শিরোনাম
প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:০৪
প্রিন্ট করুন printer

মঙ্গল থেকে আর হয়তো ফেরা হবে না ১৮ বছরের এই এলিজার!

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গল থেকে আর হয়তো ফেরা হবে না ১৮ বছরের এই এলিজার!

মার্কিন কিশোরী এলিজা কারসন কিছুদিন আগেই মঙ্গলগ্রহ অভিযানে যোগদান করার ইচ্ছাপ্রকাশ করে খবরের শিরোনামে ছিলেন। নাসার কনিষ্ঠতম এই সদস্য পৃথিবী থেকে মিলিয়ন মাইল দূরের ভিন্ন গ্রহের নাগরিক হওয়ার নেশায় মত্ত। সব কিছু অনুকূলে থাকলে এলিজা হবে ২০৩৩ সালে মঙ্গলে যাওয়া পৃথিবীর প্রথম মানুষ। নাসা বলছে, সে যেহেতু মঙ্গলে গেলে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম তাই নাসার কাছে যৌনতা, বিয়ে বা সন্তানধারণের নিষেধাজ্ঞাপত্রতে স্বাক্ষর করতে হয়েছে তাকে।

জানা গেছে, ছোটবেলাতেই মাকে হারিয়েছেন এলিজা, তার বেড়ে ওঠা বাবার কাছেই। বাবার হাত ধরেই মাত্র ৭ বছর বয়সে এলিজার স্পেস ক্যাম্পে যাওয়া, আর সেখান থেকেই স্বপ্ন বুনতে শেখা ছোট্ট কিশোরীর। পরে ১২ বছর বয়সে এলিজা সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে আলবামা, কানাডার কুইবেক ও তুরস্কের ইজমিরে নাসার তিনটি ভিন্ন স্পেস ক্যাম্পে অংশ নেয়। তাকে সাহায্য করেছিলেন নাসা’র এক মহাকাশচারী সান্ড্রা ম্যাগনাস। মহাকাশের বেসিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন মিশন কিভাবে পরিচালিত হয়, তা শিখে নিয়েছে এলিজা। 

এর আগে, এলিজার যখন ৯ বছর বয়স তখন তার সাথে দেখা হয় নাসা’র এক মহাকাশচারী সান্ড্রা ম্যাগনাসের। এই নারী মহাকাশচারী তাকে জানিয়েছিলেন ছোটবেলাতেই তিনি মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। এই কথা ছোট্ট এলিজার চোখে মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন গাঢ় ও দৃঢ় করেছিলো। 

এলিজা জানে, সে হয়তো আর ফিরে আসবেনা এই পৃথিবীতে। আর মাত্র ১৪ বছর পরে একমাত্র নিঃসঙ্গ মানুষ হিসেবে কোটি কোটি মাইল দূরের লোহার লালচে মরিচায় ঢাকা প্রচণ্ড শীতল নিষ্প্রাণ গ্রহের ক্ষীয়মাণ নীল নক্ষত্রের নিচে হারিয়ে যাবে। তবে তাতে ভীত নয় সে। পোজামের মহাকাশ গবেষক এলিজার সাহসিকতা নিয়ে বলেন, ‘এ বয়সে মহাকাশ যানে ঘুরে বেড়ানো বা ভিন্ন গ্রহে যাওয়ার ইচ্ছা থাকাটা স্বাভাবিক। এলিজাই প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এতো কম বয়েসে নাসার ১৪ টি দর্শনার্থী কেন্দ্র যাওয়ার এবং ঘুরে দেখার সুযোগ পেয়েছেন। এছাড়াও “মার্স ওয়ান” নামের এক বেসরকারি সংস্থা তাকে তাদের সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর করে। কোনো ছোট খাটো স্বপ্ন এলিজা যে দেখেনি তা সে খুব ভালোই জানে। আর এই স্বপ্নপূরণ করাও সহজ নয়, কিন্তু সে বিশ্বাস করে এই স্বপ্নপূরণ করা আবার দুঃসাধ্যও নয়। তার কথায়- ‘Always Follow Your Dream and Don’t let Anyone Take it From You’।

সূত্র : সংবাদ অনলাইন।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:৪৪
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:২০
প্রিন্ট করুন printer

দেউলিয়া থেকে গাঁজা বেচে এখন মাসে আয় ৪ কোটি টাকা!

অনলাইন ডেস্ক

দেউলিয়া থেকে গাঁজা বেচে এখন মাসে 
আয় ৪ কোটি টাকা!

হেভিওয়েট বক্সিংয়ে সর্বকালের সেরাদের একজন মাইক টাইসন। ৫৪ বছর বয়সী এই বক্সারের ক্যারিয়ারে তার আয় ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকার বেশি। সেখান থেকেই একটা সময় দেউলিয়া হওয়ার পথে বসেছিলেন টাইসন। তবে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এ বক্সার। আবার কামাচ্ছেন কোটি কোটি টাকা!

টাইসনের এই কোটিপতি বনে যাওয়া গাঁজা বেচে। প্রতি মাসে নাকি গাঁজা বেচেই পাঁচ লাখ ডলার আয় করেন টাইসন। বাংলাদেশি মুদ্রায় তার মাসিক আয়ের অঙ্কটা সোয়া ৪ কোটি টাকার বেশি!

ক্যারিয়ারজুড়ে ধর্ষণ, মাদকসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন টাইসন। ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে ‘আয়রন মাইক’, ‘কিড ডায়নামাইট’ ডাকনাম পাওয়া টাইসনকে যে কারণে ক্যারিয়ারের শেষের দিকে ‘দ্য ব্যাডেস্ট ম্যান অন দ্য প্ল্যানেট’ ডাকা হতো। 

তবে সবকিছুর আড়ালে আবার ঘুরে দাঁড়ানো টাইসন খুলেছেন একটা গাঁজা চাষের কোম্পানি। যেটির নাম দিয়েছেন ‘টাইসন র‍্যাঞ্চ।’ তার গাঁজার ফার্মটা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে অবস্থিত। যেখানে গাঁজার ব্যবহার বৈধ। 

ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে আগে গাঁজার ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও ২০১৬ সালের নভেম্বরে ২১ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য সেটিকে বৈধতা দেওয়া হয়। এ নিয়মের বদলেরই ফায়দা তুলে নিচ্ছেন টাইসন। তার টাইসন র‍্যাঞ্চ ফার্মটি প্রতিষ্ঠা করেছেন ১৬ হেক্টর জমির ওপর।

পেশাদার ক্যারিয়ারে মোট ৫৮টি ফাইটে লড়ে ৫০টিতেই জিতেছেন টাইসন, হেরেছেন ৬টিতে। নিজের ফার্মে তৈরি গাঁজায় টাইসন এতটাই মুগ্ধ যে তিনি এখন নিজেকে ‘সেরা গাঁজার প্রস্তুতকারক’ দাবি করেন!

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:২৬
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:০৩
প্রিন্ট করুন printer

ব্যস্ত রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছে ১৩৯ বছরের বাড়ি, দেখতে রাস্তায় ভিড়

অনলাইন ডেস্ক

ব্যস্ত রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছে ১৩৯ বছরের বাড়ি, দেখতে রাস্তায় ভিড়
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

কখনো দেখেছেন ব্যস্ত রাস্তায় ‘গুটিগুটি পায়ে’ এগিয়ে চলেছে একটা পুরো বাড়ি। সান ফ্রান্সিসকো শহরের এক রাস্তায় এমনই এক দৃশ্য দেখা গেল।

সবুজ রঙের একটা বাড়ি এ পাড়া থেকে ও পাড়ায় চলে গেল। আসলে চলে গেল না। গত ৮ বছর ধরে বাড়িটিকে সরানোর প্রস্তুতি চলছিল। গত রবিবার সেই কাজই সম্পন্ন হয়। আর বাড়ি সরানোর এমন দৃশ্য ভাইরাল হতে সময় নেয়নি মোটেই

সান ফ্রান্সিসকোর ফ্র্যাঙ্কলিন স্ট্রিটে ১৩৯ বছর ধরে ঠিকানা ‘ইংল্যান্ডার হাউস’ নামে এক বাড়ির। যাতে রয়েছে ৬টি শোবার ঘর এবং ৩টি স্নানের ঘর। কিন্তু ঐতিহাসিক সেই ঘরকে না ভেঙে সরানোর প্রয়োজন হয়। গত কয়েক বছর ধরে তার প্রস্তুতি চলছিল।

রাস্তার ২ ধারের গাছগুলোর ডাল ছেঁটে দেওয়া পার্কিংয়ের জায়গাগুলি খালি করে রাস্তা চওড়া করা এমন কি বিদ্যুতের তারও সরিয়ে ফেলে হয়। আর যে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বাড়িটিকে সেটি একটি একমুখী রাস্তা। তাতে আবার উল্টো দিকে বাড়িটিকে নতুন ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

হাইড্রোলিক ডলিতে তুলে ধীর গতিতে বাড়িটিকে ফ্র্যাঙ্কলিন স্ট্রিট থেকে ৭ ব্লক দূরে ফুলটনে নিয়ে যাওয়া হয়। রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে বাড়িসহ ডলিগুলোকে ১ মাইল প্রতি ঘণ্টা গতিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

আর আস্ত একটি বাড়ির এমন যাত্রা দেখতে রাস্তায় প্রচুর মানুষ দাঁড়িয়ে যান। তারা মোবাইলে সেই বিরল দৃশ্য রেকর্ড করেন। পরে যা ভাইরাল হয়ে যায়।

সূত্র : আনন্দবাজার

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:০৮
প্রিন্ট করুন printer

ছুটি পেতে 'অপহরণ' নাটক সাজিয়ে হারাতে হলো চাকরি!

অনলাইন ডেস্ক

ছুটি পেতে 'অপহরণ' নাটক সাজিয়ে হারাতে হলো চাকরি!
সংগৃহীত ছবি

কর্মস্থল থেকে ছুটি পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ আপনি কী করবেন? অসুস্থতা হলে সেই কারণ দেখিয়ে বা অসুস্থতার নামে মিথ্যা বলে ছুটি নেবেন। অনেকে আবার আত্মীয়স্বজনদের মৃত্যুসংবাদের কথাও কাজে লাগান ছুটি পাওয়ার জন্য। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ১৯ বছরের এক কিশোরের কাণ্ড শুনে হতবাক সকলেই। একটি কারখানার কর্মী ওই ছেলেটি। ছুটি পাওয়ার জন্য নিজেই নিজের অপহরণের নাটক সাজায় সে। যদিও শেষ পর্যন্ত চাকরিচ্যুত করা হয় তাকে।

ব্র্যান্ডন সোলস নামে ১৯ বছরের ওই কিশোর ছুটি পাওয়ার জন্য অপহরণের গল্প ফেঁদেছিলেন। পুলিশ সূত্রে খবর, সোলসকে খুঁজে পাওয়া গেছে। টায়ারের কারখানায় কর্মরত সোলসকে একটি পানির টাওয়ারের সামনে থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। এসময় তার মুখেও কাপড় আটকানো ছিল বলে জানা গেছে।

পুলিশকে সোলস জানিয়েছিলেন, তাকে দুই ব্যক্তি অপহরণ করেছিল। এই পানির টাওয়ারের কাছে ফেলে যাওয়ার আগে তাকে গাড়িতে তোলা হয়েছিল বলে দাবি সোলসের। অচৈতন্য অবস্থায় তাকে এই রাস্তায় ফেলে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা বলে দাবি করে সে। পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে নেমে অবশ্য গোটা বিষয়টা অন্যভাবে সামনে চলে আসে। ব্র্যান্ডন সোলসকে অপহরণের কোনও প্রমাণ পাননি তারা। রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গোয়েন্দারা নিশ্চিত গোটা বিষয়টি সাজানো হয়েছিল ছুটি পাওয়ার জন্য।

পুলিশের জেরার মুখে পড়ে অবশ্য নিজের দোষের কথা স্বীকার করেছেন ব্র্যান্ডন। কাজ থেকে ছুটি পাওয়ার জন্যই এমন গল্প ফেঁদেছিলেন বলে দাবি করেছেন সোলস। তবে মিথ্যা গল্প ফেঁদে এভাবে পুলিশকে বিব্রত করার দায়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটক ব্র্যান্ডন নিজের বেল্ট দিয়েই নিজে হাত বেঁধেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। কারখানা থেকেও তাকে বিতাড়িত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৩:১৫
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:০৫
প্রিন্ট করুন printer

৮১ বছর বয়সী বৃদ্ধার ব্যায়াম

অনলাইন ডেস্ক

৮১ বছর বয়সী বৃদ্ধার ব্যায়াম
প্ল্যাংক, পুল-আপ আর নাচের ১০০-র বেশি ভিডিও টিকটকে আপলোড করেছেন তিনি

জার্মানির ৮১ বছর বয়সী এরিকা রিশকো টিকটিকে ১০০-র বেশি ভিডিও আপলোড করেছেন। প্ল্যাংক, পুল-আপ আর নাচের এসব ভিডিওতে ২০ লাখের বেশি লাইক পড়েছে। 

টিকটকে তার অনুসারীর সংখ্যা প্রায় সোয়া এক লাখ। গত বসন্তে জার্মানিতে লকডাউন শুরু হলে তার প্রথম ভিডিও আপলোড করা হয়। কিছু ভিডিওতে এরিকার সঙ্গে তার স্বামীকে দেখা যায়। 

‌‘এটা দারুণ, জাস্ট গ্রেট। নিজেকে নিয়ে আমি এখন যতটা আত্মবিশ্বাসী, আগে ততটা ছিলাম না’,- বলেন এরিকা রিশকো। 

তরুণদের মন্তব্য থেকেও উৎসাহ পান তিনি। 

তিনি বলেন, ‘তরুণরা যখন আমাদের বলে যে, তারা মনে করে, আমরা গ্রেট এবং আমরা কীভাবে এমনটা করি, এটা দারুণ অনুপ্রেরণা দেয়।’

সূত্র: ডয়চে ভেলে

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:১২
প্রিন্ট করুন printer

মোবাইলের নেটওয়ার্ক পেতে নাগরদোলায় চড়লেন মন্ত্রী!

অনলাইন ডেস্ক

মোবাইলের নেটওয়ার্ক পেতে নাগরদোলায় চড়লেন মন্ত্রী!
সংগৃহীত ছবি

মোবাইলে কথা বলতে বলতে সমস্যা হচ্ছিল। তাই নেটওয়ার্ক পেতে অদ্ভুত উপায় অবলম্বনও করলেন ভারতেরর মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী ব্রজেন্দ্র সিং। উঠে বসলেন ৫০ ফুট উঁচু নাগরদোলায়। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তার সেই ছবি এবং ভিডিও ভাইরাল হয়। এমনকী সংবাদপত্রেও প্রকাশিত হয়েছে সেই ছবি।

জানা গেছে, সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের আমখো গ্রামে নামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সঙ্গে একটি মেলাও বসেছে। সেখানেই মূল আকর্ষণ ওই নাগরদোলাটি। এদিকে, মন্ত্রী ব্রজেন্দ্র সিং মেলায় যেতেই অনেকেই তাঁর কাছে নানান সমস্যার কথা জানাতে শুরু করেন। সেই সমস্যা সমাধানে এরপরই ফোন করার চেষ্টা করতে থাকেন তিনি। কিন্তু কিছুতেই মোবাইলে নেটওয়ার্ক পাননি। এরপরই নাগরদোলায় উঠে বসেন। আর তারপর সেই ছবিটিই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। ভারতের প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে ফোনের নেটওয়ার্কের অবস্থা এতটাই খারাপ যে এর আগেও এই ধরনের ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর