শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০১ আগস্ট, ২০১৫

অতীত ঐতিহ্যে ফিরে আস

নূরে আলম সিদ্দিকী
অনলাইন ভার্সন
অতীত ঐতিহ্যে ফিরে আস

'এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান'। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতার উদ্ধৃতি দিয়ে শুরু করার প্রাসঙ্গিকতা হলো এই যে- চিন্তা-চেতনা মানসিকতার যোজন যোজন মাইল দূরত্ব সত্ত্বেও অনেকটা মননশীলতার গভীরে মিল খুঁজে পাই। মন ও মননশীলতার আঙ্গিক, চেতনার গভীরে অবহেলিত, প্রবঞ্চিত, অধিকারহারা মানুষের জন্য একটা গভীর মমত্ববোধ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অকুতোভয় ও প্রতিবাদের প্রত্যয়বোধে উজ্জীবিত সত্তা রাজনীতিকের সঙ্গে যারা কবি-সাহিত্যিক, সংস্কৃতিমনা (যারা বিবেকবর্জিত স্তাবক, মোসাহেব নন), তারা রাজনৈতিক চেতনার আঙ্গিকের বাইরে একটা আবেগমিশ্রিত অনুভূতির জগতের অধিবাসী। তাই ভিন্ন ভিন্ন মতাবলম্বী এ গোষ্ঠীরা ক্ষমতায় পদাসিক্ত না হয়েও ইতিহাসে একদিন বরেণ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকেন।

এখন মূল প্রতিপাদ্যে আসা যাক। আমার বহু নিবন্ধে আমি অসংখ্যবার উল্লেখ করেছি, সুপরিকল্পিতভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনের সুদীর্ঘ পথপরিক্রমণের স্থপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু, বাস্তবায়নের মূল কারিগর ছিল ছাত্রলীগ। স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু ও ছাত্রলীগ একটি আরেকটির পরিপূরক, একটি অদৃশ্য রাখিবন্ধনে বাঁধা। একটা দুর্জয় শক্তির প্রজ্বলিত দৃষ্টান্ত। বঙ্গবন্ধুও বারবার সগর্বে উচ্চারণ করতেন, 'ছাত্রলীগের ইতিহাস স্বাধীনতার ইতিহাস'। এবারে অনুষ্ঠিত ছাত্রলীগের সম্মেলনে ক্ষমতাসীন নেত্রী সেই সত্যটি বিলম্বে হলেও প্রকাশ্যে উচ্চারণ করায় অনেকের মতো আমিও বিশ্বাস করতে চলেছিলাম, অবক্ষয়ের অতলান্তে নিমজ্জিত ঘনঘোর অমানিশার মধ্যে নিক্ষিপ্ত ছাত্রলীগের সব অর্জন ও গৌরবের ইতিহাস বিস্মৃত এবং নামে-বেনামে ব্যক্তিস্বার্থের হলাহল পান করে সামাজিকভাবে অচ্যুত পরিবেশ থেকে টেনে বের করে তাদের সূর্যস্নাত, অকুতোভয় তেজোদ্দীপ্ত অবয়বে প্রতিষ্ঠিত করার সর্বাত্মক চেষ্টায় তিনি ব্যাপৃত হবেন। শুধু ইঙ্গিত নয়, তার ভাষণে এটি ব্যক্তও হয়েছিল। এটাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবার অবকাশও কম ছিল। তাই ছাত্রলীগের শুভাকাঙ্ক্ষী, শুভানুধ্যায়ীদের মনে ক্ষীণ হলেও একটা ইতিবাচক আশাবাদ প্রতিস্থাপিত হয়েছিল, ছাত্রলীগ মেধাবী, প্রগতিশীল, অকুতোভয় নেতৃত্বের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তার অতীতের সোনালি ঐতিহ্যের আদলে নির্মিত হবে। কিন্তু নেতৃত্ব ঘোষণার অব্যবহিত পরে ইথারে ভেসে আসা ছাত্রলীগের অসংখ্য ত্যাগী নেতা-কর্মীর দীর্ঘ নিঃশ্বাসই শ্রুত হলো। যোগ্যতা-অযোগ্যতার প্রশ্নে আমার বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা আমি দেব না। তার কারণ সর্বজনজ্ঞাত। ইতিমধ্যে আমি যে কথাটি অবহিত হয়েছি সেটি হলো, কোটারি বা সিন্ডিকেটের আবর্তের বাইরে থেকে বা উলি্লখিত সিন্ডিকেটের আশীর্বাদপুষ্টদের বাইরে থেকে নেতৃত্ব পাওয়াটা এখনো দুঃস্বপ্নেরই নামান্তর বলে তারা মনে করছেন। অসংখ্য নেতা-কর্মী যে প্রত্যয়, প্রতীতি, মননশীলতা ও মানসিকতা নিয়ে সমুদ্রের উচ্ছ্বসিত উর্মিমালার মতো সম্মেলনে সমবেত হয়েছিলেন, তারা হতাশার নির্দয় দহনে দগ্ধিভূত হয়েছেন।

আমি হতাশাবাদীদের পক্ষে নই। সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত না হলেও ছাত্রলীগের সফলতা আমাকে উজ্জীবিত করে, এর সুনাম আমাকে গৌরবান্বিত করে। ঠিক তেমনি এদের মূল্যবোধের অবক্ষয়ে ডুবতে দেখলে আমার বুকের পাঁজরটা টনটন করে ওঠে। একটা যন্ত্রণার ঢেউ আমার অনুভূতির সৈকতে নির্মমভাবে আঘাত করে। এত অভিযোগ শোনার পরও আমি ইতিবাচকভাবে নতুন নেতৃত্বকে প্রত্যয়দৃঢ় চিত্তে এ কথাটি শোনাতে চাই, তোমরা রাজনৈতিক সংগঠনের অঙ্গসংগঠন হইও না, বরং বর্তমান অবরুদ্ধ অবস্থার প্রাচীর ভেঙে তোমরা বেরিয়ে এসো। তোমাদের পূর্বসূরিরা বাঙালি জাতীয় চেতনার উন্মেষ, বিকাশ, ব্যাপ্তি ও সফলতার সূর্যস্নাত সৈনিক। তাদের রাজনীতির উপাদান ছিল আদর্শ এবং একান্তভাবেই আদর্শ। ব্যক্তিস্বার্থ, নেতিবাচক ধারণা, কী পেলাম, এটি তাদের চিন্তার আবর্তে কখনো আসেনি। বরং দেশকে কী দিতে পারলাম, কতটুকু দিতে পারলাম- শুধু এ চেতনাটি মরুভূমির নিষ্কলুষ সূর্যোদয়ের মতো তাদের চিত্তকে উদ্ভাসিত করত। স্তাবকতা, স্তুতি, বন্দনা, ভর্তিবাণিজ্য, হলে আসন বরাদ্দ, টেন্ডারবাজি এবং নানারকম অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তোমাদের পূর্বসূরিদের কোনোরকম পরিচিতিই ছিল না। আর ছিল না বলেই তারা আওয়ামী লীগ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত ৬ দফাকে জাতির মুক্তিসনদ হিসেবে গ্রহণ করে সারা বাংলাদেশে স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতার সোপান অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছিল। ডান, বাম সব রাজনীতি যখন ৬ দফার প্রচণ্ড বিরোধিতা করছিল তখন ছাত্রলীগই এ মাটি ও মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের বন্ধনটি তৈরি করে। আজকে যারা নৌকায় চড়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হয়েছেন, আজকে যারা ক্ষমতাসীন নেতৃত্বের চারপাশে শুধু পরিবেষ্টিতই নন, অক্টোপাসের মতো গ্রাস করেছেন, যারা একদিন আমাদের মুজিব ভাই ও তাঁর প্রাণপ্রিয় সংগঠন ছাত্রলীগকে সিআইর দালাল, ভারতের অনুচর, সংকীর্ণতাবাদী এমনকি তার চামড়া দিয়ে জুতা বানানো, হাড্ডি দিয়ে ডুগডুগি বানানোর মতো স্পর্ধিত উক্তি করতে দ্বিধাবোধ করেননি, তাদের স্পর্ধিত উক্তির জবাবেই শুধু নয়, বাঙালির জাতীয় চেতনাকে রাজনীতির শাণিত অস্ত্র হিসেবে প্রস্তুত করার জন্য তোমাদের পূর্বসূরিদের সারা দেশে চারণ কবির মতো গাইতে হতো- 'এ মাটি আমার সোনা, আমি করি তার জন্মবৃত্তান্ত ঘোষণা', 'সে কবির বাণী লাগি কান পেতে আছি, যে আছে মাটির কাছাকাছি', 'বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি তাই পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর'।

আমাদের মুজিব ভাই ৬ দফা আন্দোলনের অগ্রদূত, হিমাচলের গিরিশৃঙ্গমালার মতো মাথা তুলে, মেরুদণ্ড খাড়া করে বলতেন, 'বুকের সব রক্ত উজাড় করে দেব, ৬ দফার একটি দাঁড়ি-কমার প্রশ্নেও আপস করব না।' ৭ মার্চে তার বজ্র নির্ঘোষিত ঘোষণা ছিল, 'আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না, বাংলার মানুষের মুক্তি চাই'। তার হৃদয় থেকে উৎসারিত এ চেতনার আঙ্গিক ছিল তোমাদের পূর্বসূরি ছাত্রলীগ। বঙ্গবন্ধুর শক্তি, সাহস, উদ্দীপনা ও প্রেরণা সবটুকুরই কেন্দ্রবিন্দু ছিল ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগই বঙ্গবন্ধুকে সামনে রেখে প্রচণ্ড বিরোধিতার মুখে সত্তরের নির্বাচনের আগে সশস্ত্র বিপ্লবের ডাকের প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে বাংলার আপামর মানুষের কাছে একক নেতৃত্ব হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে প্রতিস্থাপিত করতে সক্ষম হয়েছিল। তোমাদের পূর্বসূরিরা ছাত্রলীগের একক নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করতে পেরেছিল বলেই সব প্রতিবন্ধকতার প্রাচীর চূর্ণবিচূর্ণ করে ১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত অপ্রতিরোধ্য গণআন্দোলনের মাধ্যমে এমন একটি বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল, পাকিস্তানিদের কুটিল ষড়যন্ত্র ও ২৫ মার্চের পৈশাচিক সামরিক আক্রমণকে বাঙালি জাতি প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছিল। পৃথিবীর ইতিহাসে একটি স্বাধীনতা আন্দোলনে জনগণকে সম্পৃক্ত করে গতানুগতিক সামরিক যুদ্ধে নয়, বাংলার জাগ্রত জনতার জীবনবাজি রাজনৈতিক প্রতীতির লড়াইয়ে বিজয়ী হয়েছিল।

সুপ্ত নির্লিপ্ত বিবেককে জাগ্রত করার জন্য তোমাদের আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি জন্মের পর থেকে এই বাংলার সব রাজনৈতিক অর্জনের সঙ্গে ছাত্রলীগ সবচেয়ে অগ্রণী ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে। জিন্নাহর উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা বানানোর স্পর্ধিত উক্তির বিরোধিতা করেছিলেন তোমাদেরই পূর্বসূরি তৎকালীন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মঈনুদ্দীন আহমদ। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় তার পুরোধা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ও মওলানা ভাসানী (উদ্যোক্তা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী)। শেরে বাংলার মতো বলিষ্ঠ নেতৃত্বকে এর সঙ্গে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে ওই সময় ছাত্রলীগ বিশাল ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়। সেই নির্বাচনে খালেক নেওয়াজ, মরহুম কামরুজ্জামানসহ অনেক ছাত্রলীগ নেতা যুক্তফ্রন্টের মনোনয়ন লাভ করেন ও বিজয়ী হন। ৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে যার নির্দেশে মিছিলের ওপর গুলিবর্ষিত হয়, সেই মুখ্যমন্ত্রী নূরুল আমিনকে ছাত্রলীগ নেতা খালেক নেওয়াজ নির্মমভাবে পরাজিত করেন। '৫৮ সালে সামরিক শাসন জারি হওয়ার পর রাজনৈতিক নেতাদের EBDO করা হলেও ছাত্রলীগ সন্তর্পণে তাদের সাংগঠনিক তৎপরতা অব্যাহত রাখে। '৬১ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে গ্রেফতার করা হলে শিক্ষা আন্দোলনের আড়ালে সামরিক শাসন প্রত্যাহার ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মুক্তির মূল প্রবক্তা ছিল ছাত্রলীগ।

তারই উত্তরাধিকারিত্বের আলোকচ্ছটায় তোমাদের চিত্ত হোক, এটা আমি আল্লাহর কাছে কামনা করি। তোমরা কেন রাজনৈতিক সংগঠনের লেজুড়বৃত্তি করবে। আমি আগেও বলেছি, আজও পুনরাবৃত্তি করছি- সেদিনের লড়াই ছিল রাজনৈতিক। রাজপথের বজ্র নির্ঘোষিত স্লোগান মানুষের মননশীলতাকে স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত করেছিল। আজকের ছাত্রসমাজের চেতনার আঙ্গিক ভিন্ন। আজকে তাদের জ্ঞানসমৃদ্ধ, আদর্শের সূর্যস্নাত সৈনিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। আর তার জন্য প্রথম প্রয়োজন- মন ও মননশীলতা, নিষ্কলুষতা, আত্মসিদ্ধ চিত্তের বিকাশ। রাজপথের মিছিল নয়, মোসাহেবি, অর্চনা, বন্দনা নয়; আজকের রাজনীতির প্রতিপাদ্য বিষয় হওয়া উচিত আদর্শচিত্ত, জ্ঞানগরিমায় ভরপুর একটি নতুন প্রজন্মের বিকাশ। তোমাদের চক্ষু উন্মোচিত করে দেখতে হবে, যারা তোমাদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে, তাদের সন্তানেরা তোমাদের মতো মিছিলে হাঁটে না, বিদেশে পড়াশোনা করে। আর তোমরা তাদেরই ক্রীড়নক হয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হও! ছাত্র রাজনীতিকে এ দৈন্য থেকে বের করে শিক্ষাঙ্গনের পরিমণ্ডলকে বিশুদ্ধ করার দায়িত্ব তোমাদের, ছাত্রলীগের। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মতো তোমাদের হৃদয়ে ধ্বনিত হোক- 'চির উন্নত মম শির'। স্তাবকতার প্রাচীর ডিঙিয়ে সত্য ও আদর্শের অনুগামী হও। তোমাদের প্রতিজ্ঞা হোক- 'সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে ভালোবাসিলাম'।

তোমাদের জন্য আল্লাহর কাছে এ আমার ফরিয়াদ, তোমরা আগ্নেয়গিরির গলিত লাভার মতো প্রজ্বলিত হয়ে সব নৈতিকতাবিরোধী দুর্নীতি, দুর্বিচার, অগণতান্ত্রিক স্বেচ্ছাচারী মানসিকতার আবর্জনাকে পুড়িয়ে ভস্মীভূত করার উদ্যোগ নাও। ইনশাল্লাহ, পূর্বসূরিদের মতোই তোমরাও গৌরবের আসনে অধিষ্ঠিত হবে। এ মৌনশপথ হৃদয়ে ধারণ করে তোমরা প্রাণের স্বদেশকে বাসযোগ্য করে তোলার লক্ষ্যে ব্রতী হও- 'চলে যাব তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ/ প্রাণপণে পৃথিবীর সরাবো জঞ্জাল'।

লেখক : স্বাধীন বাংলা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের অন্যতম নেতা

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়