শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:০৫, শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২০ আপডেট:

পরাগের মায়ের মৃত্যু এবং...

আরিফুর রহমান দোলন
অনলাইন ভার্সন
পরাগের মায়ের মৃত্যু এবং...

পরাগের আম্মা আকস্মিকভাবে মারা গেছেন গত বৃহস্পতিবার। জানাজা, দাফনে অংশ নিতে পারিনি। তীব্র এক মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছি। কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। আপনজনের বিপদে-আপদে মানুষ আপনজনকে পাশে আশা করে। এটাই স্বাভাবিক। আর মাতৃবিয়োগের চেয়ে বড় বিপদ আর কি-ই বা হতে পারে! এমন এক সময়ে পড়ে রয়েছি রাজধানী ঢাকায়। কার্যত বাধ্য হয়ে। এযাবতকালের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ছোঁয়াচে করোনাভাইরাস জনিত রোগ থেকে মুক্ত থাকতে ও রাখতে কোয়ারেন্টাইনে থাকছি। বাধ্য হয়ে স্বেচ্ছায়, পরিজনের অনুরোধে এবং সরকারের উপর্যুপরি পরামর্শে। দুঃসময়ে পরাগের পাশে থেকে তাকে সঙ্গ দিতে পারলাম না। নিজেকে ব্ড্ড অপরাধী মনে হচ্ছে। 

নুরুদ্দীন পরাগ আমাদের খুব ভালো একজন কর্মী। কাঞ্চন মুন্সী ফাউন্ডেশন নিয়ে সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যখন দিনের পর দিন পথে প্রান্তরে ঘুরে বেড়িয়েছি, সব সময় পরাগ আমাদের সঙ্গ দিয়েছে। এরপর একজন ভাল রাজনৈতিক কর্মী হয়েও উঠেছে। যখনই গ্রামে যাই তখন আলফাডাঙ্গা উপজেলার হিদাডাঙ্গা গ্রামের পরাগ ছুটে আসে। কারণে, অকারণে সঙ্গ দেয় দীর্ঘ সময়। সেই পরাগের মায়ের মৃত্যুতে তার পাশে না থাকতে পারার যে যন্ত্রণা তীব্র থেকে তীব্রতর করে দিল তা তো ওই করোনাভাইরাসই। 
তবে কি করোনাভাইরাস আমাদের অসামাজিক করে দিচ্ছে? গোটা বিশ্বে মহামারি ঠেকাতে বিচ্ছিন্নকরণ পদ্ধতি একটি সাময়িক উপায় হয়তো। হতে পারে। কিন্তু এটি যদি দীর্ঘমেয়াদি হয়? তাহলে এর ফলাফল হবে ভয়াবহ। শুধু কি অর্থনীতি ভেঙে পড়বে? সামাজিক সম্পর্কও ভেঙে চুরমার হবে। পারস্পরিক অবিশ্বাস চরম আকার ধারণ করবে। 

তাই পারস্পরিক বিচ্ছিন্নকরণের পরিবর্তে পারস্পরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচার উপায় খুঁজতে হবে। 
করোনাভাইরাস কোথা থেকে এলো? কে বা কারা এর জন্য দায়ী? গ্লোবালাইজেশন বা বিশ্বায়নের কারণেই এই রোগ ছড়াচ্ছে, এমন অভিযোগ রয়েছে। একারণে অবিশ্বায়ন বা ‘দেয়াল তোলা’ নীতি নেওয়ার পক্ষে একটা জনমত সৃষ্টির চেষ্টাও আছে। কিন্তু বিশ্বায়ন সীমিত করে সংক্রমণ রোগ থেকে বাঁচা কি আদৌ সম্ভব? মোটেও না। বরং নিরন্তর তথ্য আদান-প্রদান, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের থেকে বিশ্বকে বাঁচানো বেশি সহজ। 

মহামারিতে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু এর আগেও একাধিকবার হয়েছে। ইতিহাস বারবার সেই সাক্ষ্য দেয়। একসময় গুটিবসন্ত গোটা বিশ্বেই আতঙ্কের নাম ছিল। ১৫২০ সালে মধ্য আমেরিকায় মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া গুটিবসন্ত রোগে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এরপর ভয়াবহ ‘ফ্লু’ আসে ১৯১৮ সালে। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে মাত্র কয়েক মাসেই ‘ফ্লু’ ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত হয় পৃথিবীর অর্ধশত কোটি মানুষ। প্রায় ১০ কোটি মানুষের প্রাণহানি হয় ‘ফ্লু’তে। এরপর তা নিয়ন্ত্রণে আসে। 

পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয়। বিশেষত, পরিবহন ব্যবস্থা এখন এত উন্নত যে নিমিষেই এক দেশের নাগরিক আকের দেশে যেতে পারেন। অত্যাধুনিক, আধুনিক শহরে তাই জীবাণুর সহজ প্রবেশ খুবই স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। বিশ্বায়ন যত বেশি হবে বিশ্বও ততো অরক্ষিত হয়ে উঠবে এটাই স্বাভাবিক। এরকম একটি অরক্ষিত, দুর্বিষহ পৃথিবীতেই এখন আমাদের বসবাস। এই পৃথিবীকে বাসযোগ্য করতে, সুরক্ষিত রাখতে আমাদের নিতে হবে বহুমুখী পদক্ষেপ। বিশেষত, তথ্য আদান প্রদান আর পারস্পরিক যোগাযোগ সম্পর্ক বৃদ্ধি করা। 

যেকোনো মহামারির বিরুদ্ধে মানুষের সম্মিলিত প্রতিরোধই এর বিরুদ্ধে বাঁচার উপায় হতে পারে। পরস্পর তথ্য বিনিময় করে জীবাণু গবেষক, চিকিৎসকরা মহামারি ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিষেধক বিভিন্ন সময় আবিষ্কার করেছেন অতীতে এবং বর্তমান ও ভবিষ্যতেও তা করবেন এটিই আমাদের আশা। 

চিকিৎসাবিজ্ঞানী, গবেষক, স্বাস্থ্যকর্মী সবাই মিলে একযোগে কাজ করে সারা দুনিয়ার মহামারির তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে গবেষণা করেছেন বলেই মাত্র দুই সপ্তাহে করোনাভাইরাস সম্পর্কে গোটা বিশ্ব জানতে পেরেছে। বিজ্ঞানীরা এই নতুন ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করতে পেরেছে এবং ভাইরাস আক্রান্ত মানুষকে শনাক্ত করার পরীক্ষা-নিরীক্ষাও রপ্ত করে ফেলেছে। মহামারি করোনাভাইরাসের প্রতিষেধকও অতি দ্রুত আবিষ্কার হয়ে আমাদের ব্যবহার উপযোগী হবে- এই আশা আমরা তাই করতেই পারি। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৭৯ সালে বিশ্বব্যাপী গুটিবসন্ত নির্মূলের ঘোষণা দেয়। অথচ আর এক দশক আগেই ১৯৬৭ সালে প্রায় দেড় কোটি মানুষ গোটা দুনিয়ায় গুটিবসন্তে আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে মৃত্যু হয় ২০ লাখ লোকের। এরপর আবিষ্কৃত হয় গুটিবসন্তের টিকা। ৫৪১ সালে গোটা দুনিয়ায় জাস্টিনিয়ান প্লেগ ভয়াবহ আকারে আসে এবং ৫ কোটি মানুষের প্রাণহানি ঘটায়। তখন বিশ্বের জনসংখ্যাই ছিল ১০ কোটি। এই সময়ে যারা বেঁচে ছিলেন তারা নাকি মূলত বিচ্ছিন্নকরণ পদ্ধতি অবলম্বন করেই ইতিবাচক ফল পান। জাস্টিনিয়ান প্লেগের ৮০০ বছর পর আবার প্লেগের প্রকোপ শুরু হয় দুনিয়া জুড়ে। ১৯৪৭ সালে এটি ইউরোপে আঘাত হানে। পরে চার বছরে অন্তত ২০ কোটি মানুষের মৃত্যু হয় এই মহামারিতে। ‘ব্ল্যাক ডেথ’ নামে এই প্লেগ মানুষকে অনেক ভুগিয়েছে। উপর্যুপরি গবেষণা, তথ্য আদান-প্রদান আর বিজ্ঞানীদের নিরলস প্রচেষ্টায় এই মহামারির বিরুদ্ধেও মানুষের জয় হয়েছে। তবে তখনও আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টিন নিয়ম চালু করে অনেক সুফল পাওয়া গেছে। যদিও ব্ল্যাক ডেথের পরবর্তী ৩০০ বছর ধরে নির্দিষ্ট সময় পর পর প্লেগের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে ইংল্যান্ড। 

কলেরা, ম্যালেরিয়া, ইবোলা, ডেঙ্গু কি আমাদের কম ভুগিয়েছে? কিংবা চিকনগুনিয়া? ১৮১৭ সালে রাশিয়ায় মহামারি আকারে শুরু হওয়া কলেরা পরবর্তীতে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে যায় এবং অন্তত ২০ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়। পরবর্তীকালে উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি এবং প্রতিষেধক আবিষ্কার করে একে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। উন্নত বিশ্বে কলেরা নির্মূল হলেও অনুন্নত দেশগুলোতে এখনো তা রয়ে গেছে। কারণ পর্যাপ্ত স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ খাবার পানির পুরোপুরি ব্যবস্থা করতে না পারা। 

তবে সকল মহামারির বিরুদ্ধেই মানুষ লড়ছে। আর মূল শক্তিই হলো একতা। একে অপরকে সহযোগিতা করার মানসিকতা। সীমান্ত বন্ধ করে দিয়ে, তথ্য গোপন করে, বৈশ্বিক যোগাযোগ শিথিল করে মহামারির প্রকোপ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না। ‘আইসোলেশন’, ‘কোয়ারেন্টিন’ কি দীর্ঘায়িত করা সম্ভব? তাহলে তো মধ্যযুগ কিংবা প্রস্তর যুগে ফেরত যেতে হবে আমাদের। সেটা কি আদৌ সম্ভব? 

বরং আমাদের উচিত হবে আরো মানবিক হওয়া। বিপদগ্রস্তদের পাশে আরো বেশি করে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা। বৈশ্বিক সাহায্য-সহযোগিতা, পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে সুরক্ষা অর্জন বেশি সহজ বলেই আমার মনে হয়। যেমন, যে দেশ মহামারিতে বেশি আক্রান্ত তার উচিত তথ্য গোপন না করা। আর যেসব দেশ কম আক্রান্ত তার উচিত ক্ষতিগ্রস্ত দেশের পাশে সবভাবে দাঁড়ানো। সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব বৃদ্ধিই হতে পারে এখন সবচেয়ে বড় শক্তি। আতঙ্ক, অবিশ্বাস আর বিচ্ছিন্নতার নীতি থেকে সরে আসি সবাই। এই হোক করোনা ভাইরাস থেকে আমাদের শিক্ষা। 

লেখক: সম্পাদক, দৈনিক ঢাকা টাইমস, ঢাকা টাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম ও সাপ্তাহিক এই সময়।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

৩৬ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

৪৩ সেকেন্ড আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ
নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ

১১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা
ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা

২৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

৩৬ মিনিট আগে | পরবাস

রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু
রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৪১ মিনিট আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা

৫৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান
নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা