শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৫ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৪ মার্চ, ২০২১ ২৩:৪৩

জনগণের বিশ্বাস নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করলেই নিশ্চিত বিজয়

-মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী

জনগণের বিশ্বাস নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করলেই নিশ্চিত বিজয়

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব শাইখুল হাদিস মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেছেন, জনগণ এখন বিশ্বাস করতে শুরু করেছে নৌকা প্রতীকে প্রার্থী হওয়া মানেই নিশ্চিত বিজয়। এ বিষয়টিই বলে দেবে জনগণ কতটা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে বা তাদের ভোট কতটা মূল্যায়িত হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে একথা বলেন তিনি।

মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, সার্বিক বিবেচনায় ও ভোটকেন্দ্রে ঘটিত ও ঘটমান অবস্থাদৃষ্টে চলমান নির্বাচনব্যবস্থা সম্পর্কে স্পষ্টত বলা যায় নির্বাচন প্রক্রিয়া ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবমুক্ত নয়। প্রতিটি নির্বাচনই প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। এখন জনগণের ভোটে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয় না। জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয় উপরের ইশারায়। নিজ দল সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ঐতিহ্যবাহী দল। এই উপমহাদেশকে ইংরেজদের হাত থেকে মুক্ত করার পেছনে জমিয়তের অবদান ও ভূমিকা অনস্বীকার্য। বর্তমানে এই দলের সাংগঠনিক অবস্থা বেশ ভালো দাবি করে তিনি বলেন, ভোট যাই হোক স্থানীয় নির্বাচনগুলো তো জমিয়তের প্রার্থীরা অংশগ্রহণ করছেন। দলের ব্যানারে দেশজুড়ে করোনা মহামারীর দুঃসময়ে ত্রাণ সহায়তা ও শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন প্রকার জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সরকার প্রসঙ্গে বলেন, সরকার কৌশলগত বল প্রয়োগে ক্ষমতায় থাকায় সবকিছুতেই দলীয়করণ করছে। নেতা-কর্মী, সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তারা পোষণ ও তোষণ রীতিতে আবদ্ধ হয়ে পড়ছেন।

 ফলে স্বাভাবিকভাবেই আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটছে। জনগণ পাচ্ছে না তার ন্যায্য অধিকার। খাদ্য বস্ত্রের হচ্ছে না সুষম বণ্টন। নেতা-কর্মীর পেটে চলে যায় রিলিফের চাল। বঞ্চিত হয় দেশের গরিব কাঙ্গাল। খাদ্য-বস্ত্র, চিকিৎসা, নাগরিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা, তদন্তপূর্বক সুষ্ঠু ন্যায় বিচার সবকিছুই প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তখন দলীয় লোকই সুবিধা পাবে এ মানসিকতা থেকে বের হয়ে না আসার কারণে আজ দেশের সর্বক্ষেত্রেই দুর্নীতি ও দুঃশাসন চলছে। শিক্ষাব্যবস্থাকে নীতি  নৈতিকতার প্রশ্নে ধোঁয়াশা ও প্রশ্নবিদ্ধ করে চলছে একটি মহল। সরকারকেও এ বিষয়ে যথেষ্ট উদাসীন দেখা যাচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সভা-সমাবেশের অনুমতি নেই বললেই চলে। সপ্তাহ দুয়েক আগে আমরা মহানগরের কাজী বশীর মিলনায়তনে একটা আলোচনা সভা করার চেষ্টা করেও অনুমতি পাইনি। ইসলামী দলগুলো প্রসঙ্গে বলেন, গঠনতান্ত্রিকভাবে একাধিক ইসলামী দল থাকতেই পারে। তবে ইসলামের মৌলিক দাবিতে ও জাতীয় ইস্যুতে প্রতিটি ইসলামী দল একাত্ম হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে। কাজেই দল ভিন্ন হলেও ইমান আকিদা, দেশের স্বাধীনতা রক্ষা ও জাতীয় ইস্যুতে সবাই এক। উলামায়ে কেরাম এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সুসংহত ও সুসংগঠিত হচ্ছেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর