শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:৪৫

উদ্ধার চলছে বুড়িগঙ্গার তীর

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো পাকা বিল্ডিং, দোকান গুদামঘর

নিজস্ব প্রতিবেদক

উদ্ধার চলছে বুড়িগঙ্গার তীর

পুনর্দখল রোধে বিশেষ উচ্ছেদ অভিযানের দ্বিতীয় দিনে গতকাল পাকা বিল্ডিং, বড় গুদামঘরসহ বুড়িগঙ্গা নদীর তীরের ৬২টি অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এক দিনেই উদ্ধার করা হয়েছে বেদখল হয়ে যাওয়া ২ একর তীরভূমি।

গতকাল বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত শ্যামবাজার-পরবর্তী উল্টিনগঞ্জ থেকে ফরিদাবাদ পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তিনটি এক তলা পাকা বিল্ডিং, দুটি দোতলা পাকা বিল্ডিং, ১৭টি আধাপাকা বিল্ডিং, তিনটি এক তলা টিনশেড বিল্ডিং, আটটি এক তলা আধাপাকা দোকান, চারটি বড় গোডাউন (গুদামঘর) ও ২৫টি টংঘর উচ্ছেদ করা হয়। এর আগের দিন সদরঘাট টার্মিনাল ভবনের পুব পাশ থেকে উল্টিগঞ্জ পর্যন্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাত তলা বিল্ডিংসহ ৩৮টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে দশমিক ৩২ একর তীরভূমি দখলমুক্ত করা হয়।

বিআইডব্লিউটিএর যুগ্মপরিচালক (ঢাকা নদীবন্দর) গুলজার আলী বলেন, ‘নদী পুনর্দখল রোধে সিএস ও আরএস অনুযায়ী জরিপ করে এ বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। নদীতীর পুরোপুরি দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। পাশাপাশি চলছে সীমানা পিলার বসানোর কাজ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নদীর জায়গা নদীকে ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর সরকার।’

নদী রক্ষায় ২০১৯ সালের শুরু থেকেই নদীতীরবর্তী স্থাপনা উচ্ছেদ করছে বিআইডব্লিউটিএ। সংস্থাটির দাবি, এখন পর্যন্ত বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ তীরের ৮০ ভাগের বেশি জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছে। বাকি জায়গা অচিরেই দখলমুক্ত করে স্থায়ী সীমানা পিলার বসানো হবে।

বুড়িগঙ্গার তীরভূমি দখলমুক্ত করতে গত মাসেও বিশেষ অভিযান চালিয়ে বহুতল ভবনসহ প্রায় ২০০ ছোট-বড় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বিআইডব্লিউটিএ।

এই বিভাগের আরও খবর