শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ জানুয়ারি, ২০২১ ২৩:১০

রংপুরে টিসিবির পিঁয়াজ এখন গলার কাঁটা

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

রংপুরে পিঁয়াজ এখন টিসিবি, ডিলার ও ভোক্তাদের কাছে গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদেশ থেকে আমদানি করা পিঁয়াজ কিনতে ক্রেতাদের বাধ্য করা হচ্ছে। ৭ কেজি পিঁয়াজ না কিনলে ২ লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি করছেন না ডিলাররা। একইভাবে ৫ কেজি পিঁয়াজ না কিনলে ২ কেজি চিনি বা ডাল বিক্রি করছেন না। ক্রেতাদের অভিযোগ, টিসিবির পিঁয়াজের অধিকাংশই নষ্ট, পচা।

টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, তেল, চিনি ও মসুর ডালের দাম বাজারে বৃদ্ধি পাওয়ায় নগরের ছয়টি স্থানে ট্রাকে করে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। কিন্তু বাধ্যতামূলক পিঁয়াজ কেনার শর্ত দেওয়ায় অন্য পণ্যগুলো কিনতে পারছেন না ক্রেতারা। ক্রেতাদের অভিযোগ, বিদেশি যে পিঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে তার বেশির ভাগই খাবার অনুপযোগী। তার পরও বাজারে ভোজ্য তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোজ্য তেল ও চিনি কিনতে গিয়ে পিঁয়াজ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা। ক্রেতাদের অভিযোগ, ৭ কেজি পিঁয়াজ কিনলেই ২ লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি করা হচ্ছে। পিঁয়াজ প্রতি কেজি ২০ টাকা করে ৭ কেজির ১৪০ টাকা আর ভোজ্য তেল ৮০ টাকা লিটার হিসেবে ১৬০ টাকা- মোট ৩০০ টাকা দিলেই তবে ডিলাররা দুটি পণ্য বিক্রি করছেন। এ ব্যাপারে টিসিবির ডিলাররা বলছেন, তাদের বাধ্যতামূলকভাবে ১ হাজার কেজি পিঁয়াজ নিতে বাধ্য করছে টিসিবি। একইভাবে ১০০ কেজি ডাল ও ১০০ কেজি চিনি দেওয়া হচ্ছে তাদের। পিঁয়াজ নিম্নমানের বিধায় তা বিক্রি না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে ক্রেতাদের এ শর্ত দিয়েছেন। টিসিবির রংপুর বিভাগীয় আঞ্চলিক কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার বলেন, এখনো ১৭৫ টন পিঁয়াজ তাদের মজুদ রয়েছে। আরও পিঁয়াজ আসছে। তাই বাধ্য হয়ে ডিলাররা এসব শর্ত দিয়ে পিঁয়াজ খালাস করছেন। তিনি বলেন, ক্রেতাদের কাছে নষ্ট পিঁয়াজ বিক্রি নিষেধ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে টিসিবি ও ডিলাররা ভর্তুকি দিয়ে ক্রেতাদের কাছে ভালো পিঁয়াজ বিক্রি করবেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর