শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ মার্চ, ২০২০ ২৩:৪১

তদন্ত প্রতিবেদন ১৩ মার্চ

জি কে শামীমের দেহরক্ষীরা অস্ত্রের লাইসেন্স পেল কীভাবে : হাই কোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

জি কে শামীমের দেহরক্ষীরা অস্ত্রের লাইসেন্স পেল কীভাবে : হাই কোর্ট

অস্ত্র আইন ও অর্থ পাচারের দুই মামলায় গ্রেফতার আলোচিত ঠিকাদার জি কে শামীমের চার দেহরক্ষী কীভাবে, কোন যোগ্যতায় অস্ত্রের লাইসেন্স পেলেন তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট। তাদের বিরুদ্ধে কেন অস্ত্র মামলা করা হয়েছে তাও জানতে চেয়েছে আদালত। গতকাল বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। অন্যদিকে দুদকের মামলায় জি কে শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৩ এপ্রিল দিন ধার্য করেছে আদালত। গতকাল মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

হাই কোর্টের আদেশে, জি কে শামীমের দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, মো. শহীদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন ও মো. সামশাদ হোসেনের আয়কর রিটার্নের তথ্যও আগামী বৃহস্পতিবার হলফনামা আকারে দাখিল করতে আসামি পক্ষের আইনজীবীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অস্ত্র ও অর্থ পাচারের মামলায় এই চার আসামির জামিন প্রশ্নে জারি করা রুলের শুনানিতে আদালত এ আদেশ দেয়। আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। আর আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. শামীম সরদার। পরে আমিন উদ্দিন মানিক জানান, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অবকাশকালীন বেঞ্চ গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর জি কে শামীমের চার দেহরক্ষীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করলে তারা ৩ ফেব্রুয়ারি হাই কোর্টে এসে জামিন আবেদন করেন। তখন আদালত তাদের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করে। কেন তাদের জামিন দেওয়া হবে না, জানতে চাওয়া হয় রুলে। গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকার গুলশানের নিকেতন থেকে জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। ওই অভিযানে নগদ প্রায় দুই কোটি টাকা, পৌনে ২০০ কোটি টাকার এফডিআর, আগ্নেয়াস্ত্র ও মদ পাওয়ার কথা জানানো হয় র‌্যাবের পক্ষ থেকে।

পরদিন তাদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় তিনটি মামলা করে র‌্যাব। এর মধ্যে অস্ত্র ও মুদ্রা পাচার মামলায় সবাইকে আসামি করা হলেও মাদক আইনের মামলায় শুধু শামীমকে আসামি দেখানো হয়। সাত দেহরক্ষীর মধ্যে বাকিরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন, মোরাদ হোসেন ও আনিছুল ইসলাম। জি কে শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জি কে শামীম ২০১৮-১৯ করবর্ষ পর্যন্ত ৫০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এর মধ্যে আয়কর নথিতে ৪০ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৪ টাকার তথ্য উল্লেখ করলেও মোট টাকার বৈধ উৎস পায়নি দুদক।


আপনার মন্তব্য