শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:৫১, সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫ আপডেট: ০২:৫৩, সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫

বিশেষ লেখা

শান্তিদূতের জামানায় শান্তি কেন ফেরারি?

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
শান্তিদূতের জামানায় শান্তি কেন ফেরারি?

কেবল বাংলাদেশ নয়, গোটা বিশ্বকে বদলে দেওয়ার অভিপ্রায় শান্তিতে নোবেলজয়ী প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। আর বদলে দেওয়ার মাধ্যমটা হচ্ছে বিজনেস, সোশ্যাল বিজনেস। দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন, সোশ্যাল বিজনেস শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো বিশ্বকে বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। শুক্রবার সাভারের জিরাবো সামাজিক কনভেনশন সেন্টারে দুই দিনের ‘সোশ্যাল বিজনেস ডে’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ দৃঢ়তার কথা জানান।


সম্মেলনে শরিক হন বিশ্বের ৩৮টি দেশের এক হাজার ৪০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি।
যুদ্ধ-সংঘাতে মানুষ হতাশ হয়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে ড. ইউনূস বলেছেন, এতে বিশ্ব এগিয়ে যাওয়ার বদলে পিছিয়ে পড়ছে। তার পরও নতুন বিশ্ব গড়ার স্বপ্ন দেখার আহবান জানিয়ে পৃথিবীকে বদলে দিতে সব জাতিকে ভূমিকা রাখার আহবান জানান তিনি। সোশ্যাল বিজনেসকে স্বাবলম্বী হওয়ার একটি বড় উপায় বলে আবারও উল্লেখ করেছেন তিনি।


দিবসটি পালনে বিগত সরকারের আপত্তি ছিল। ৫ আগস্টের পর এবারই প্রথম দিবসটি পালন করতে পারছে সবাই। স্বাবলম্বী, সক্ষমতা, সম্প্রীতির জন্য এটি অবশ্যই আশা জাগানিয়া ব্যাপার। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস-আইইপি দিয়েছে হতাশার তথ্য।

তাদের প্রকাশিত এ বছরের গ্লোবাল পিস ইনডেক্স-জিপিআই, শান্তিসূচকে বাংলাদেশের অবস্থান নিম্নমুখী। এ সূচকে গতবারের চেয়ে ৩৩ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান বৈশ্বিক শান্তি সূচকে ২.৩১৮ স্কোর নিয়ে ১২৩তম। গত বছর ১৬৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ছিল ৯৩তম স্থানে। কী দাঁড়াল অবস্থাটা? শান্তিতে নোবেলজয়ী তথা শান্তিদূতের দেশেই শান্তি সূচকের অবনতি ড. ইউনূসের জন্য বেমানান, অসম্মানের।


চ্যালেঞ্জেরও। চাইলে তিনি চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন সূচককে অসত্য প্রমাণের। আর চ্যালেঞ্জ জেতার একমাত্র পথ দেশকে শান্তির সিঁড়িতে নেওয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ। দেশের মানুষ মন-প্রাণ সঁপে তাঁকে সেই ম্যান্ডেট দিয়েই রেখেছে। জরিপটিতে কিন্তু স্বস্তি বা যুক্তির একটু জায়গা রয়েছে। সেটা মেলে বিশ্বের সুপার পাওয়ার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তুলনা করলে। ২.৪৪৩ স্কোর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে ১২৮তম স্থানে। নিজের তৃপ্তি নিজে খুঁজলে বলা যায়, শান্তিসূচকে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ।
বৈশ্বিক শান্তিসূচক নির্ণয়ে এবার আমলে নেওয়া হয়েছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তাকে। এতে বৈশ্বিক শান্তির গড় স্তর ০.৩৬ শতাংশ কমেছে। সূচক বলছে, শান্তিতে বরাবরের মতো শীর্ষে ইউরোপীয় দেশগুলো। টপ টেনের নাম্বার ওয়ানে  আইসল্যান্ড। দ্বিতীয় আয়ারল্যান্ড, তৃতীয় নিউজিল্যান্ড, চতুর্থ অস্ট্রিয়া, পঞ্চম সুইজারল্যান্ড। এরপর যথাক্রমে সিঙ্গাপুর, পর্তুগাল, ডেনমার্ক, স্লোভেনিয়া এবং দশম ফিনল্যান্ড। সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ পাঁচ দেশ—সুদান, কঙ্গো, দক্ষিণ সুদান, ইয়েমেন ও আফগানিস্তান। অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির মূল্যায়ন না করলেও কারো জানা-বোঝার বাকি থাকছে না, বিশ্বে দিন দিন শান্তি কমছে। দুনিয়ার নানা প্রান্তে নানা ধরনের অশান্তির বিস্তার ঘটছে। গত ১৭ বছরে গড় দেশভিত্তিক শান্তিসূচক ৫.৪ শতাংশ কমে গেছে, যা ২০০৮ সাল থেকে বৈশ্বিক শান্তির ধারাবাহিক পতনের ইঙ্গিত দেয়।

আইইপি বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে শান্তির এমন অবনতি ঘটেনি। এর মাঝেও আশাব্যঞ্জক দিক হচ্ছে, চলতি বছর ৭৪টি দেশের শান্তিসূচকে উন্নতির লক্ষণ দেখা গেছে। আইসল্যান্ড টানা ২০০৮ সাল থেকে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশের মর্যাদা ধরে রেখেছে। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চল টানা দশম বছরের মতো সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তা হওয়ারই কথা। কিন্তু আমাদের কেন এত অবনতি? কেন শান্তিসূচকে সবচেয়ে বেশি অবনতি বাংলাদেশের? এমন কী ঘটেছে যে ৩৩ ধাপ নিচে নেমে আসবে? যা এই সূচকের শুরু থেকে সর্বনিম্ন র‌্যাংকিং। এসব প্রশ্নের কিছু জবাব অবশ্যই আছে। গেল কয়েকটি বছর নানা যন্ত্রণা পোহাতে হয়েছে। গত বছর তো কেটেছে চরম অশান্তিতে। অশান্তির এ ধারাপাতের মাঝেই শান্তির নোবেল লরিয়েট ড. ইউনূসের রাষ্ট্রক্ষমতায় অভিষেক। নোবেল ছাড়াও আরো নানা গুণে-বিশেষণে বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতা তাঁর। ক্ষমতার এক বছর হবে হবে অবস্থা। এ সময়ের স্কেলে শান্তির নমুনা বা আশার পারদ ছিল ওপরে। 

তবে কি ড. ইউনূসের ম্যাটিকুলাসে গোলমাল ঘটেছে? নাকি সেখানে নতুন কোনো ক্যালকুলাস ভর করেছে? ম্যাটিকুলাস তাঁর খুব পছন্দের শব্দ। কোনো রাখঢাক না রেখে সরল স্বীকারোক্তির মতো বলেছেন, জুলাই-আগস্টে শেখ হাসিনার সরকারবিরোধী আন্দোলনটি ছিল ম্যাটিকুলাস। মানে সুপরিকল্পিত। যে পরিকল্পনায় ভুল থাকে না। আবার ড. ইউনূসের টোটাল লাইফ স্টোরিও বেশ ম্যাটিকুলাস-গোছানো। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ম্যাজিক্যালও। কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর ক্যালকুলেশনে ম্যাটিকুলাসের ছাপ শুরু থেকেই কম। ক্রমেই ঘাটতি। ম্যাজিক ফলছে না, ম্যাটিকুলাস পরিকল্পনার দেখা মিলছে না দেশ পরিচালনায়। বাংলা অভিধানে ম্যাটিকুলাসের অর্থ-অতিরিক্ত যত্নবান, খুঁটিনাটি বিষয়ে মনোযোগী, নিখুঁতভাবে ইত্যাদি।

ম্যাটিকুলাস আর ক্যালকুলাস শব্দ দুটি বাংলা ভাষায় প্রায় কাছাকাছি অর্থে ব্যবহার হলেও আসলে দুটির মেজাজ যে ভিন্ন, তা দেখা যাচ্ছে নোবেল লরিয়েট বিশ্বজোড়া কীর্তিমান-খ্যাতিমান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ক্ষেত্রে। ক্ষমতার প্রতি তাঁর কোনো মোহ নেই—এ কথা দেশে-বিদেশে বারবারই বলে আসছেন তিনি। এবার যুক্তরাজ্যে গিয়ে আরো যোগ করেছেন, ‘পরবর্তী সরকারের অংশ হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই তাঁর। জোর দিয়ে বললেন, তাঁর সরকারের কাজ হলো—সফল ও শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা, যা নির্বাচন দ্বারা সম্পন্ন হবে। তাঁর কথায় শান্তির কথা বেশি বেশি আসে বরাবরই। আসে উন্নয়ন-উন্নতি, স্বাবলম্বী হওয়ার কথাও।

প্রধান উপদেষ্টা ব্যক্তি হিসেবে নির্মোহ বলে প্রচারিত। বিপরীতেও কথা আছে। সেখানে চলে আসে কর মাফ, মামলা বাদ, বিশ্ববিদ্যালয়, ট্রাভেল এজেন্সির লাইসেন্স, প্রামীণ ব্যাংকে সরকারের মালিকানা কমানোর কথা।  এসব কাজের কারণে তাঁর নিজের স্বার্থ আর জাতীয় স্বার্থ একাকার হয়ে যাওয়ার কথা উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজেকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে একজন ‘জাতির শুভাকাঙ্ক্ষী’ হিসেবে উপস্থাপিত হয়ে আসছিলেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট, ব্যক্তিগত সুবিধা এবং জাতীয় স্বার্থকে তিনি একসঙ্গে মেলাতে চেয়েছেন, কখনো কখনো জাতীয় স্বার্থকে নিজের সুবিধার পেছনে রেখে। ব্যক্তিগত কিছু সুবিধার বাস্তবায়ন তিনি ঘটিয়েছেন। ট্যাক্স মামলায় অব্যাহতি ও কর মওকুফ একদম প্রকাশ্যে। প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আয়কর ফাঁকিসংক্রান্ত মামলায় অব্যাহতি দেওয়া হয়। বহু কোটি টাকার ট্যাক্স বকেয়া থাকা সত্ত্বেও একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে তাঁর ওপর থাকা কর মওকুফ করে দেওয়া হয়।

নোবেল পুরস্কারের কর মওকুফ আইন প্রণয়নও হয়েছে। যেখানে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তি করমুক্ত হবেন। এ ছাড়া গ্রামীণ ইউনিভার্সিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বহুদিন ধরে আটকে থাকা গ্রামীণ ইউনিভার্সিটির পূর্ণ অনুমোদন পাওয়া গেছে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই। এমনকি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ব আপত্তি থাকা সত্ত্বেও বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়। গ্রামীণ ব্যাংকের সরকারি নিয়ন্ত্রণ হ্রাস ও শেয়ার সংখ্যা কমানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই গ্রামীণ ব্যাংকের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ ছিল একটি বিতর্কিত ইস্যু। তাঁর নেতৃত্বে সরকার গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের শেয়ার কমিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয়, যাতে তাঁর প্রতিষ্ঠানের ওপর রাষ্ট্রীয় নজরদারি দুর্বল হয়। এতে ব্যাংকটির স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গ্রামীণ ম্যানপাওয়ারের লাইসেন্স নবায়ন ও সম্প্রসারণও হয়েছে।

ড. ইউনূস সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর জনশক্তি রপ্তানিতে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বিশেষত মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের নতুন বাজারে শ্রমিক পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, এই উন্নয়নের মূল উদ্দেশ্য কী শুধুই জাতীয় উন্নয়ন, নাকি এর পেছনে নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের লাভবান হওয়ার কৌশলও কাজ করেছে? ড. ইউনূসের চব্বিশের সাহসী ম্যাটিকুলাস পদক্ষেপের কয়েক বাক্যের প্রশংসা হতে না হতেই প্রশ্ন ছোড়া হচ্ছে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে দৃশ্যমান কী ভূমিকা ছিল তাঁর? জানতে চাওয়া হচ্ছে, দক্ষিণপন্থীদের প্রতি তাঁর দুর্বলতার হেতু কোথায়?  জবাবে জানাতে হচ্ছে, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য টেনিসে রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনারত ছিলেন। সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের জন্য সমর্থন জোগাতে তিনি বাংলাদেশ  ইনফরমেশন সেন্টার পরিচালনা করতেন। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশভিলের তাঁর নিজ বাড়ি থেকে প্রকাশ করতেন ‘বাংলাদেশ নিউজলেটার’।

ড. ইউনূস মোটেই বাংলাদেশবিরোধী বা পাকিস্তানপন্থী ছিলেন না। কিন্তু অবস্থা কোথায় গড়ালে প্রশ্ন জন্ম নেয়? নতুন করে জানাতে হয় পুরনো তথ্য? মুক্তিযুদ্ধকালে তাঁর ঘটনাবহুল দিনের কথা তাঁর লেখা ‘গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন’ আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থেও রয়েছে, যা মোটেই অসত্য বা বানোয়াট নয়। কিন্তু ম্যাটিকুলাসে ক্যালকুলাস ভর করলে প্রচার-প্রসারেও তা রক্ষা করা যায় না। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সাফল্য সরকার পরিচালনায়ও থাকলে এত প্রশ্ন আসত না। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার গত ১০ মাসে তাঁর ডজনখানেক বিদেশ সফরও প্রশ্নমুক্ত নয়। এই সফরগুলোর মধ্যে শুধু চীন সফরই ছিল দ্বিপক্ষীয় সফর। বাকিগুলোর বেশ কয়েকটিই বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অতি উৎসাহে আয়োজন করা। এত বিদেশ সফর এই নোবেলজয়ীর জন্য বড় ঘটনা না হলেও প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের জন্য ঘটনা। প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার আগে তিনি যখন নিজের খরচে বা আয়োজকদের খরচে বিদেশ ভ্রমণ করতেন, নানা পুরস্কার গ্রহণ করতেন, সেগুলো ছিল প্রশংসিত। এখন তা নয়। এ বাস্তবতা না বুঝলে, না মানলে ম্যাটিকুলাস নিরর্থক হয়ে যায়। এ দেশের মানুষ কাউকে মাথায় তুলতে সময় নেয় না, ছুড়ে ফেলতেও সময় নেয় না—এটি আরেক ক্যালকুলাস। তাঁর কাছ থেকে দেশপ্রেম ও ত্যাগের জনপ্রত্যাশার সঙ্গে না মেলার কারণেই এত কথা ও প্রশ্নবাণ, যা কারণে-অকারণে, যৌক্তিক-অযৌক্তিকে ভজঘট বাধিয়ে দিচ্ছে ড. ইউনূসের ম্যাটিকুলাস অভিযাত্রায়। 

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন

বিডি প্রতিদিন/নাজমুল

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

২২ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়