শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:২৬

জেলার রাজনীতি দিনাজপুর

কোন্দলে আওয়ামী লীগ-বিএনপি

রিয়াজুল ইসলাম, দিনাজপুর

পুলিশের হামলা-মামলা আর বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দলটি। মামলার ভয়ে এখনো অনেক নেতাকে বিএনপির দলীয় অনুষ্ঠানে দেখা যায় না। তৃণমূলে আছে হতাশা। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠনের প্রায় সাড়ে তিন বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় ক্ষোভ বেড়েছে তৃণমূলে। জেলা বিএনপির ২২টি ইউনিটের মধ্যে পাঁচটি ইউনিটের এখনো কাউন্সিল হয়নি। আবার যেগুলোর কাউন্সিল হয়েছে সেগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রেজওয়ানুল হক অসুস্থতার কারণে পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। আরেক নেতা, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক এমপি আক্তারুজ্জামান মিয়া জেলা বিএনপির রাজনীতি থেকে গুটিয়ে নিজেকে চিরিরবন্দর উপজেলা বিএনপির কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ করেছেন। বর্তমান জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাউন্সিলের বিকল্প নেই। এমনটাই বললেন কয়েক মামলার আসামি ও সাবেক সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন। তিনি জানান, পুলিশের হামলা, মামলা আর বাধার কারণে বিএনপি ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় পর্যায়ের কতিপয় নেতাদের আচার-আচরণে অনেকেই খুশি হতে পারেননি। আবার জেলার ছয় এমপির মাঝেও রয়েছে মতবিরোধ। অনেকে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। এ কারণেই হয়তো একই মঞ্চে খুব একটা তাদের দেখা যায় না। অনেকে বলছেন, সুবিধাবাদী অনেক নেতাই ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছেন বিভিন্ন ঠিকাদারি থেকে বিভিন্ন ব্যবসায়িক সুবিধা নিতে।

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল জানান, আওয়ামী লীগে গ্রুপিং নাই, তবে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকতেই পারে। নেতা-কর্মী যে যেখানেই থাকুক না কেন, আমরা সবাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত আওয়ামী লীগের আদর্শের অগ্র সৈনিক। টেন্ডারবাজি, ভূমি দখল, চাঁদাবাজির রাজনীতিকে আওয়ামী লীগ প্রশ্রয় দেয় না। এ জেলার সর্বশেষ কাউন্সিল হয়েছিল ২০১২ সালে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর