শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৫

আলহামদুলিল্লাহ! কেন বলবেন! কখন বলবেন

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
আলহামদুলিল্লাহ! কেন বলবেন! কখন বলবেন

কোনো কিছু পাওয়ার পর কিংবা কোনো কিছু খাওয়ার পর আমরা সাধারণত আলহামদুলিল্লাহ বলি। এর বাইরেও বলি। কোনো সুসংবাদ, রোগমুক্তি কিংবা অন্তর শীতল করা আবেগ-অনুভূতির ক্ষেত্রেও আলহামদুলিল্লাহ বলি। এটি একটি কোরআনিক শব্দ, যার অর্থ সব প্রশংসা আল্লাহর। কোনো নিরীশ্বরবাদী যদি প্রশ্ন করেন কেন আপনি আলহামদুলিল্লাহ বলবেন? কারণ সবকিছুই তো আপনি অর্জন করেছেন নিজস্ব পরিশ্রমের বিনিময়ে অথবা আপনার মতো অন্য কোনো মানুষের দয়া-করুণা কিংবা অনুকম্পার কারণে। কম জানা দুর্বল ইমানের লোকজন বুদ্ধিমান নিরীশ্বরবাদীর দ্বারা যে কোনো সময় বিভ্রান্ত হতে পারেন। আর সে কারণে সচরাচর ব্যবহৃত খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকলে অনেক ফেতনা-ফেসাদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

আলহামদুলিল্লাহ বুঝতে হলে সবার আগে দরকার আলহামদু শব্দটির অর্থ, উদ্দেশ্য এবং তাৎপর্য জানা। পরে আপনাকে জানতে হবে রব এবং আলামিন শব্দের অর্থ। আলহামদু বলতে সেই প্রশংসাকে বোঝানো হয় যা নিয়ামতের কারণে জ্ঞাপিত হয়। আর নিয়ামত হলো সেসব পুরস্কার, দান কিংবা অনুদান যা বান্দা তার মালিক দীন-দুনিয়ার বাদশাহ আল্লাহর পক্ষ থেকে জন্মসূত্রে বা কর্মসূত্রে লাভ করে। নিয়ামতগুলো কখনো দেখা যায় আবার কখনো দেখা যায় না; কখনো স্পর্শ করা যায় আবার কখনো যায় না- হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে হয়। নিয়ামতের জন্য আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও প্রশংসা হারাম। আল্লাহর নিয়ামত সম্পর্কে জানতে ও বুঝতে হলে আপনার থাকতে হবে আধুনিক বিজ্ঞানময় একটি মন, বুদ্ধিমান মস্তিষ্ক এবং প্রচুর জ্ঞান।

পবিত্র কোরআনের সুরা ইবরাহিমের ৩৪ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, 'তোমরা আল্লাহর নিয়ামত গুনে শেষ করতে পারবে না'। মানুষ সাধারণত এসব খোঁজাখুঁজির তোয়াক্কা করে না। আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতকে নিজের প্রাপ্য কিংবা পরিশ্রমলব্ধ বা অন্য কোনো মানুষের অনুগ্রহ মনে করে তারা হয় নির্বিকার থাকে, নয়তো অহংকারী হয়ে পড়ে কিংবা অন্য কোনো বান্দার কাছে মাথা নুইয়ে আত্মসমর্পণ করে। আর এ কারণেই এ আয়াতের পরবর্তী বাক্যে আল্লাহ বলেন, 'মানুষ বড়ই জালিম, অকৃতজ্ঞ'। কোন জালিম কোন অকৃতজ্ঞ তা বোঝার জন্য আয়াতের প্রথম বাক্যটি পড়তে হবে। আল্লাহ বলেন, 'আর যিনি তাঁর নিকট চাওয়া প্রতিটি বস্তু দিয়ে দিলেন'। আয়াতের এ অংশের ব্যাখ্যায় বলা যায় মানুষ তার রবের দরবারে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করলে রব তা মঞ্জুর করেন। কিন্তু অকৃতজ্ঞ এবং জালিম প্রকৃতির মানুষ আল্লাহর নিয়ামতপ্রাপ্তির পর তা বেমালুম ভুলে যায়।

বুদ্ধিমান মানুষ আল্লাহর নিয়ামত সম্পর্কে ধারণা লাভের জন্য প্রথমে নিজ সত্তার প্রতি মনোযোগী হয় এবং সতর্ক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে আবিষ্কারের চেষ্টা করে। মানুষের সত্তার দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। একটিকে বলা হয় দেহ এবং অন্যটি হলো আত্মা। দুর্ভাগ্য সেই মানুষের যে আত্মার ওপর শরীরকে প্রাধান্য দেয় এবং শরীরের ভোগবিলাসের জন্য আত্মার ওপর জুলুম করে কিংবা আত্মাকে মেরে ফেলে। কোনো মুমিন বান্দা শরীরকে আত্মার ওপর প্রাধান্য দেন না। তারা আত্মাকে পবিত্র রাখার জন্য সব সময় শরীর ও মনকে (নফ্স) নিয়ন্ত্রণ করেন। মুমিন তার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দিকে তাকান এবং দেহের ভিতর চলমান প্রায় পাঁচ হাজার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের খোঁজখবর নেন। তিনি ভাবেন কীভাবে শরীরের মধ্যে স্থাপিত ওষুধের কারখানাটির হাজারো রুহানি ওষুধ তার বিষ, ব্যথা, কাটাছেঁড়া কিছুটা ভালো করে দেয় অথবা ভাঙা হাড়গুলোকে জোড়া লাগিয়ে দেয়। নিজের শরীরের লাখো-কোটি কোষ কিংবা একটি কোষকে কেন্দ্র করে তৈরি একেকটি নিউক্লিয়াস এবং সেই নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনের খেলার কাহিনী বান্দাকে রবের প্রতি কৃতজ্ঞ না করে পারে না। এখন প্রশ্ন হলো, বান্দার প্রতি আল্লাহপ্রদত্ত নিয়ামতগুলোর মধ্যে কোনটিকে প্রাধান্য দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলতে হবে? আমার মতে জাগতিক বিষয়গুলোর যেসব ঘটনা, উপকরণ এবং উপাদান সহজে দেখা যায়, বোঝা যায় কিংবা অনুভব করা যায় সেগুলোকে স্মরণে এনে আলহামদুলিল্লাহ বললে হৃদয়-মন খুব সহজেই আল্লহর প্রতি মোতাওয়াজ্জু হয়ে পড়ে। স্বয়ং আল্লাহও তদ্রূপ নির্দেশ দিয়েছেন আল কোরআনে। সুরা দোহার ৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, '(হে নবী) আমি কি আপনাকে ইয়াতিম হিসেবে আশ্রয় দান করিনি!' পরবর্তী আয়াতগুলোয় আল্লাহ বলেন, 'তিনি আপনাকে পথহারা হিসেবে পেয়েছেন, এরপর পথ প্রদর্শন করেছেন। তিনি আপনাকে পেয়েছেন নিঃস্ব, অতঃপর অভাবমুক্ত করেছেন।' এ সুরার শেষ আয়াতে বলা হয়েছে, 'আপনার পালনকর্তার নিয়ামতের কথা প্রকাশ করুন'।

উপরোক্ত আয়াতগুলোয় আল্লাহ তার রসুল (সা.)-কে উদ্দেশ করে বললেও তিনি মূলত মানবমণ্ডলীকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন তাদের প্রতি প্রদত্ত নিয়ামত সম্পর্কে কৃতজ্ঞ হওয়ার জন্য। জীবনের শুরু থেকে পর্যায়ক্রমে যেসব ঘটনা সহজেই দাগ কাটে সেগুলো স্মরণ করার জন্য ইঙ্গিত করা হয়েছে। এতিম হিসেবে জন্মের পর রসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর মা এবং দাদার মৃত্যুতে অনেকটা পথহারা পথিকের মতো চাচা আবু তালিবের কাছে আশ্রয় নেন। এ সময় থেকে উম্মুল মুমিনিন খাদিজা (রা.)-এর সঙ্গে ব্যবসা শুরুর আগ পর্যন্ত প্রাত্যহিক জীবনের দারিদ্র্য তাকে বার বার আঘাত করতে থাকে। সব শেষে তার আশ্রয়দাতা আবু তালিবের মৃত্যুর পর তিনি দিশাহারা হয়ে পড়েন। রসুলুল্লাহ (সা.) যখন মদিনা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং অল্প দিনের মধ্যে মক্কাসহ সমগ্র হিজাজ, ইয়েমেন, নুফুদ, হাইল, নজদ প্রভৃতি অঞ্চলের ওপর নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে একজন ক্ষমতাধর শাসক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন তখন জাগতিক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য, অর্থবিত্ত ও ক্ষমতা তার পায়ের কাছে চলে এলো। জীবনের এ সুখময় ক্ষণে তিনি সব সময় তার অতীত জীবনের সফল স্মৃতি বার বার স্মরণ এবং তার প্রতি প্রদত্ত আল্লাহর নিয়ামতের স্মরণ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যমে তার উম্মতের জন্য অনুকরণীয় এবং পালনীয় দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন।

আপনার প্রাত্যহিক জীবনের অসংখ্য ঘটনা স্মরণ করে আপনি আলহামদুলিল্লাহ বলতে পারেন। খুব ভোরে আপনি যখন ঘুম থেকে ওঠেন তখনো আপনার চোখে ঘুমের রেশ থাকার কারণে চোখ দুটি খুলতে হয়তো একটু দেরি করেন। কিন্তু ততক্ষণে আপনার দেহের পেশিগুলো ধীরে ধীরে সচল হয়ে গেছে, আপনার মস্তিষ্কও কাজ করতে শুরু করেছে। এ সময় আপনি সাধারণত একটু গড়াগড়ি করেন। তারপর গতকালের ঘটনা স্মরণ করেন। এরপর আজকের দিনের করণীয় নিয়ে মস্তিষ্ককে তৎপর করেন। যদি আপনার তাড়া থাকে তবে তিড়িং বিড়িং লাফ মেরে আপনি বিছানা থেকে উঠে পড়েন। আর আপনার যদি হতাশা কিংবা কাজের কোনো তাড়া না থাকে তবে শুয়ে শুয়ে গড়াগড়ি দিতে দিতে আকাশকুসুম কল্পনায় আপনি বহু হাতি-ঘোড়া মেরে রাজা-উজিরের বারটা বাজিয়ে হাপিত্যেশ করতে থাকেন। এ অবস্থায় নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে চোখ খোলার আগে আপনি কয়েকটি বিষয় চিন্তা করুন। আপনি যখন ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তখন কার্যত আপনি ছিলেন মৃত। জাগ্রত হওয়ার আগে আল্লাহ দয়া করে আপনার রহটি আপনাকে ফেরত দেন। দ্বিতীয়ত, বেশির ভাগ মানুষের হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয় ঘুমন্ত অবস্থায় এবং ভোর রাতের দিকে। অন্যদিকে কিয়ামত সংঘটিত হবে ভোররাতে। কাজেই ঘুম থেকে জেগে আপনি যদি আল্লাহকে ধন্যবাদ দেন রুহুটি ফেরত দেওয়ার জন্য এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন হার্ট অ্যাটাক কিংবা কিয়ামতের ধ্বংসযজ্ঞ থেকে সেদিনের মতো বেঁচে যাওয়ার জন্য, তখন দেখবেন আপনার অন্তর আল্লাহর নুরে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।

ঘুম থেকে উঠে অজু করেন। তারপর নামাজ পড়ে নিজের সব দুঃখ-কষ্ট-যাতনা, চাওয়া-পাওয়া, পরিকল্পনা, আশা-আশঙ্কার কথা আপনার মাতৃভাষায় বিনয়ের সঙ্গে সুন্দর সুন্দর শব্দমালা দিয়ে আল্লার কাছে উপস্থাপন করুন কখনো উচ্চৈঃস্বরে আবার কখনো নিম্নস্বরে কিংবা ফিসফিসিয়ে। আপনার এ মোনাজাতের ধরন হবে এমন যেন মহান আল্লাহ পরম বন্ধুরূপে আপনার সামনে রয়েছেন। আপনি আপনার মালিককে বলুন, প্রাণ খুলে বলুন, আবদারের সুরে এমনভাবে বলুন যা আপনি দুনিয়ার কাউকে বলতে পারেন না। দেখবেন বলতে বলতে আপনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন, আপনার অন্তরের সব বেদনা পানি হয়ে আপনার নাক-চোখের অশ্রু হয়ে যাবে। আপনি হয়ে পড়বেন প্রশান্তচিত্তের কৃতজ্ঞ এবং আত্মপ্রত্যয়ী একজন মানুষ।

মোনাজাত শেষ করে আপনি কারও সঙ্গে কথা বলবেন না। প্রশান্ত মন নিয়ে আপনি চলে যান বেলকনিতে কিংবা ছাদে। এবার আকাশের দিকে তাকান। তারপর চারদিকটায়। কিছু পাখিকে দেখবেন উড়তে। আপনার কানে ভেসে আসবে হরেকরকম পাক-পাখালির ডাক। এরপর আপনার দৃষ্টি জমিনে নামিয়ে আনুন। আশপাশের বৃক্ষ-তরুরাজি, মাটি ও মানুষের দিকে তাকান এবং পুনরায় আসমানের দিকে তাকিয়ে বলুন, আহ! দুনিয়াটি বড়ই সুন্দর যেন একটি আনন্দ ভুবন। আপনার চোখ, কান এবং অন্যান্য ইন্দ্রিয়ের কথা স্মরণ করুন যা না হলে পৃথিবীর সব রূপ, রস, গন্ধ আপনার অজানা থেকে যেত। সর্বশেষে নিজের মনকে বিনয়ী করুন, আপনার মালিককে ভালোবাসুন এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞ হয়ে বলে উঠুন আলহামদুলিল্লাহ।

প্রাত্যহিক জীবনের সব কাজ শুরুর আগে নিজেকে সাজান। শেভ, গোসল ইত্যাদি সারার পর পোশাক পরিবর্তন করে একটু আয়নার সামনে দাঁড়ান। মাত্র দু-তিন মিনিট। একটু সাজগোজ করুন। এ সময় গুনগুন করে প্রিয় কোনো গানের কয়েকটি লাইনে সুর তুলতে পারেন অথবা কোরআনের কোনো আয়াতে সুর তুলে তিলাওয়াত করতে করতে নিজেকে সজ্জিত করতে গিয়ে কেবল নিজের সৌন্দর্য নিয়ে ভাবুন। নিজেকে দেখুন এবং বলুন, আমি এক অনন্য মানুষ। আমি আল্লাহর দয়া, সাহায্য এবং করুণাপ্রাপ্ত একজন বান্দা; আল্লাহ আমায় ভালো রেখেছেন; অনেকের চেয়ে ভালো রেখেছেন- আলহামদুলিল্লাহ।

সকালের নাস্তার টেবিলে বসে আপনি টেবিলের খাবারের দিকে তাকান। স্মরণ করুন এই খাদ্যের জন্য অনেক মা সন্তানকে বিক্রি করে দেন, অনেক স্ত্রী স্বামীকে ছেড়ে চলে যান, অনেক স্বামী-পিতা ব্যর্থতা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন। এই সময়ে আপনি ফোনে কথা বলবেন না। স্ত্রী-সন্তান বা কাজের লোকের ত্রুটি খুঁজবেন না এবং দিনের কর্মসূচি ভেবে পেরেশান হবেন না। সময় নিয়ে নাস্তা করুন এবং খেতে খেতে একটু চোখ বুজে খাবার স্বাদ অনুভবের চেষ্টা করুন। আল্লাহকে স্মরণ করুন এবং মনে মনে বার বার আলহামদুলিল্লাহ বলুন।

ঘর থেকে বের হওয়ার আগে পরিবারের সদস্যদের দিকে তাকান, তাদের জন্য অন্তরটি মহব্বতে পূর্ণ করুন। তারা সবাই আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার জন্য নিয়ামত। তাদের ত্রুটিগুলো ভুলে যান এবং ভাবুন আপনি তাদের ভালোবাসেন এবং তারাও আপনাকে ভালোবাসে। আপনারা একে অন্যের সাহায্যকারী, আনন্দলোকের সঙ্গী এবং বিপদ-আপদ, অসুখ-বিসুখের সময় সাহায্যকারী। তারপর সালাম বিনিময়ের পর বিসমিল্লাহ বলে ঘর থেকে বের হন। বের হওয়ার আগে এক নজরে আপনার ঘরটি দেখুন। পরিবারের সদস্যদের দেখুন এবং মনে মনে বলুন, আলহামদুলিল্লাহ। আশা করা যায় আল্লাহর রহমত ও বরকতের চাদরে আপনি মোড়ানো থাকবেন। কোনো সফলতার পেছনে আপনাকে ছুটতে হবে না। বরং সফলতাগুলো ভিক্ষুকের মতো বার বার আপনার কদমে আছড়ে পড়বে আর আপনি সে দৃশ্য দেখে বলে উঠবেন- আলহামদুলিল্লাহ!

লেখক : কলামিস্ট

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা