদনে দেরিতে ফেরি ছাড়ার জন্য দায়িত্বরত ফেরিঘাটের তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়ী করা হয়। তদন্ত কমিটি যুগ্মসচিবের দোষ খুঁজে পায়নি। পরে রিটকারী আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ নভেম্বরের মধ্যে নৌ-মন্ত্রণালয়ের এ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল এ প্রতিবেদন আসে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় তিন ঘণ্টা ফেরি কাঁঠালবাড়ি ঘাটে অপেক্ষা করানোর জন্য ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম, ঘাটে কর্মরত উচ্চমান সহকারী ফিরোজ আলম, প্রান্তি সহকারী খোকন, ইনল্যান্ড মাস্টার সামছুল আলম মূল দায়ী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুগ্মসচিব আব্দুস সবুর ম-লকে ঘাট পারাপার করার জন্য অ্যাম্বুলেন্সটি দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে রাখা হয়েছিল। যদিও তিনি ফেরি আটকিয়ে রাখা কিংবা ফেরিতে অপেক্ষমাণ অ্যাম্বুলেন্সে মুমূর্ষু রোগীর কথা জানতেন না। তবুও যেহেতু তার সঙ্গে বার বার কথা বলার কারণে তাকে পার করার জন্য ফেরি ব্যবস্থাপকের একটা দায়বদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল এবং তিনি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক পরে ঘাটে পৌঁছেছেন। মূলত তাকে পারাপারের জন্যই ফেরিকে অপেক্ষমাণ রেখেছিলেন। তাই এ ক্ষেত্রে তিনি দায়ভার এড়াতে পারেন না। সর্বোপরি বিলম্বে ফেরিঘাটে উপস্থিত হওয়া এবং তার জন্যই ফেরি অপেক্ষমাণ রাখায় তারও দায়বদ্ধতা রয়েছে। এই প্রতিবেদনে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে ৭ দফা সুপারিশ করা হয়েছে।


আপনার মন্তব্য