শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:৫৫

ঢাকা সিটির অনিয়ম

ট্রাইব্যুনালে রবিবার মামলা করবেন তাবিথ-ইশরাক

নিজস্ব প্রতিবেদক

ট্রাইব্যুনালে রবিবার মামলা করবেন তাবিথ-ইশরাক

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ‘ভোট ডাকাতি’ ও ‘কারচুপির’ অভিযোগ এনে ‘নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে’ মামলা করতে যাচ্ছে বিএনপি। ভোটের সামগ্রিক ফলাফল বাতিলের দাবি জানিয়ে ঢাকা সিটি উত্তরের বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও দক্ষিণের ইশরাক হোসেন আগামী ১ মার্চ রবিবার ট্রাইব্যুনালে যাচ্ছেন।

এ প্রসঙ্গে উত্তরের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘১ ফেব্র“য়ারি নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে।

ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। কেন্দ্র দখল করে ক্ষমতাসীনরা ইচ্ছামতো তাদের প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিয়েছেন। ইভিএমেও কারচুপি করেছে। নির্বাচনের কারচুপির যাবতীয় তথ্য আমরা সংগ্রহ করেছি। আমরা সবকিছু প্রস্তুত করেছি। আগামী রবিবার নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হবে। নির্বাচনে অনিয়ম নিয়ে আমাদের কাছে যেসব তথ্য-প্রমাণ রয়েছে তা আদালতে উপস্থাপন করা হবে। আদালত যদি নিরপেক্ষভাবে সবকিছু বিশ্লেষণ করে রায় দেন তাহলে ভোটের ফলাফল বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন দেওয়ার আদেশ দেবেন বলে আশা করি।’ দক্ষিণের বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ। উত্তর ও দক্ষিণ এক সঙ্গেই মামলা করার পরিকল্পনা রয়েছে।’ দুই সিটির ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি। দলটির পরাজিত দুই প্রার্থী তাবিথ ও ইশরাক সংবাদ সম্মেলনে সিটি ভোটের ফলাফল বাতিল করে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানান। একই সঙ্গে ভোটের নানা ‘অনিয়ম ও কারচুপির’ তথ্য-প্রমাণ বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের কাছে তুলে ধরেন তারা। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে ‘নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে’ সংক্ষুব্ধ প্রার্থী বা তার মনোনীত ব্যক্তিকে আবেদন করতে হবে। ১ ফেব্র“য়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভোট অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম উত্তরে ও ফজলে নূর তাপস দক্ষিণের মেয়র নির্বাচিত হন। নির্বাচন কমিশন ২ ফেব্র“য়ারি ভোটের গেজেট প্রকাশ করেছে। এর ফলে আগামী ২ মার্চের মধ্যে তাদের ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে হবে। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনের পর আদালত বিবাদী, সাক্ষীসহ সংশ্লিষ্টদের এ সংক্রান্ত নোটিস পাঠাবে। মামলার পর পরবর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করবে। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি রায়ে খুশি না হলে ৩০ দিনের মধ্যে তিনি ‘নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনালে’ যেতে পারবেন। নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনাল ১২০ দিনের মধ্যে আপিলটি নিষ্পত্তি করবে।


আপনার মন্তব্য