শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:২৬, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২০ আপডেট:

করোনাকালের কথন: একটি কোভিডিয়ট ব্যবস্থার উপাখ্যান

কাজী এস. ফরিদ
অনলাইন ভার্সন
করোনাকালের কথন: একটি কোভিডিয়ট ব্যবস্থার উপাখ্যান

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ বিশ্বব্যাপী মহামারি আকার ধারণ করার প্রাক্কালে মার্চ মাসের শুরুর দিকে আরবান ডিকশনারি ‘কোভিডিয়ট’ নামে একটি অপমানজনক নুতন শব্দের ব্যবহার শুরু করে। তাদের মতে, কোভিডিয়ট হচ্ছে সেই সব ব্যক্তি যারা কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও নিজ নিজ দেশের সরকার কর্তৃক প্রদত্ত নীতিমালা ও নির্দেশনা মেনে চলে না। এই সব ব্যক্তি জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নীতিমালা উপেক্ষা করে, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলে না, অহেতুক ভয়-ভীতি ছড়ায়, অন্যের কথা না ভেবে প্রয়োজনের অনেকগুণ বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী কিনার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে, অযৌক্তিক সব খবর বিশ্বাস করে, যাচাই না করে ভুল ও মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করে, প্রয়োজনীয় সতর্কতা গ্রহণ না করে অন্যের ক্ষতির কারণ হয়, ও হিরোইজম প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে কোন কোন সময় মানবসেবার নামে  হাস্যকর কাজ করে। তারা করোনাভাইরাসকে অস্বীকার করে, মনে করে তাদের যেহেতু কোন শারীরিক অসুস্থতা নাই এবং যেহেতু তারা বয়স্ক নয়, তাই তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হবে না। আবার ব্যক্তির পাশাপাশি কোন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান, এমনকি সরকার ব্যবস্থাও কোভিডিয়ট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে পার।

সরকার ব্যবস্থাও যে কোভিডিয়ট হতে পারে তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, ইতালি ও ফ্রান্স। করোনাভাইরাসকে যথাযথভাবে গুরুত্ব না দেওয়ার মাশুল তারা এখন হাড়ে হাড়ে দিচ্ছে। 

পরিসংখ্যান বলছে, এই ৪টি দেশেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও এর কারণে মোট মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। আমাদের সরকার ব্যবস্থাও যে কোভিডিয়ট তা আমাদের কর্মকাণ্ডে এবং আমাদের আইন প্রণেতাদের বক্তব্যে  প্রমাণিত হচ্ছে। এই বছরের ৭ জানুয়ারি চীনের উহান শহরে শনাক্ত হওয়ার পর করোনাভাইরাস ইউরোপ-আমেরিকা ঘুরে আমাদের দেশে প্রবেশ করে ৮ মার্চ। সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত এই ভাইরাস বিশ্বের ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে প্রায় ২৪ লক্ষ ১৪ হাজার ৬০৫ জন ব্যক্তিকে সংক্রমিত করে প্রাণ নিয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ১৭৪ জনের। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার আগে প্রস্তুতি নওেয়ার জন্যে আমরা ২ মাসের ও বেশি সময় পেয়েছিলাম । কিন্তু এত সময় পেয়েও পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না নিয়ে আমরা বোকামির পরিচয় দিয়েছি যার জন্যে হয়তো আমাদের চড়া মূল্য দিতে হবে।   

আমাদের আইন প্রণেতারা করোনাভাইরাসের ভয়াবহতাকে উপহাস করে বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য প্রদান করে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করেছেন। তাদের সুমধুর বচনগুলো ছিল,‘আমাদের দেশে করোনাভাইরাস আসবে না’, ‘আমাদের প্রস্তুতি অনেক উন্নত দেশের চেয়েও ভাল’, ‘সরকার সময়মতো সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বিধায় দেশে সংক্রমণ কম  হয়েছে’, ‘করোনা মারাত্বক রোগ নয় - এটা সর্দি- জ্বরের মত’, ‘আমরা করোনা রুখে দিয়েছি’, ‘আমরা করোনার চেয়েও শক্তিশালী’, ‘করোনা প্রতিরোধে ঢাকা বিমানবন্দরের মত ব্যবস্থা উন্নত দেশগুলোতেও নেই’, ‘করোনাভাইরাস মারাত্বক নয়, ছোঁয়াচে’, ইত্যাদি। একজন মেয়র লন্ডন থেকে এসেছেন। তাঁকে এয়ারপোর্টে নাকি কিছুই বলা হয়নি এবং তিনি নিজেও নাকি জানতেন না যে তার হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা দরকার। যথারীতি তিনি তার সকল কাজকর্ম স্বাভাবিক সময়ের মত চালিয়ে গেছেন।  

সরকারি বিভিন্ন সিদ্ধান্তেও দ্বিধাগ্রস্ততা ও অপরিকল্পনার ছাপ স্পষ্ট। জনগণকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা না দিয়ে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় তারা এই ছুটিকে স্বাভাবিক সময়ের মত ছুটি মনে করে নিজ নিজ অবস্থানে থাকেননি। তাছাড়া গণপরিবহন বন্ধ না করে ছুটি ঘোষণা করায় মানুষ দলে দলে উৎসবমুখর পরিবেশে গ্রামে চলে গেছে এবং ঢাকা থেকে করোনাভাইরাস গ্রামে নিয়ে গেছে। সব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাদের ঢাকায় থাকা-খাওয়ার নিশ্চয়তা নাই তারা না হয় গ্রামে গেলেন, কিন্তু বাকিরা এটাকে ছুটি মনে করে আনন্দ করার নিমিত্তে গ্রামে গেছেন। কেউ কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে বেড়াতে চলে গেছেন। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও অনেকেই অনাকাঙ্খিত ছুটি পেয়ে এই দলে যোগ দিয়েছেন। সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে বলা হল, সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ঘরের বাইরে যাওয়া যাবে না। সাধারণ মানুষ মনে করল তাহলে মনে হয় দিনে বের হওয়া যাবে। তাই গত কয়েকদিন যাবৎ বিশেষ করে ঢাকা শহরে মানুষের বাইরে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে। ব্যাংকিং সেবা মাত্র ২ ঘণ্টার জন্যে চালু থাকায় অনেক মানুষ একসাথে ব্যাংকে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। এতে ব্যাংকাররা সংক্রমণের ঝুঁকিতে বেশি পড়ছে। তার চেয়ে সপ্তাহে একদিন সারাদিনের জন্যে খোলা রাখাটাই বেশি যৌক্তিক হবে। আবার নিজেরদের লাভ ঠিক রাখার জন্যে গার্মেন্টস মালিকরা হাজার হাজার গার্মেন্টস শ্রমিককে ঢাকা-গ্রাম-ঢাকা দুইবার আনা-নেওয়া করেছে। এটা হতে দেওয়ায় সরকার অনেক বড় একটা নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়েছে।

যেখানে জনসমাগম এড়ানোই করোনাভাইরাস প্রতিরোধের অন্যতম একটা উপায়, সেখানে একজন সিভিলি সার্জন ঘটা করে মেয়ের বিয়ে দিয়ে জনসমাগম ঘটিয়েছেন। একটা বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ডাক্তারবৃন্দ ‘করোনা ওয়াক’ এর নামে মিছিল করেছেন। করোনা প্রতিরোধে কোন কোন রাজনৈতিক সংগঠনও নাকি মিছিল করেছে! সেখানে তারা হয়ত বলেছেন, 'করোনার চামড়া তুলে নিবো আমরা' অথবা 'একটা একটা করোনা ধর, সকাল-বিকাল নাস্তা কর'। আর আমাদের মহাজ্ঞানী ও মহানীতিধর নির্বাচন কমিশন তিনটা সংসদীয় আসনে গত ২১ মার্চ উপনির্বাচনও করে ফেলেছেন। অবশ্য দুষ্টু লোকেরা বলতে পারেন, অন্তত ঢাকায় উপনির্বাচনে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। কারণ সেখানে প্রতি ঘন্টায় নাকি একজন ভোটার এসেছিল! 


বর্তমান সময়ে পৃথিবীর সব জাতি-গোষ্ঠীর মানুষই মোটামুটি কোভিডিয়ট আচরণ করছেন। তাই আমরা খবরে শুনতে পাই, কেউ কেউ কয়েকশ টয়লেট পেপার-হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিনছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কিনে ঘর ভর্তি করছে, ইত্যাদি। তবে এই ক্ষেত্রে আমরা মনে হয় সবাইকে ছাড়িয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছি। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর আমাদের অজ্ঞতা, মূর্খতা, ও অশিক্ষার নির্লজ্জ বহিঃপ্রকাশ হয়েছে। সাধারণ মানুষ যারা আমজনতা নামে পরিচিত তারা মনে হয় সকল সীমা অতিক্রম করছে। তারা হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিকে দেখার জন্যে চিড়িয়াখানার মত হুমড়ি খেয়ে পড়ছে, ঘরের দরজা-জানালার ফাঁক-ফোকর দিয়ে উঁকি দিচ্ছে, হাসপাতালের আইসোলেশন বেড - প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন থেকে পালিয়ে যাচ্ছে, বিদেশ-ফেরতরা হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার কথা থাকলেও অনেকে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়িয়েছে - আত্বীয়-স্বজনের বাড়িতে ঘুরতে গিয়েছে, অনেকে এখনও বাজারে-মোড়ের চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছে, করোনা নিয়ে তর্ক করে মারা যাচ্ছে - অনেক আহত হচ্ছে, যারা স্বাভাবিক সময়ে নামাজ পড়ে না তারাও এখন মসজিদে যেতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে, ইত্যাদি। সবচেয়ে হাস্যকর যে কাজটা করছে তা হল, নিজ নিজ এলাকা লকডাউনের নামে রাস্তা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়ে সামাজিক দূরত্বের মাথা খেয়ে ২০-২৫ জন একসাথে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছে, একসাথে পার্টি করছে। কেউ কেউ বড় আকারের জনসমাগম  করে ত্রাণ দিচ্ছে, কোন কোন জায়গায় একজন ত্রাণগ্রহীতাকে ত্রাণ বিতরণ করছে ১৫-২০ জন ত্রাণদাতা! তারা পুলিশ-প্রশাসন-সেনাবাহিনীর সাথে লুকোচুরি খেলছে। সবার ঘরে থাকা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল আসলে তারা দৌঁড়ে পালিয়ে যাচ্ছে, আবার টহল চলে গেলে দলবেঁধে পুরোদমে আড্ডা চালিয়ে যাচ্ছে। কখনো কখনো আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী না বললেও কেউ কেউ ভয়ে নিজে থেকেই কান ধরে উঠবস করে তাদেরকে বিপদে ফেলছে। 

কোভিডিয়ট এর বিপরীতে কোভিডিয়েন্ট নামে আরেকটি শব্দ প্রচিলত হতে যাচ্ছে। কোভিডিয়েন্ট হচ্ছে ঐ সমস্ত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সংগঠন, বা  সরকার ব্যবস্থা যারা কোভিড-১৯ কে গুরুত্বের সাথে নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা কঠোরভাবে মেনে চলছে। উন্নত বিশ্বের মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি কোভিডিয়েন্ট সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে জার্মানি, নিউজিলান্ড ও জাপান। জাপান ছাড়াও আমাদের এশিয়ায় আছে ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভুটান। জার্মানিতে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ দেখা দেওয়ার পূর্বে জানুয়ারিতেই জার্মান সরকার করোনাভাইরাস শনাক্তে ব্যাপক হারে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়। সে কারণে ইউরোপের বড় বড় দেশগুলোর মধ্যে জার্মানিতে মৃত্যুর হার অনেক কম। করোনা মোকাবিলার জন্য যত দ্রুত সম্ভব আমাদের কোভিডিয়ট আচরণ পরিত্যাগ করতে হবে এবং ব্যক্তি, সংগঠন, সকল প্রতিষ্ঠান ও সরকার ব্যবস্থাকে কঠোরভাবে কোভিডিয়েন্ট হতে হবে। যে দেশগুলো সফলভাবে করোনাভাইরাস মোকাবিলা করছে, আমাদের সরকার ব্যবস্থার উচিত হবে কালক্ষেপন না করে অতিদ্রুত তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তাহলেই কেবলমাত্র আমরা করোনা-যুদ্ধে জয়লাভ করতে পারব বলে মনে হয়। এর অন্যথা হলে আমাদেরকে অনেক চড়া মূল্য দিতে হবে, যেটা দেয়ার স্বক্ষমতা হয়ত আমাদের নাই।   


লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।  email:[email protected]

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

৩৬ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

৪৩ সেকেন্ড আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ
নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ

১১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা
ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা

২৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

৩৬ মিনিট আগে | পরবাস

রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু
রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৪১ মিনিট আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা

৫৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান
নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা