শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৫১
প্রিন্ট করুন printer

হাসপাতালের ১০ জরুরি পরীক্ষার ফি নির্ধারণ

অনলাইন ডেস্ক

হাসপাতালের ১০ জরুরি পরীক্ষার ফি নির্ধারণ

দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীকে দেওয়া অক্সিজেনের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন সরকার। শুধুই অক্সিজেন নয়, কোভিড-১৯ সম্পর্কিত আরো ১০টি বিষয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফি (মূল্য তালিকা) নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই মূল্য নির্ধারণ করেছে। 

এই তালিকা সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে উন্মুক্ত স্থানে (দৃশ্যমান) টাঙ্গাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমুহ) ডা. মো. ফরিদ হোসেন মিঞার স্বাক্ষরে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। 

দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক বা ব্যবস্থাপনা পরিচালককে নতুন মূল্য তালিকা অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকা শিগগিরই হাইকোর্টে দাখিল করা হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

হিউম্যান রাইটস ল’ইয়ার্স অ্যান্ড সিকিউরিং এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট মো. শাহ আলমের করা এক রিট আবেদনে হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই অন্তবর্তীকালীন নির্দেশনা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতবছর ১৩ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এক আদেশে মূল্য তালিকা নির্ধারণ করে তা উন্মুক্ত স্থানে প্রদর্শনের জন্য সাত দিনের মধ্যে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মূল্য তালিকা র্নিধারণ করে তা মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছে।

নির্ধারিত অক্সিজেনের মূল্য

নতুন নির্দেশনায় একক অক্সিজেন সিলিন্ডার ও মেনিফোল্ড অক্সিজেন সিলিন্ডার সিস্টেমে ঘণ্টায় ২ থেকে ৫ লিটার অক্সিজেন ব্যবহারের জন্য ১০০ টাকা, ৬ থেকে ৯ লিটারের জন্য ১২৫ টাকা এবং ১০ থেকে ১৫ লিটারের জন্য ১৫০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেমে (জেনারেটর বেইজড) ঘণ্টায় ২ থেকে ৫ লিটার অক্সিজেন ব্যবহারের জন্য ১২০ টাকা, ৬ থেকে ৯ লিটারের জন্য ৩শ টাকা এবং ১০ থেকে ১৫ লিটারের জন্য ৩৫০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেমে (লিক্যুইড অক্সিজেন ট্যাংক বেইজড) ঘণ্টায় ২ থেকে ৫ লিটার অক্সিজেন ব্যবহারের জন্য ১২০টাকা, ৬ থেকে ৯ লিটার ব্যবহারের জন্য ২৫০ টাকা এবং ১০ থেকে ১৫ লিটার ব্যবহারের জন্য ৩শ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেমে হাইফ্লো নেজাল ক্যানুলা দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ লিটার অক্সিজেন ব্যবহারের মূল্য ৫শ টাকা নির্ধারণ করার হয়েছে।

অন্যান্য জরুরি ১০টি পরীক্ষার মূল্য

সিবিসি পরীক্ষার স্থিরকৃত সর্বোচ্চ মূল্য ধরা হয়েছে ৪শ টাকা। এছাড়া সর্বনিম্ন ৪শ ও সর্বোচ্চ মূল্য ৬শ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সিআরপি পরীক্ষার স্থিরমূল্য ৬শ টাকা এবং সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬শ থেকে ৯শ টাকা।এলএফটি পরীক্ষার স্থিরমূল্য নির্ধারণ করেছে একহাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মূল্য ৯৫০ থেকে একহাজার ৬শ টাকা। এস.ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষার স্থিরমূল্য ৪শ টাকা এবং সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মূল্য ৩শ থেকে ৬৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এস ইলেক্ট্রোলাইট পরীক্ষার স্থিরমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে একহাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মূল্য ৮৫০ থেকে ১৪৫০ টাকা।

ডি. ডিমার পরীক্ষার স্থিরমূল্য দেড় হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মূল্য ধরা হয়েছে ১১শ থেকে ৩ হাজার ২শ টাকা। এস. ফেরিটিন পরীক্ষার স্থিরমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২শ টাকা এবং সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মূল্য ধরা হয়েছে একহাজার টাকা থেকে ২২শ টাকা। এস.প্রোকালসিটোনিন পরীক্ষার স্থিরমূল্য দুইহাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫শ থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা।

সিটি স্কেন (চেস্ট) এর স্থিরমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মূল্য ৫ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকা। চেস্ট এক্স-রে (এ্যানালগ)’র স্থিরমূল্য ৪শ টাকা, এর সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মূল্য ধরা হয়েছে যথাক্রমে ৩শ থেকে ৫শ টাকা এবং চেস্ট এক্স-রে (ডিজিটাল)’র স্থিরমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬শ টাকা। এর সর্বনিু ও সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫শ থেকে ৮শ টাকা।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:০৪
প্রিন্ট করুন printer

দেশে ফিরে হুইল চেয়ারে চড়ে গাড়িতে উঠলেন মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

দেশে ফিরে হুইল চেয়ারে চড়ে গাড়িতে উঠলেন মির্জা ফখরুল
সংগৃহীত ছবি

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে শাহজালাল বিমানবন্দরে নামার পর হুইল চেয়ারে চড়ে গাড়িতে ওঠেন তিনি। তার সঙ্গে থাকা স্ত্রী রাহাত আরা বেগমও ছিলেন আরেকটি হুইল চেয়ারে।

হুইল চেয়ারে বসেই বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

শরীরের অবস্থা কেমন প্রশ্ন করা হলে ফখরুল বলেন, ভালো না। আই অ্যাম সিক। আমি অসুস্থ, এখনো সুস্থ নই। সিঙ্গাপুরে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থেকে তারপরে ডাক্তারদের সঙ্গে দেখা করে সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ফিরেছি।

গত ৩০ জানুয়ারি স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান বিএনপি মহাসচিব। সেখানে ফারার পার্ক হসপিটালে তার চিকিৎসা হয়। ২০১৫ সালে কারাবন্দি অবস্থায় ঘাড়ে ইন্টারনাল ক্যারোটিভ আর্টারিতে ব্লক ধরা পড়লে সিঙ্গাপুরে তার চিকিৎসা করেছিলেন ৭৩ বছর বয়সী এই বিএনপি নেতা। 

এর চিকিৎসা বাংলাদেশে না থাকায় প্রতি বছরই ফলোআপ করতে তাকে সিঙ্গাপুর যেতে হয়। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ৪ অক্টোবর তিনি সিঙ্গাপুর যান।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৪২
প্রিন্ট করুন printer

চালের ‘আমদানি নির্ভরতা’ কমাতে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

চালের ‘আমদানি নির্ভরতা’ কমাতে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ
ফাইল ছবি

চালের ‘আমদানি নির্ভরতা’ কমাতে আউশের বিভিন্ন ভ্যারাইটি উৎপাদন ও গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। একইসঙ্গে মাঠ পর্যায় থেকে কৃষি উৎপাদন ও মজুদ সম্পর্কিত সঠিক তথ্য পাওয়ার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়কে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। এছাড়া কৃষি সম্পর্কিত সরকারি যে কোন কর্মসূচিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে সম্পৃক্ত করার জন্য সুপারিশ করে কমিটি।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ‘কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি’র ১৫তম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। 

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরী। কৃষি মন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রাং, মো. মোসলেম উদ্দিন, মো. মামুনুর রশীদ কিরন, আনোয়ারুল আবেদীন খান, উম্মে কুলসুম স্মৃতি এবং হোসনে আরা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, বৈঠকে কৃষকদের কল্যাণে কাজের সুযোগ তৈরি করতে কৃষি সম্পর্কিত স্থানীয় বিভিন্ন কমিটিতে কৃষি বিষয়ক পদধারী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে সম্পৃক্ত রাখার সুপারিশ করা হয়। 

বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভিন্ন দপ্তর সংস্থার প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।                                                      

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৩৩
প্রিন্ট করুন printer

সোশ্যাল মিডিয়ায় মুঠোফোন নম্বর ও ই-মেইল না রাখার পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক

সোশ্যাল মিডিয়ায় মুঠোফোন নম্বর ও ই-মেইল না রাখার পরামর্শ

শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের প্রতি জরুরি কিছু পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তাতে ইন্টারনেট ব্যবহারে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ঝুঁকি ও সুবিধা সম্পর্কে অভিভাবকদের নিজে সতর্ক থাকার পাশপাশি শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

সেখানে বলা হয়, জ্ঞান অর্জন এবং বিনোদনের লক্ষ্যে সঠিক ওয়েবসাইট ও অনলাইন গেম নির্বাচনে অভিভাবকরা সচেতন থাকুন।

বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস তথা মোবাইল ফোন, ট্যাব অথবা কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিবারের মধ্যে সুনির্দিষ্ট নিয়ম-নীতি নির্ধারণ করে তা অনুসরণের জন্য সন্তানদের উৎসাহিত করুন। এক্ষেত্রে নিজেদের সন্তানদের জন্য আদর্শ হিসেবে গড়ে তুলুন।

ইন্টারনেটের ক্ষতিকারক কনটেন্ট থেকে সন্তানকে নিরাপদ রাখার জন্য বিনামূল্যে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের প্যারেন্টাল গাইডেন্স সুবিধা নিন।

শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা নিজেদের পাসওয়ার্ড যেন কখনও কারো সঙ্গে শেয়ার না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড এবং Two Factor Authentication প্রক্রিয়া ব্যবহারে সন্তানদের উৎসাহিত করুন।

বাক্তিগত তথ্য যেমন- জন্ম তারিখ, ফোন নম্বর, ই-মেইল আইডি, স্কুল-কলেজের নাম, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, বাড়ির ঠিকানা, লোকেশন ইত্যাদি ইন্টারনেটে/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে না ব্যবহার করার বিষয়টি নিশ্চিত করুন।

ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত ছাড়া অপরিচিত কাউকে ইন্টারনেটে বন্ধুত্বের অনুরোধ অথবা কারো বন্ধুত্ব গ্রহণ করার বিষয়ে সন্তানদের নিরুৎসাহিত করুন। পাশাপাশি অনলাইন বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা থেকে সন্তানদের বিরত রাখুন। 

বিটিআরসি জানিয়েছে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট বিষয়ের উপর ফেসবুক লাইভে থাকবেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:২৯
প্রিন্ট করুন printer

‘সিএমএইচ’কে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘সিএমএইচ’কে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানের সুপারিশ

অসাধারণ সাহস ও দক্ষতার সাথে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়াসহ চিকিৎসা সেবায় অন্যান্য অবদানের জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালকে (সিএমএইচ) চলতি বছর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। একইসঙ্গে ঢাকার সাভারে অবস্থিত পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ৮ একর জমি দ্রুত মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)’র কাছে হস্তান্তরের সুপারিশ করা হয়।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ‘প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি’র ১৩তম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। 

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া। কমিটির সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান, মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ্, মো. মোতাহার হোসেন, মো. নাসির উদ্দিন, মো. মহিববুর রহমান ও নাহিদ ইজাহার খান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, ঘোষিত রূপকল্প-৪১-এর আলোকে ‘মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান’কে (স্পারসো) একটি অত্যাধুনিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত বিকাশের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধানসহ বিভিন্ন বাহিনী, মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

বিমানের সাবেক ১৭ সিবিএ নেতার দুর্নীতি, দুদকের নথি হাইকোর্টে তলব

অনলাইন ডেস্ক

বিমানের সাবেক ১৭ সিবিএ নেতার দুর্নীতি, দুদকের নথি হাইকোর্টে তলব

সাত বছর আগে ২০১৪ সালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সিবিএ নেতা ছিলেন এমন ১৭ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত সংক্রান্ত যাবতীয় নথি তলব করেছেন হাইকোর্ট। দুই সপ্তাহের মধ্যে ওই নথি আদালতে দাখিল করতে দুদককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত আগামী ৯ মার্চ পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুদকার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহষ্পতিবার এ আদেশ দেন। 

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক আবেদনে এ আদেশ দেন আদালত। আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এম এ আজিজ খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

হাইকোর্টের গত ২৮ জানুয়ারি দেওয়া আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল দুদক ১৭ সিবিএ নেতা সম্পর্কে প্রতিবেদন দাখিল করে। এতে দুদক থেকে আদালতকে জানানো হয়, সিবিএ নেতারা দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। কিন্তু তারা কি বলেছেন বা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে কী না সে বিষয়ে দুদক থেকে কিছু বলা হয়নি। এ প্রতিবেদন দেখার পর রিট আবেদনকারীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ সংশ্লিষ্ট নথি আদালতে দাখিল করার আরজি জানান। এরপর আদালত শুনানি নিয়ে নথি তলবের আদেশ দেন।

যে সব সিবিএ নেতার বিষয়ে আদালত নথি তলব করেছেন তারা হলেন- মসিকুর রহমান (সভাপতি), আজাহারুল ইমাম মজুমদার, আনোয়ার হোসেন, মো. ইউনুস খান, মো. মনতাসার রহমান(সাধারণ সম্পাদক), রুবেল চৌধুরী, মো. রফিকুল আলম, আতিকুর রহমান, হারুনর রশিদ, আবদুল বারি, ফিরোজুল ইসলাম, আসমা খানম, আবুল কালাম, আবদুস সোবহান, গোলাম কায়সার আহমেদ, আবদুল জব্বার এবং মো. আবদুল আজিজ। এরা ২০১৪ সালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সিবিএ (বিমান শ্রমিক লীগ) নেতা ছিলেন। তাদের ২৬ জানুয়ারি দুদকে হাজির হতে ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি নোটিশ দেয় দুদক। কিন্তু ওইসব নেতা দুদকে হাজির হতে অস্বীকার করেন। এরপর এ প্রতিবেদন সংযুক্ত করে এইচআরপিবি হাইকোর্টে রিট আবেদন করে। এ রিট আবেদনে ওই বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করেন। রুলে দুদকের নিষ্ক্রয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। এ রুলের ওপর গত ২৮ জানুয়ারি শুনানিকালে দুদকের নেওয়া পদক্ষেপের তথ্য ২৫ ফেব্রুয়ারি জানাতে নির্দেশ দেন আদালত। এ অবস্থায় গতকাল নথি তলব করা হলো।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর