শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ জুলাই, ২০২১ ২৩:৩৬

হাতুড়ির টুংটাং কামারপল্লীতে

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

হাতুড়ির টুংটাং কামারপল্লীতে
Google News

ঝিনাইদহে করোনার মধ্যেও কামার পল্লী থেকে ভেসে আসছে টুংটাং হাতুড়ির শব্দ। আর মাত্র ৯ দিন পর ২১ জুলাই পালিত হবে ঈদুল আজহা। এক সময় ঈদের ২০-২৫ দিন আগেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলত তপ্ত লোহা পিটিয়ে দা, ছুরি তৈরির কাজ। এবার করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে সরকারের কঠোর লকডাউনের মধ্যে খুব কম সংখ্যক ক্রেতা পাচ্ছেন কামাররা। জেলার ছয়টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে কামার পল্লী। খোঁজ নিয়ে কথা হয় সদর উপজেলার নলডাঙ্গা এলাকার কামার অমিত কর্মকারের সঙ্গে। তিনি জানান, এ বছর ব্যবসার সময়টাতে লকডাউন। আগের মতো ব্যস্ততা নেই। লকডাউনের কারণে ক্রেতারা আসতে পারছেন না। ফলে কাজ অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে করে কোনোরকমে কাজ চলছে। শৈলকুপা উপজেলার ফুলহরি গ্রামের নীশিত কর্মকার জানান, কোরবানির আগের মাস থেকেই আমাদের ব্যবসা চাঙা হতো। কিন্তু এ বছর আশানুরূপ কাজ নেই। তিনি আরও জানান, জিনিসপত্রের দামও বেড়ে গেছে। তাই আগে থেকেই হাতিয়ার তেরি করতে সাহস পাওয়া যাচ্ছে না। পাতি ব্যবহারে কয়লা মজুদ করে রাখতে হতো। এবার তা নেই। দা ও কোপতা বানাতে ৪০০, বড় ছুরি ৬০০, ছোট ছুরি ১৫০ এবং শান দেওয়ার মজুরি প্রকারভেদে ৮০ ও ১২০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। তবে যে কয়দিন সময় আছে লকডাউন শিথিল হলে বেচাকেনা শুরু হতে পারে। 

কামারশালায় আসা আলী রেজা নামে এক ক্রেতা জানান, কোরবানির আগে কামারশালায় ভিড় থাকে। লকডাউনের কারণে সে তুলনায় ভিড় না থাকায় লোহা কিনে নিয়ে চাহিদানুযায়ী চাপাতি ও দা বানিয়ে নিতে হচ্ছে।