শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:১৭, রবিবার, ২০ জুন, ২০২১

বাবা দিবসে, বাবা হবার গল্প

আবু তাহের খোকন
অনলাইন ভার্সন
বাবা দিবসে, বাবা হবার গল্প

রুমী মা হবে আর আমি বাবা। অনুভূতিটা ছিল অন্য রকম।

ধীরে ধীরে আমার সন্তান রুমীর গর্ভে বেড়ে উঠছে। তাকে নিয়ে কত পরিকল্পনা। আমি তখন বড় বোনের কাছে থাকি। বোনের ছয় মেয়ে। রুমীরাও সাত বোন। তাই স্বাভাবিকভাবেই সবার চাওয়া ছিল, আমাদের একটা ছেলে সন্তান হোক। রুমীর প্রশ্ন- তুমি ছেলে চাও নাকি মেয়ে? আমি বললাম, আমার কাছে ছেলে-মেয়ে কোন বিষয় নয়। আল্লাহর কাছে সুস্থ সন্তান চাই।
রুমীকে নিয়ে ডা. রওশনারা আপার কাছে গেলাম। ২০ জানুয়ারি শেষ চেকআপের দিন ডাক্তার আপা বললেন, রুমীর সুগার বেশি। শরীরে পানি জমে যাচ্ছে। দেরি করা ঠিক হবে না। তার কথা মতো রাতেই হলি ফ্যামিলিতে ভর্তি করে দিলাম। সকালে ডাক্তার আপা আসবেন। রুমীকে লেবার ওয়ার্ডে রেখে আমি আমার শাশুড়ি ক্যাবিনে চলে আসি। রাতে ঘুমের গভীরে মাকে স্বপ্নে দেখলাম। মা খুব আনন্দিত। খুব মজা করছেন। আমি ঘুমের ঘোরে নানান কথা বলছি। ঘুম ভাঙ্গলে দেখি পাশের সিটে আমার শাশুড়ি আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে। জিজ্ঞাসা করলেন তুমি কি তোমার মাকে স্বপ্ন দেখছিলে? জি বলতেই, বললেন তোমার মা আসছে, রুমীর মেয়ে হবে। কোন রকমে মুখ ধুয়ে অপারেশন থিয়েটারের সামনে অপেক্ষা করতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পর ডা. রওশনারা আপা নিজেই সদ্য ভূমিষ্ঠ বাচ্চাকে টাওয়েলে পেঁচিয়ে কোলে করে হাসতে হাসতে অপারেশন থিয়েটারের বাইরে এলেন। বললেন, খোকন তোমার মাকে নিয়ে এসেছি। সত্যিই সেসময় আমি আমার মাকে দেখতে পাচ্ছিলাম। যেনো আমার মা-ই এলেন। মায়ের নাম রাখা হলো তাসনিম তাহের মীম। এখনো মীমকে নাম নিয়ে নয়, মা বলেই ডাকি।

আমার দুই মা। একজন বড় মা অন্যজন ছোট মা।
রুমী আমার দুই মাকে পেটে ধরে আমাকে ধন্য করেছে। তাদেরকে লালন-পালন করার দায়িত্ব বলতে গেলে আমিই পালন করেছি। এ দায়িত্ব আমি আনন্দ নিয়েই পালন করতাম। কাজের বাইরে সবটুকু সময়ই ছিল মীমের জন্য। তার যত চাওয়া-পাওয়া, আনন্দ-ভালোবাসা, সব কিছুতেই আমি। আমার পরে ওর ছোট চাচা। মীমের স্কুলে যাবার বয়স হলে প্রথমে তাকে ধানমন্ডির একটা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ভর্তি করলাম। স্কুলের প্রথম দিন প্রচণ্ড বৃষ্টি ছিল। স্কুল ছুটি হওয়ার পর বাচ্চারা যার যার গাড়িতে করে বাড়ি চলে যায়। বৃষ্টি থামার অপেক্ষায় আমরা দুজন বসে আছি। দুই ঘণ্টা পর বৃষ্টি থামলে মোটরসাইকেলে চেপে আমরা বাসায় ফিরি। ছোট মানুষ মীম। স্কুলের প্রথম দিনেই মনটা খারাপ হয়ে গেলো তার। বৃষ্টির দিন। প্রায়ই বৃষ্টি হচ্ছে। বাসায় ফিরতেও তাই দেরি হয়। আমার মা বলেই ফেললো, বাবা বন্ধুদের গাড়ি আছে। আমাদের জন্যও একটা গাড়ি কেনো। প্রথমে গুরুত্ব দিইনি। মনে করেছিলাম, ছোটো মানুষ এমনটা বলতেই পারে। এক সময় মীমের চাওয়াটা বাড়তে থাকে। আমি তাকে গাড়ি কেনার আশ্বাস দিয়ে এক বছর পার করে দিলাম। একটা সময় এসে আমার আর ভালো লাগছিল না। পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্কুল পরিবর্তন করে বাসার কাছে বাংলা মিডিয়াম মনিপুর স্কুলে নিয়ে আসলাম। স্কুল পরিবর্তন করার বিষয়টা আমার নিজের কাছেই খারাপ লাগছিল। বাসার কাছে স্কুল। গাড়ি দূরে থাক, মোটরসাইকেলেরও আর দরকার হয় না। বাবা-মেয়ে গল্প করতে করতে রিকশায় আসা-যাওয়া করি।

আমার আত্বীয়-স্বজন এমনকি বন্ধু-বান্ধবদের কাছেও মীম খুব আদরের ছিল। মীমের জন্মের পর থেকে আমার জীবনে একটার পর একটা উন্নতি ও সাফল্য আসছিল। সবার আদরের হওয়ায় গাড়ি ছাড়া অন্য সব কিছুতেই মীমের আবদার চাওয়ার আগেই পূরণ করা হয়েছে। মীম এখন আর গাড়ির কথা ভাবে না।

মীম ক্লাস ফাইভে বৃত্তি পেয়েছে। এক রাতে দাওয়াত খেয়ে আসার সময় কাওরান বাজারে নিয়ে যাই তাকে। উদ্দেশ্য ছিল, রাতে পথশিশুরা কীভাবে গাড়ির নিচে, ঝুড়ির মধ্যে, ফুটপাতে ঘুমায় তা দেখুক মীম। পরদিন সকালে আবার কাওরান বাজারে নিয়ে যাই তাকে। বিয়ে বাড়ির ফেলে দেওয়া খাবার কীভাবে ভিক্ষুক আর টোকাইরা কিনে খায় তা দেখাতে। মীমকে বলি তুমি রাতে যে খাবার নষ্ট করেছিলে সেই খাবার পথ শিশুরা কীভাবে খাচ্ছে দেখ। মীম রাতের দৃশ্য দেখলো। সকালেও দেখলো। কিন্তু কোন কিছু বললো না। দুপরে খাওয়া দাওয়া করে অফিসে চলে আসি। রাতে ঘুমানোর সময় মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে মীমকে বললাম, তোমাকে গত রাত ও সকালের দৃশ্য কেন দেখালাম কিছু বুঝতে পেরেছো? মীম বললো, না। আমি বললাম, তুমিতো সব সময় ভালো খাবার খেয়েছো। ভালো কাপড় পরেছো। এসিতে ঘুমিয়েছো। গাড়িতে ঘুরবার চিন্তা করছো। এর বাইরেও যে একটা জগত আছে তা তোমার জানা দরকার। বিপদে পড়লে যেনো কখনো ভেঙে না পর। তাছাড়া মানুষের জন্য তোমার মনের মধ্যে ভালোবাসা বাড়াবে এসব দৃশ্য। সুখ অনুভব করবার জন্য অভাব-দুঃখ-কষ্ট অনুভব করতে হবে।

পরদিন সকালে স্কুলে যাবার জন্য ডাকতেই মীম প্রতিদিনের মত বলে, তুমি নামাজ পড়ে নাও। ছোট সময় থেকে মীমের অভ্যাস, ফজরের পর দোয়া পড়ে গায়ে ফু দিলে ঘুম থেকে উঠে স্কুলের জন্য তৈরি হয়। সেদিন মীমের ভিতরে পরিবর্তন দেখলাম। স্কুলে যাবার পথে যত জন অসহায় মানুষ দেখেছে সবাইকে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে সাহায্য করেছে। এভাবে প্রতিদিন সাহায্য করা একটা অভ্যাসে দাঁড়িয়ে যায় মীমের।
ঈদের পর স্কুল খুলেছে। যাবার পথে সাহায্য নেওয়ার মানুষগুলো সবাই এখনো আসেনি। মীমের মন খারাপ। বিশেষ করে বয়স্ক একজন মহিলার জন্য। এ মহিলাকে প্রায় দিনই মীম সাহায্য করে। বয়স্ক মহিলাটিও মীমকে অনেক আদর করে। কয়েক দিন পরে যাওয়ার পথে ঐ বয়স্ক মহিলাকে দেখতে পেয়ে মীম আনন্দিত হলো। দৌড়ে তার কাছে গিয়ে স্কুল ব্যাগ খুলে একটি শাড়ি বের করে দিল। ঈদের আগে জাকাতের জন্য আনা শাড়ি কখন জানি ঐ মহিলাকে দেবার জন্য ব্যাগে রেখে দিয়েছিল মীম। শাড়ি দিতে পেরে মীমের চেহারায় আনন্দ দেখতে পেলাম। তখন আমার মায়ের কথা মনে পড়ছিল। আমি আল্লাহর কাছে চেয়েছি মীম ওর দাদির মত হোক। আমার মা সারা জীবন মানুষকে দিয়ে গিয়েছেন।

মীমের বেড়ে উঠার মধ্যে আমাদের ছোট মা মরিয়ম এলো। মরিয়ম একটু আগে পৃথিবীতে আসায় দুর্বল ছিল। স্বাস্থ্যগত সমস্যার পাশাপাশি মরিয়মের মানসিক সমস্যাও ছিল। শারিরীক ও মানসিকভাবে বেড়ে উঠতে অনেক সময় লেগেছে তার। জন্মের পর মরিয়মকে আমার একটু বেশিই সময় দিতে হয়েছে। ছোট মায়ের নার্সিং দরকার। ডাক্তারের পরামর্শ মতো আমি নার্সিং করছি। অনেক সময় দিতে হচ্ছে। আমার মনে হলো, মীম আর আগের মতো নেই। বাবার জন্য পাগল মা কেমন যেনো একটু দূরে সরে গেছে। একদিন মীম তার মাকে বলেই ফেললো, বাবা আমাকে এখন আর ভালোবাসে না। বুঝতে পারলাম, মরিয়মকে এত বেশি সময় দেওয়াটা ভালোভাবে নিচ্ছে না মীম। তার ধারণা, বাবা আগের মতো ভালোবাসে না। বিষয়টা নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বললাম। কিছু পড়াশুনা করলাম। এ ধরনের সমস্যার কারণে অনেক বাচ্চা মানসিক অসুস্থতায় ভুগতে পারে। যা কিনা মীমের জন্য বিপদ হয়ে যেত। আমরা সবাই মিলে মীমকে মরিয়মের অবস্থা বুঝাতে লাগলাম। মীমকে সাথে নিয়ে মরিয়মের নার্সিং করতে লাগলাম। আল্লাহর রহমতে মীম এক সময় মরিয়মের খেলার সাথী হয়ে যায়।

সেই সময় বড় দুইটা ভূমিকম্প হয়ে ছিলো। মীম ভূমিকম্পকে ভীষণ ভয় পায়। ভূমিকম্প শুরু হতে সে আমাদের কিছু না বলে মরিয়মকে কোলে নিয়ে দৌড়ে নিচে নেমে যায়। কোথাও গেলে মীম মরিয়মের দিকে আলাদাভাবে খেয়াল রাখে। ওদের এই ভালোবাসা আমাদেরকে অভিভূত করে।
বাবার প্রতি মীমের একটু বেশিই ভালোবাসা। করোনার সময় বাবার জন্য সারাক্ষণ চিন্তা করে। অফিস থেকে বাসায় যাবার পথে আমি ফোন করে জানিয়ে দিই। মীম পানি গরম করে বাথরুমে রাখে। আমি সোজা বাথরুমে ঢুকে গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিই। এত সতর্কতার পরও আমার করোনা হলো। মরিয়মকে অনেক কষ্টে আমার কাছ থেকে সরাতে পারলেও মীমকে সরানো যায়নি। সবাই নিষেধ করলেও মীম মানতে চায়নি। আমার সব কাজ খাওয়া দাওয়া সব মীম করিয়েছে। আমার তখন ভীষণ খারাপ অবস্থা। ডায়াবেটিস বেড়ে যাচ্ছে, ইনসুলিন দিতে হচ্ছে। প্রথম প্রথম আমার ছোট ভাই করেছে। পরে ডায়াবেটিস মাপা ইনসুলিন দেওয়া মীম নিজেই করেছে। আমরা সবাই ওকে নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। আল্লাহর রহমতে মীমের কিছু হয়নি। আমি সুস্থ হয়েছি। ভালো আছি।

‘বাবা’ নামটির সাথে যেমন নির্ভরতা ও বিশ্বাস জড়িয়ে আছে। তেমনি বন্ধু হিসেবেও কিন্তু বাবা হতে পারেন অসাধারণ! যেকোনো সন্তান লালন-পালনে, মায়ের পাশাপাশি বাবাকেও তাই নিজস্ব দায়িত্বগুলো পালন করে যেতে হবে। সন্তান পরিবার থেকে প্রথমে যে শিক্ষাটা পায়, তা-ই সে সামাজিকভাবে কাজে লাগায়। বাবা মার সন্তানদের নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ভাবনা থাকতেই পারে। সেই স্বপ্ন সফল করতে যতই ব্যস্ততা থাকুক, দিন শেষে সন্তানের জন্য আলাদা করে সময় রাখতে হবে।

সন্তানকে সময় দিতে হবে, ভালোবাসা দিতে হবে, যাতে সে বাবা-মার অনুগত সন্তান হতে পারে। বর্তমানের অধিকাংশ বাবাই কিন্তু সন্তানের ভয়ের জায়গাটি ছেড়ে বন্ধুর জায়গাটি দখল করতে সক্ষম হয়েছেন! কিন্তু তবু ব্যস্ততা বা ভুল মানসিকতার জন্য, অনেক সন্তানই মনোজগতে বিকাশের ক্ষেত্রে সাথী হিসেবে বাবাকে পাচ্ছে না। সন্তানের নানা ধরনের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাবার দায়িত্ব অনেক। সন্তান আমাদের জীবনে সেরা উপহার।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জাকসু নির্বাচনে আরও নতুন ৩ প্যানেলের আত্মপ্রকাশ
জাকসু নির্বাচনে আরও নতুন ৩ প্যানেলের আত্মপ্রকাশ

এই মাত্র | ক্যাম্পাস

বিলুপ্তপ্রায় পাখনাবিহীন পর্পয়েজ বাঁচাতে লড়াই চালাচ্ছেন চীনা বিজ্ঞানীরা
বিলুপ্তপ্রায় পাখনাবিহীন পর্পয়েজ বাঁচাতে লড়াই চালাচ্ছেন চীনা বিজ্ঞানীরা

১১ সেকেন্ড আগে | পাঁচফোড়ন

মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

১৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

১৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৩৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৩৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

৪৫ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৫৪ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক
ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা