শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১২ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১১ জুন, ২০২১ ২৩:৫৮

মামলাগুলো নারীবান্ধব করতে হবে

----- অ্যাডভোকেট সালমা আলী

মামলাগুলো নারীবান্ধব করতে হবে
Google News

সাইবার ক্রাইম ও নারী পাচারের মামলাগুলোর ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। এ ধরনের মামলাগুলো নারীবান্ধব কীভাবে করা যাবে তা দেখতে হবে। সাইবার ক্রাইম কোর্টকে মানুষের দোরগোড়ার নিয়ে যেতে হবে। সেখানে কাউন্সেলিং ও সচেতনতা তৈরির ব্যবস্থা থাকতে হবে। এ ধরনের মামলাগুলো যাতে নারী আইনজীবীরা দেখেন তার ব্যবস্থা করতে হবে। বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা আলী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে গতকাল এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, অপরাধীরা এখন অনেক বেশি অর্গানাইজড হয়ে অপরাধ ঘটায়। দেশে ‘টিকটক’-এর মতো অ্যাপসের বহুদিন থেকেই অপব্যবহার হচ্ছিল। পর্যবেক্ষণে দেখেছি, দেখতে সুন্দর, মধ্যবিত্ত শ্রেণির বা গ্রাম থেকে আসা মেয়েদের ফাঁদে ফেলে তাদের দিয়ে পর্নো ভিডিও তৈরি করে পরে তাদের জিম্মি করত অপরাধীরা। এদের একপর্যায়ে পাচার বা বিক্রি করে দেওয়া হতো। একটি চক্র এ ধরনের ভুক্তভোগীদের দিয়ে পর্নোগ্রাফি তৈরি করে। এজন্য এ ধরনের সাইবার ক্রাইম রোধে সচেতনতা বিরাট বিষয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ কেসটি কীভাবে নেবে তা-ও দেখতে হবে। আবার এ ধরনের অপরাধের শিকার ভুক্তভোগী মেয়েদের মামলা করার ক্ষেত্রেও অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। মেয়েটির এ রেকর্ডগুলো পুলিশের কাছে চলে যায়। এরপর তা কোর্টে যায়। কোর্টে গিয়ে মেয়েটিকেও এসব কথা বলতে হবে। কিন্তু আমাদের থানা ও কোর্ট এখনো নারীবান্ধব নয়।

এই আইনজীবী বলেন, নারী পাচার দুবাই, মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতে বেশ লাভজনক ব্যবসা। এ অপরাধের জন্য দেশে দেশে আইন হয় কিন্তু আইনের প্রয়োগ এবং প্রতিরোধে কোনো কাজ হয় না। দেশের শিশু অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল এবং টিকটকের মতো অ্যাপ ব্যবহার করে অপরাধ ঘটিয়েছে; যারা খুন থেকে শুরু করে ধর্ষণের মতো অপরাধ করেছে তাদের উন্নয়নে কোনো ধরনের কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা নেই। এ বিষয়ে গত বছর যশোরে একটি কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে এক কিশোরের মৃত্যুর পর আমি একটি কেসও করেছি। এরপর তিনটি কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে আমরা পরিদর্শনও করি। এর ভিত্তিতে একটি গাইডলাইন তৈরির কথা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর