শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৩২, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৪

শুভ নববর্ষ

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
শুভ নববর্ষ

শুভ নববর্ষ। বাঙালি জাতির এক অনাবিল আনন্দের দিন। সেই কবে শুরু হয়েছে বাংলা নববর্ষ। একসময় এমন হয়েছিল ইংরেজি নববর্ষের চাপে অনেকে প্রায় বাংলা নববর্ষ ভুলতে বসেছিল। স্বাধীনতার পর বাংলা নববর্ষের অন্তর্নিহিত মহিমা ব্যাপ্তি ও বাহ্যিক জৌলুস অনেক বৃদ্ধি পেলেও এখনো বাংলা নববর্ষ একেবারে বাধামুক্ত সর্বজনীন হয়ে উঠতে পারেনি। আমরা বাঙালিরা, বাংলাদেশের নাগরিকরা ১৪ এপ্রিলকে বাংলা নববর্ষ পালন করলেও ভারতের বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাকেন্দ্রিক কিছু বাঙালি শুধু বাঙালি বললে ভুল বলা হয় তথাকথিত বাঙালি পন্ডিতরা ১৫ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ পালন করে। সেখানে তাদের এক মারাত্মক স্বার্থ জড়িয়ে আছে। তাদের পুঁথি পত্রপঞ্জিকা এসবের বহুদিনের ব্যবসা। সেজন্য ১৫ এপ্রিল তাদের বাংলা নববর্ষ। সে যা হোক বাংলা বাঙালির কৃষ্টি সভ্যতা ধারণ ও লালন করা আমাদের কাজ। একে ধর্মের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলা কারও জন্যই মঙ্গল নয়। যদিও নববর্ষ পালন নিয়ে নানারকম রং মেশানো হয় এবং যাদের স্বার্থ জড়িত তারা সে রং যতদিন পারবে ততদিনই কমবেশি মেশাবে। এটা চিরকালের কায়েমি স্বার্থের এক ফসল। এখান থেকে কারও মুক্তি নেই। তাই নববর্ষের সহজে মুক্তি আসবে সেটা ভাবা বা বলা যায় না।

নববর্ষের প্রভাতি অনুষ্ঠান এক হৃদয়কাড়া মন জুড়ানো ব্যাপার। খুবই ছোট থাকতে দীপ-কুঁড়িকে নিয়ে রমনার বটমূলে গিয়েছি। সেই বটমূলেও ক’বছর পরই বোমা ফাটানো হয়েছিল। সন্তান নিয়ে যখন রমনার বটমূলে ঘাসের ওপর বসতাম তখন এক অনাবিল প্রশান্তি আমাকে জড়িয়ে থাকত। এ পৃথিবীতে সন্তান না হলে সন্তান কী এটা কারও পক্ষেই উপলব্ধি করা সম্ভব না। এটা আল্লাহ প্রদত্ত এক অনুভূতি। ফুলের পাপড়ির মতো দুটি শিশু যখন একজন কোলে, আরেকজন পাশে বসত সে এক স্বর্গীয় অনুভূতি আমাকে আবিষ্ট করত। এরপর বেশ কয়েক বছর দীপ-কুঁড়ি আমার সঙ্গে নববর্ষের শুভ প্রভাতে এদিক ওদিক গেছে। কুঁড়িমণি তো মাঝে মাঝেই বলত ‘শুভ অববর্ষ। আব্বু আব্বু আমি অববর্ষে যাব।’ নববর্ষকে কুঁড়ি অববর্ষ বলত। ঠিক ওরই মতো কলিজার টুকরা কুশিমণি এটা ওটা হলে কেউ ভয় পেলে বা ছোটাছুটি করলে দৌড়ে এসে বলত ‘অসুমিনা নাই, অসুমিনা নাই।’ কুঁড়ি নববর্ষকে অববর্ষ বলত আর কুশি অসুবিধাকে অসুমিনা বলত। এসব আমাদের খুবই ভালো লাগত। কুঁড়ি-কুশি দুজনই বেশ বড় হয়েছে, ওদের ভাই দীপও বড় হয়েছে। শুধু আমরাই বড় হতে পারিনি। বাংলা নববর্ষের আরেক প্রধান অঙ্গ মঙ্গলযাত্রা। নানাভাবে সাজ পোশাক পরে আগে মুখোশ এঁটে এক বিশাল শোভাযাত্রা হতো। এখন নানা কারণে মুখোশ আঁটা বন্ধ হয়েছে।

এ ছাড়া শোভাযাত্রার সময় ও অন্যান্য নানা দিকে রাশ টানা হয়েছে। পৃথিবীর অবস্থাই তেমন ভালো না। এখন আমরা সভ্যতার কথা বললেও চরম অসভ্যতায় পৌঁছে গেছি। আমাদের মধ্যে আবেগ বিবেক মনুষ্যত্ব মানবিকতা কোনো কিছুই তেমন কাজ করে না। আমরা যা মুখে বলি তার অনেক কিছুই অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করি না। আমাদের আগে ভালোবাসা ছিল এক সুগভীর কঠিন বস্তুর চেয়েও শক্ত সাবলীল অক্ষয় অব্যয়, এখন ঠুনকো কাচের চেয়েও ভঙ্গুর। মুখে ভালোবাসার কথা বললেও বুকে ভালোবাসা নেই, হৃদয়ে ভালোবাসা নেই, রক্তে-কলিজায় ভালোবাসার লেশমাত্র নেই। এবার শুভ নববর্ষে টাঙ্গাইল ছিলাম। আমার ঘরের পাশেই টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান। এই শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২-এ একমাত্র কাদেরিয়া বাহিনীর কাছ থেকে অস্ত্র নেওয়ার জন্য যেদিন টাঙ্গাইল এসেছিলেন সেদিন। ওপরে লেখা ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আর নিচে ছিল কাদেরিয়া বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে এই গরিবের নাম। বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যার পর উদ্যানের সেই ফলকটি তুলে ফেলা হয়েছিল। অনেক দিন আর স্মৃতিফলক লাগানো হয়নি। বঙ্গবন্ধুর নাম আছে বলে বিএনপিরা লাগায়নি বা লাগাতে দেয়নি, আমার নাম থাকায় বহু বছর আওয়ামী লীগ সেদিকে যায়নি। গত বছর স্মৃতিফলকটি লাগানোর জন্য টাঙ্গাইল পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর বেশ কয়েকবার বলেছিল। তারপর সেদিন হঠাৎই দেখলাম উদ্যানে এক প্রস্তর ফলক লাগানো ইচ্ছে মতো নতুন আঙ্গিকে। সেখানে এই গরিবের নামগন্ধ নেই। টাঙ্গাইল টাউন হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। সেখানেও এই গরিবের নাম ছিল। এখন আছে কি না জানি না। কেন যেন সব মুছে ফেলার পাঁয়তারা। আমি যে ঘরে বাস করি বারান্দায় দাঁড়ালেই শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান চোখে পড়ে। সকাল থেকেই সুরের মূর্ছনায় সব মাতিয়ে তুলেছিল। মনে হয় মঙ্গলযাত্রা শুরু হয়েছিল সকাল ৮টায়। সে এক অসাধারণ দৃশ্য। এক অভাবনীয় প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা। ইদানীং লোকজনের কোনো কিছুতেই আগের মতো তেমন আগ্রহ উদ্দীপনা নেই। স্বাধীনতার আগে এবং কিছু পর পর্যন্ত যখন এই বাংলায় সাড়ে ৭-৮ কোটি মানুষ তখন আমাদের সভা-সমাবেশে যেমন লোকসমাগম হতো এখন দেশে জনসংখ্যা ১৭-১৮ কোটি এখন কোনো সমাবেশে তার চার ভাগের এক ভাগ লোকসমাগমও হয় না। কিন্তু পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে প্রচুর লোকসমাগম দেখলাম। তাতে পুরুষের চেয়ে মহিলার সংখ্যাই বেশি। বিশেষ করে সিঁদুর পরা মহিলার থেকে সিঁদুর ছাড়া মহিলার সংখ্যা অনেক অনেক বেশি। তাই এটা কোনো ধর্মের না, বৈশাখ আমাদের জাতির অস্তিত্বের। মঙ্গল শোভাযাত্রা কোনো ধর্মের নয়, এটা শুভযাত্রা। পুরাতন জীর্ণ বছরকে বিদায় দিয়ে সম্ভাবনাময় আলোকিত নতুন বছরের হাতছানি। তাই মঙ্গলযাত্রা না হয়ে শুভযাত্রাও হতে পারত বা হতে পারে। তাই এ নিয়ে দৌড়াদৌড়ি মোটেই কোনো কাজের কথা নয়।

আমাদের পারিবারিক জীবনে বহু বছর আমরা খুব হেসেখেলে কাটাতে পারিনি। আমাদের লেজ ধরে সব সময় কোনো না কোনো শক্তি বা অপশক্তি টানতে চেষ্টা করেছে। দাদু আলাউদ্দিন সিদ্দিকী ব্রিটিশ ভারতে মহাত্মা গান্ধীর একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন। আমি যেমন বঙ্গবন্ধুর শ্বাস-প্রশ্বাসে মিশে আছি, আমার দাদু আলাউদ্দিন সিদ্দিকী মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর সঙ্গে তেমনটা ছিলেন কি না জানি না। কিন্তু তাঁর একনিষ্ঠ বিশ্বস্ত একজন অনুরাগী রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝে আমার দাদুর হঠাৎ মৃত্যুর পর আমাদের পরিবার একেবারে অমাবস্যার ঘোর অন্ধকারে ডুবে যেতে থাকে। ’৪৩-৪৪ থেকে ’৬০ সালের মধ্যে আমার তিন ভাইবোন বিনা চিকিৎসায় মারা গেলে বাবা আবদুল আলী সিদ্দিকী অনেক মর্মযাতনা নিয়ে টাঙ্গাইল এসেছিলেন। ’৪৮ সাল থেকে টাঙ্গাইলের আকুরটাকুরপাড়ায় আমাদের বাস। টাঙ্গাইল এসেও মৃত্যু আমাদের পিছু ছাড়েনি।

’৬০-৬২ সালে আমার ছোটবোন নাজমা ৬-৭ বছরের পরীর মতো সুন্দর একটি মেয়ে কলেরায় মারা যায়। সেবার আমারও কলেরা হয়েছিল। কলেরা, বসন্ত, জন্ডিস, এই সেদিন করোনা কোনো কিছুই আমাকে অপছন্দ করেনি, সবকিছুর আমার সঙ্গে দেখা হয়েছে। ’৪৮-এ টাঙ্গাইল এসে আমরা ছিলাম খুবই অবহেলিত অনাদ্রিত। কেবল পাকিস্তান হয়েছে, মুসলিম লীগের প্রচন্ড বাড়বাড়ন্ত। তারাই দেশের মালিক মোক্তার। হঠাৎ করে দাদু মারা যাওয়ায় আমার বাবা তেমন স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারেননি। বাড়িতে অনেক জমিজমা থাকলেও দেখাশোনার দক্ষতা না থাকায় আমাদের অনেক কষ্ট হতো। ’৪৮-৪৯-এ বাবা আবদুল আলী সিদ্দিকী মোক্তারি পরীক্ষায় পাস করে রোয়াইল ছাতিহাটির আমির আলী খাঁর সহকারী হিসেবে টাঙ্গাইল কোর্টে মোক্তারি শুরু করেন। জনাব আমির আলী খাঁ স্বাস্থ্য গতরে একেবারে ছোটখাটো। কিন্তু মানুষটা ছিলেন দাড়িয়াপুরের কাঁচামরিচের চেয়েও ঝাল বা শক্তিশালী। ১৯৪৯ সালে হুজুর মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং জননেতা শামসুল হকের নেতৃত্বে ততদিনে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়ে গিয়েছিল। আর আমির আলী খাঁ ছিলেন সেই আওয়ামী মুসলিম লীগের এক নেতা। আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনের দেড়-দুই বছরের মাথায় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী প্রথমে পাকিস্তান, তারপর পূর্ব পাকিস্তানে আসেন এবং আওয়ামী মুসলিম লীগের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ শুরু করেন।

এখানে মজার ব্যাপার, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং শামসুল হকের চেয়ে আমাদের নেতা আমাদের রাজনৈতিক পিতা বঙ্গবন্ধুর সম্পর্ক ছিল সেই ছাত্রজীবন থেকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে বেশি। তাঁর মূল নেতা ফিরে এলে বঙ্গবন্ধুর রাজনীতিতে অনেক বেশি গতি সঞ্চারিত হয়। এ সময় প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন ঘোষণা করা হয়। ’৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব বাংলা বা পূর্ব পাকিস্তানে হুজুর মওলানা ভাসানী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। সেই যুক্তফ্রন্টই বাংলাদেশ বা অঙ্গ বঙ্গ কলিঙ্গের এই ব-দ্বীপের ভবিষ্যৎ রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ উলট-পালট করে দেয়। যুক্তফ্রন্ট নিয়ে পরে অন্য কোনো দিন অন্য কোনোখানে আলোচনা করব। এখন আলোচনা করি মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষের দিন নিয়ে। ৩০ রমজান ফজরের নামাজ শেষে মনে হয় শুয়েছিলাম। ৭টা সাড়ে ৭টার দিকে দীপ এসে বলল, আম্মুর শরীর খারাপ, তুমি আসো। পাশাপাশিই থাকি। গিয়ে দেখি বড় ছটফট করছে। চিররোগী আমার স্ত্রী নাসরীন। বুকে কষ্ট হচ্ছে। সোনিয়া ক্লিনিক থেকে আমাদের ছায়াসঙ্গী রুমন ডাক্তার নার্স নিয়ে এলে ডাক্তার প্রায় ১৫ মিনিট রোগীকে কিছুই জিজ্ঞেস করেননি। আমাদের কাছে এটা ওটা জানলেন। ডাক্তারি পরীক্ষা দেওয়ার মতো তিনি একের পর এক লিখেই চললেন। পুরো এক পাতা লেখার মধ্যে কোনো এক ইনজেকশনের কথা লেখা ছিল। তার দেখাশোনা শেষ হতেই মিরাজ নিয়ে এলো ডাক্তার তুষারকে। বেশ চটপটে খুবই ভালো মনে হলো। এর মধ্যেই তাকে ইনজেকশন পুশ করা হয়েছিল। আমি সিভিল সার্জনকে ফোন করেছিলাম। প্রথম অবস্থায় পাইনি। কিন্তু পরে পেয়েছিলাম। বড় ভালো লেগেছিল তার কথাবার্তা। ঈদের আগের দিন সবকিছু ফাঁকা, তারপরও তিনি ব্যবস্থা করেছিলেন। জীবনে প্রথম একেবারে মুমূর্ষু অবস্থায় স্ত্রীকে নিয়ে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের নতুন ভবনের পঞ্চম তলার সিসিইউতে গিয়েছিলাম। প্রথম কয়েক ঘণ্টা স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার কারণে বাহ্যিক কোনো খেয়াল ছিল না, কোনো কিছু তাকিয়েও দেখিনি। সাদা কালো লাল নীল কেমন যেন চোখের আড়াল হয়েছিল। সব দৃষ্টি সব চেতনা ছিল অসুস্থ স্ত্রীর প্রতি। নাসরীন ঘুমিয়ে পড়লে এদিক-ওদিক চোখ পড়ে। শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ টাঙ্গাইল চালু হয়েছে প্রায় দুই বছর। মনে হচ্ছিল দরজা-জানালা, চেয়ার-টেবিল, দেয়াল-ছাদ কোথাও বোধহয় কোনো দিন ঝাড়পোছ করা হয়নি। পঞ্চম তলার আইসিইউতে কোনো পর্দা নেই। অথচ কয়েক বছর আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি নিয়ে শুনেছিলাম, এক পর্দার দাম ৩৭ লাখ। তীব্র আলো আসছিল বলে জানালায় পর্দার বদলে কয়েকটা বিছানার চাদর বেঁধে দিয়েছিল। সেগুলোও নানা রংবেরঙের দাগ লাগা। শত শত কোটি কোটি টাকা খরচ করে দেশের প্রধানমন্ত্রীর নামে একটি মেডিকেল কলেজের এমন দুরবস্থা ভাবতেই কষ্ট হয়।

টাঙ্গাইলে ১০০ বেডের হাসপাতাল করেছিলেন জননেতা আবদুল মান্নান। টাঙ্গাইলের মানুষের জন্য সে ছিল এক অভাবনীয় ব্যাপার। চিকিৎসার জন্য আমরা ছুটতাম মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে। স্বাধীনতার পর টাঙ্গাইল জেলায় ১০০ বেডের হাসপাতাল হওয়ায় মানুষের বড় উপকার হয়েছিল। এখন মনে হয় টাঙ্গাইল জেলা হাসপাতাল ৫০০ বেডের। কিন্তু তেমন কোনো ঘর-দুয়ার হয়নি। শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হওয়ায় ১০-১২ তলার একটি বিশাল ভবন হয়েছে। তাতেই জীবনে প্রথম গিয়েছিলাম। আইসিইউর যা দশা তা দেখে আর অন্য কিছু নিয়ে আলোচনার ইচ্ছে নেই। জোহরের নামাজ পড়তে বাসায় এসেছিলাম। রোগী নিয়ে উঠবার সময় কিছুই চোখে পড়েনি। কিন্তু লিফট থেকে নিচতলায় নেমে আশপাশে যা দেখলাম তা এক ভাগাড়ের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। বেশ কয়েক বছর আগে অন্যান্য হাসপাতালেও অমন নোংরা দেখেছি। কিন্তু ইদানীং ঢাকা শহরে তেমন কোনো হাসপাতালই অমন নোংরা দেখি না। সে মেডিকেল কলেজই হোক বা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় অথবা অন্য কোনো সরকারি হাসপাতাল। কিন্তু টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের কথা একেবারেই ভিন্ন। যারা সিলিংয়ের কাজ করেছেন অমন সিলিং গ্রামগঞ্জে কোনো মরিচ পিঁয়াজ আলু পটোল ব্যবসায়ীর ঘরেও হবে না, ঘরের মালিক তা গ্রহণ করবে না। কিন্তু বাংলাদেশের বাপ তো মারা গেছেন সেই ’৭৫ সালে। এখন বোনকে কী বলব? যেখানে যে আছে কারও চোখ নেই, কোনো জিনিস বুঝে নেওয়ারও যোগ্যতা নেই। হাসপাতালে একমাত্র বেড ছাড়া বেডসাইড ক্যাবিনেটগুলো একেবারে মাছের বাজারের ব্যবসায়ীদের পয়সা রাখার বাক্সের চেয়েও খারাপ। সে এক হরিবল অবস্থা। তবে একটা কথা অবশ্যই বলব, ডাক্তার-নার্স যারাই ছিলেন তাদের সবার ব্যবহার ভালো, খুবই ভালো। অনেকে হয়তো বলবে, কাদের সিদ্দিকীর স্ত্রীর সেবাযত্ন তো হবেই এবং যেখানে স্বয়ং কাদের সিদ্দিকী উপস্থিত। কিন্তু তারপরও আমার মনে হয়েছে অবকাঠামো পয়ঃপরিষ্কার ঝকঝকে তকতকে না হলেও যারা তার সঙ্গে জড়িত বিশেষ করে ডাক্তার-নার্সদের অন্যদের ক্ষেত্রেও সেবাযত্নের মান নিশ্চয়ই যথেষ্ট ভালো।

আমার স্ত্রী নাসরীন যমজ বোনের একজন। সেজন্য মেয়েবেলা থেকেই নাকি কিছুটা দুর্বল। বাংলার ঘরে ঘরে শত সহস্র স্ত্রী স্বামী-সন্তানকে জড়িয়ে থাকে, জড়িয়ে রাখে। আমাদের ঘরে ব্যাপারটা প্রায় সম্পূর্ণ বিপরীত। আমার তিন ছেলেমেয়ে এখন বেশ বড় বড়।

উঠতে-বসতে মাকে শাসন করে। কিন্তু একটু শরীর খারাপ হলে তিনজনই পাগলের মতো মাকে নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আমি এখন আর স্ত্রীকে আলাদা করে ভাবতে পারি না। আমরা সবাই তার সেবায় লেগে যাই। ঈদের আগের দিন থেকে এ লেখা পর্যন্ত আমরা তার সেবাযতেœ লেগে আছি। প্রিয় পাঠক দোয়া করবেন আমার স্ত্রী যেন সুস্থ হয়ে ওঠে।

লেখক : রাজনীতিক

www.ksjleague.com 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট

৪৫ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১৯ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়