শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০২:১১, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫

রূপপুর প্রকল্প

বিদ্যুতের জন্য অপেক্ষা বাড়ছেই কয়েক দফা পিছিয়েছে কাজ

সঞ্চালন লাইন তৈরির পরও সময়মতো উৎপাদনে আসা নিয়ে শঙ্কা, বছরের শেষে ফুয়েল লোডের আশা, প্রথম ইউনিট উৎপাদনে আসবে ২০২৬ সালে
জিন্নাতুন নূর
প্রিন্ট ভার্সন
বিদ্যুতের জন্য অপেক্ষা বাড়ছেই কয়েক দফা পিছিয়েছে কাজ

রূপপুর প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদনে আসার জন্য যে নির্ধারিত সময় তা এরই মধ্যে কয়েক দফা পিছিয়েছে। কিন্তু এরপরও প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্তরা নির্দিষ্ট করে বলতে পারছেন না যে, কবে নাগাদ দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। এর আগে সময়মতো বিদ্যুৎ উৎপাদনে না আসার জন্য সঞ্চালন লাইনের নির্মাণকাজ শেষ না হওয়াকে দায়ী করা হয়েছিল। কিন্তু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নির্মিত সঞ্চালন লাইন ২ জুন চালু করে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিসিবি)। এ লাইন চালুর দুই মাসের মধ্যে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর কথা। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, চলতি বছরের শেষে প্রকল্পের ফুয়েল লোড শুরু হতে পারে। সে হিসেবে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে এর প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

বারবার এ প্রকল্পের উৎপাদন পিছিয়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। আবার এত আগে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ফুয়েল আনার কারণে এর গুণগত মান বজায় থাকার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। যারা এ প্রকল্পে কাজ করছেন সময়মতো উৎপাদনে না আসায় তাদের মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি হচ্ছে। আবার বহির্বিশ্বে এ প্রকল্পের যারা বিনিয়োগকারী-রাশিয়া, আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নিউক্লিয়ার পাওয়ার হ্যান্ডেলিং নিয়ে বাংলাদেশ ইমেজ সংকটে পড়ছে। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুর প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। অথচ রাজনৈতিক পট পরিবর্তন, ভারতীয় বিশেষজ্ঞ দলের অনুপস্থিতি এবং কর্মী ছাঁটাইসহ বেশ কিছু কারণে রূপপুর প্রকল্পের সময়মতো উৎপাদনে আসা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ প্রকল্পে ছয় মাস ধরে ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের আসা বন্ধ রয়েছে। রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণকাজ তদারকি করতে এবং রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে যন্ত্রপাতি বুঝে নিতে ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পাঠানো চাহিদার ভিত্তিতে ছয় মাস পরপর দেশটি থেকে বিশেষজ্ঞরা আসেন। শেষ গত বছরের ডিসেম্বরে ভারতীয় বিশেষজ্ঞ দল যাওয়ার পর রূপপুর কর্তৃপক্ষ নতুন করে বিশেষজ্ঞ চেয়ে আর চাহিদা পাঠায়নি। এরই মধ্যে চাকরিতে বৈষম্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন দাবি জানান রূপপুরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, শিডিউল ছিল এ বছরের শেষ নাগাদ নিউক্লিয়ার ফুয়েল লোড করা হবে। তবে ফুয়েল লোড করা হলেই যে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে এমন নয়। এই ফুয়েল লোড করতেও এক মাস সময় লাগে। ফুয়েল লোডের পর কিছু কনফিগারেশন আছে যাকে সাবক্রিটিক্যাল স্টেজ বলে। এখানে নিউট্রন দিয়ে ফিউশন রিঅ্যাকশন ঘটানো হয়। এই নিউট্রন প্রোডাকশনটা জিরো। এটা হচ্ছে সাবক্রিটিক্যাল স্টেজ, যার জন্য এক মাস লাগে। এরপর পাওয়ার স্টার্ট হয়। আর গ্রিডে সিনক্রোনাইজ হতে আরও এক মাস লাগে। ফুয়েল লোডিং শুরু করে গ্রিড সিনক্রোনাইজেশন হতে ১০০ দিন সময় লাগে। এটা আমরা থাম্বরুলে বলি। রূপপুর প্রকল্প কবে থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাবে এজন্য আমাদের কাছে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ নেই। গত জুন মাসের ৩ তারিখে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যে জেসিসি বৈঠক হয়েছে সেখানে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, বছরের শেষ নাগাদ রূপপুর প্রকল্পে ফুয়েল লোড হবে। এক্ষেত্রে হিসাব অনুযায়ী রূপপুরের প্রথম ইউনিটের উৎপাদন ২০২৬ সালের আগে আসছে না।

এর আগে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিট থেকে উৎপাদন শুরুর কথা ছিল। পরে এটি পিছিয়ে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে নেওয়া হয়। আর দ্বিতীয় ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর কথা ছিল ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। এটি পিছিয়ে ২০২৫ সালে নেওয়া হয়। তবে এ ইউনিট থেকে ২০২৭ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে। জুলাই ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ সাল পর্যন্ত এ প্রকল্পের মেয়াদ ছিল। তবে গত বছর মেয়াদ বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০২৭ সাল পর্যন্ত করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, রূপপুর প্রকল্পের কংক্রিট ঢালাই থেকে শুরু করে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আট বছর হয়ে গেছে। অথচ সাত বছরে বেলারুশ রাশিয়ার কারিগরি সহায়তা নিয়েই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করে ফেলেছে। আবার এত আগে ফুয়েল আনার কারণে তার গুণগত মান বজায় থাকার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দুই বছরের বেশি সময় ধরে যদি ফুয়েল রেখে দেওয়া হয় তাহলে এটি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। একদিকে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি অন্যদিকে বারবার এর উৎপাদনে আসার সময় পিছিয়ে যাচ্ছে এ ক্ষেত্রে কন্ট্রাক্ট প্রাইস যদি নাও বৃদ্ধি পায় এখানে বেশ কিছু ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এর ফলে পার ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন মূল্য বেড়ে যাবে। পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে এলে আমাদের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কিছুটা সাশ্রয় হতো। আবার প্রকল্পের যন্ত্রপাতি অনেক দিন বসিয়ে রাখা হয়েছে এগুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। এটি কবে চালু হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আর বহির্বিশ্বে এ প্রকল্পের যারা বিনিয়োগকারী অর্থাৎ রাশিয়া, আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নিউক্লিয়ার পাওয়ার হ্যান্ডেলিং নিয়ে বাংলাদেশ ইমেজ সংকটে পড়ছে।

এই বিভাগের আরও খবর
১৮ মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
১৮ মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
ছুরিকাঘাতে হত্যা আওয়ামী লীগ নেতাকে
ছুরিকাঘাতে হত্যা আওয়ামী লীগ নেতাকে
বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর
বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর
এক্সপ্রেসওয়েতে অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীদের
এক্সপ্রেসওয়েতে অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীদের
সংসদ নির্বাচনের আগে গাড়ি চান উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা
সংসদ নির্বাচনের আগে গাড়ি চান উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও প্রতিবাদ মন্ত্রণালয়ের
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও প্রতিবাদ মন্ত্রণালয়ের
সিদ্ধিরগঞ্জে বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে ৭
সিদ্ধিরগঞ্জে বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে ৭
সীমান্ত থেকে অস্ত্র এনে ভাড়ায় অপরাধ করাত চক্র
সীমান্ত থেকে অস্ত্র এনে ভাড়ায় অপরাধ করাত চক্র
ভোলায় বাড়ির সামনে যুবকের রক্তাক্ত লাশ
ভোলায় বাড়ির সামনে যুবকের রক্তাক্ত লাশ
সীতাকুণ্ডে অস্ত্র কারখানার সন্ধান
সীতাকুণ্ডে অস্ত্র কারখানার সন্ধান
৯ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল ব্রিটেন
৯ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল ব্রিটেন
সর্বশেষ খবর
সোনারগাঁয়ে হত্যা মামলায় গৃহবধূর যাবজ্জীবন, প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড
সোনারগাঁয়ে হত্যা মামলায় গৃহবধূর যাবজ্জীবন, প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবির শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ
বাকৃবির শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ

৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

আবারও শীর্ষে ফিরবে বাবর, ওয়াসিম আকরামের বিশ্বাস
আবারও শীর্ষে ফিরবে বাবর, ওয়াসিম আকরামের বিশ্বাস

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফাহমিদার কণ্ঠে বৃষ্টির গান ‘মেঘলা আকাশ’
ফাহমিদার কণ্ঠে বৃষ্টির গান ‘মেঘলা আকাশ’

২০ মিনিট আগে | শোবিজ

রাকসু নির্বাচন : কেন্দ্রীয় সংসদে ৩১৮, সিনেটে ৬৯ পদপ্রার্থী
রাকসু নির্বাচন : কেন্দ্রীয় সংসদে ৩১৮, সিনেটে ৬৯ পদপ্রার্থী

২৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সংস্কার একটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, যা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে : প্রধান বিচারপতি
সংস্কার একটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, যা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে : প্রধান বিচারপতি

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

এআই-চালিত স্টেথোস্কোপের বিস্ময়কর ক্ষমতা
এআই-চালিত স্টেথোস্কোপের বিস্ময়কর ক্ষমতা

২৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের গল্প ‘সহযাত্রী’
দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের গল্প ‘সহযাত্রী’

৩৭ মিনিট আগে | শোবিজ

নিজের আসল নাম প্রকাশ করলেন ‘সাইয়ারা’র নায়ক
নিজের আসল নাম প্রকাশ করলেন ‘সাইয়ারা’র নায়ক

৩৯ মিনিট আগে | শোবিজ

হাবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একাডেমিক কাউন্সেলিং শীর্ষক সেমিনার
হাবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একাডেমিক কাউন্সেলিং শীর্ষক সেমিনার

৪০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ঝলমলে ক্যারিয়ারে নতুন কীর্তি পোলার্ডের
ঝলমলে ক্যারিয়ারে নতুন কীর্তি পোলার্ডের

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সিগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে তিন শ্রমিকের মৃত্যু
মুন্সিগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে তিন শ্রমিকের মৃত্যু

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফরিদপুর পৌরসভায় বেহাল সড়ক, ভোগান্তিতে মানুষ
ফরিদপুর পৌরসভায় বেহাল সড়ক, ভোগান্তিতে মানুষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত ভিসিসহ ২২৭ শিক্ষক অবরুদ্ধ
একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত ভিসিসহ ২২৭ শিক্ষক অবরুদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

টেইলর সুইফটের বাগদানের হীরার আংটি নিয়ে হইচই
টেইলর সুইফটের বাগদানের হীরার আংটি নিয়ে হইচই

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গেইল-পোলার্ডের পর ইতিহাস গড়লেন হেলস
গেইল-পোলার্ডের পর ইতিহাস গড়লেন হেলস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করতে যমুনায় বিএনপি নেতারা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করতে যমুনায় বিএনপি নেতারা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাইবান্ধায় গাছের চারা বিতরণ
গাইবান্ধায় গাছের চারা বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রংপুরে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন
রংপুরে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লক্ষ্মীপুরে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা বিষয়ক প্রস্তুতিমূলক সভা
লক্ষ্মীপুরে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা বিষয়ক প্রস্তুতিমূলক সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করেছে : ফারুক-ই-আজম
দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করেছে : ফারুক-ই-আজম

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বগুড়ায় চার দিনের কর্মসূচি
বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বগুড়ায় চার দিনের কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাদাপাথরকাণ্ডে এবার ওসি বদলি
সাদাপাথরকাণ্ডে এবার ওসি বদলি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ইসলামের দৃষ্টিতে সাইবার বুলিং ও ভার্চুয়াল মব
ইসলামের দৃষ্টিতে সাইবার বুলিং ও ভার্চুয়াল মব

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

আগস্টের ৩০ দিনে এলো ২৭ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স
আগস্টের ৩০ দিনে এলো ২৭ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী, ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: দুলু
দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী, ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: দুলু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা
চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভূমিসেবায় জনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য : ভূমি সচিব
ভূমিসেবায় জনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য : ভূমি সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন