শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:২৫, শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪ আপডেট:

দুর্নীতিবাজ আর ঘুষখোরদের নাম মুখে নেয়া যেন পাপ

হাসিনা আকতার নিগার
অনলাইন ভার্সন
দুর্নীতিবাজ আর ঘুষখোরদের নাম মুখে নেয়া যেন পাপ

গ্রামের একটা প্রবাদ আছে, ‘ভাশুরের নাম মুখে নিলে পাপ’। আজকাল বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজ ঘুষখোরদের ক্ষেত্রে এ প্রবাদটা বেশ প্রযোজ্য। দুর্নীতিবাজ বা ঘুষখোরদের নিয়ে কথা বললেই মনে হয় মহাপাপ করে ফেলেছে। অথচ বিশ্বের মোড়ল দেশ যখন বাংলাদেশের প্রশাসন থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যক্তিদের নিয়ে কথা বলছে তা নিয়ে শক্তভাবে অবস্থান নিতে পারে না সরকার ও সে সকল প্রতিষ্ঠান, যারা এদের দুর্নীতিকে নীরবে সয়ে গেছে বা সয়ে যাচ্ছে। যদিও সরকার দলের নেতারা তাদের বক্তব্যে হালকাভাবে মানুষকে সান্ত্বনার বাণী দিয়ে বলেন, এসব ভূয়া মিথ্যা তথ্য। আর সাবেকদের নিয়ে সরকারের মাথাব্যথা কম তা আকার ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিচ্ছে।

সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান আজিজ আহমেদের উপর মার্কিনীদের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যুক্তি খণ্ডের বা আলাপচারিতা চলার মাঝেই দুদকের মামলায় পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করার নির্দেশ দিয়ে আদালতে নতুন চমক দিলেন। ঘটনাটা পুরনো আর এ বিষয়ে বেনজীর আহমেদ বলেছিলেন, ‘তার কোন সম্পত্তি অবৈধ নয়। যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে তার সম্পত্তি অবৈধ, তবে সে গ্রুপ বা ব্যক্তিকে বিনামূল্যে সম্পত্তি দিয়ে দিবে।’ এধরনের কথায় দুদকের মামলা ক্ষেত্রে একটা সংশয় থেকে যায় আর তা হলো, দুদক মামলার স্বপক্ষে যথাযথ প্রমাণ ও সাক্ষ্য প্রমাণ করতে পারে কিনা? সাধারণত দুদকের মামলা পরিচালনা বা রায় কার্যকর করা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে জনমণে। আদালত অঙ্গনে দুদকের মামলার নয়ছয় কোন গোপন বিষয় নয়। আবার অনেক সময় বলা হয়, ‘দুদকের মামলা মানে অবৈধ টাকাকে বৈধ করার সূবর্ণ সুযোগ।’ 

আজিজ আহমেদ বা বেনজীর আহমেদ বাংলাদেশের জন্য কোন একক উদাহরণ নয়। এ ধরনের রাঘব বোয়ালদের সংখ্যা দেশের প্রতিটি সেক্টরে অগণিত। আর এদের কাছে জিম্মি দেশের জনগণ ও সরকার। কেন জিম্মি তার উত্তর যেমন মানুষ জানে তেমনি সরকার ও অবগত। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে শেখ হাসিনার সরকার দুর্নীতি দমন করতে পারেনি। এ নীতি কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রীর একক নীতি হিসেবে প্রতীয়মান হয় মানুষের কাছে। আর কারো কাছে এ নীতির আদর্শবোধ আছে বলে মনে হয় না।

গণতান্ত্রিক দেশের একদলীয় শাসন ব্যবস্থা গণতন্ত্রকে যেমন দুর্বল করে তেমনিভাবে জনগণের সমর্থনকে উপেক্ষা করে প্রশাসন নির্ভর হয়ে দেশ চালাতে হয় সরকারকে। আর তখনি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সরকারকে জিম্মি করে তাদের ফায়দা লুটে নেয়। এ সত্যটা রাতের তারার মত সত্য হলেও স্বীকার করতে পারে না রাষ্ট্র ব্যবস্থা। কারণ বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সরকার প্রধান এসব প্রতিবন্ধকতা ভেঙে দিয়ে সোনার বাংলার গড়ার স্বপ্ন দেখেন বলেই তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করছেন তার স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে। 

তবে উন্নয়নের পথে হাঁটতে গিয়ে মানবিক উন্নয়ন না করে শুধুমাত্র ইট-পাথরের উন্নয়নকে প্রাধান্য দিলে তা কখনোই টেকসই হয় না। তার প্রমাণ বোধ করি বর্তমানের বাংলাদেশে। যার কিছু জলন্ত উদাহরণ রয়েছে সমসাময়িক কালে। 

বাংলাদেশের রেল ব্যবস্থাপনার চিত্র কতটা তথৈবচ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। স্টেশনের টিকেট নিয়ে কালোবাজারি, রেলের যন্ত্রপাতি কেনা, রেললাইনের উন্নয়ন স্টেশনের আশেপাশে অবৈধ স্থাপনা থেকে চাঁদাবাজিসহ রেল সম্পদের দখলবাজিতে সম্পৃক্ত রয়েছে রেলের সকল শ্রেণির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। টিকেটের কালোবাজির বন্ধ করতে মেশিনে টিকেট সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হলেও মেশিন প্রায় বিকল থাকে। কালোবাজারিরা সেনা সদস্যকে হেনস্তা করেছে তা এ সিন্ডিকেটের বিশেষ উদাহরণ। অন্যান্য সেক্টরের মত এ সেক্টরেও রয়েছে সিন্ডিকেট। আর এ সিন্ডিকেটের সদস্যরা একই স্টেশনে কাজ করে বছরের পর বছর। তাদের বদলি করার সাহস হয় না কারো। কারণ এদের হাত বেশ লম্বা। ঠিক একই অবস্থা দেশের বন্দর জাহাজ সেক্টরে। অথচ এক সময়ে বাংলাদেশের রেল ও শিপিং ছিল উল্লেখযোগ্য লাভজনক প্রতিষ্ঠান। অথচ চট্রগ্রাম বন্দরের শ্রমিক রাজনীতি ক্ষমতার অপব্যবহারের ধবংস করেছে এ সেক্টরকে। 

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের পরিস্থিতি নিয়ে জনগণ আতঙ্কিত দীর্ঘ সময় ধরে। ব্যাংক লুটেরাদের নামের দীর্ঘ তালিকা তৈরি হচ্ছে সময়ের পরিক্রমায়। তবে তাদের থেকে অর্থ ফেরত পাবার প্রক্রিয়া সেই আইনের মারপ্যাঁচ ঘুরপাক খাচ্ছে দিনের পর দিন। সমাধান হিসাবে অলাভজনক ব্যাংককে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে স্থিতিশীল ব্যাংকের ঘাড়ে। যার ফলাফল হিসাবে জনগণ আস্থা হারাচ্ছে দেশের ব্যাংক সেক্টরের উপর। এখানেই ক্ষান্ত নয় দুর্নীতিবাজরা। তাদের এসব অপকর্মের কাছে জিম্মি শুধু জনগণ নয়, সরকার ও বেকাদায় পড়ছে অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে সামাল দিতে গিয়ে।

রাজনীতি ও রাজনৈতিক নেতা শব্দগুলো এখন কেবল কাগজে কলমের ভাষা। জনগণের কথা বলার রাজনীতিবিদের বড় অভাব দেশে। ব্যবসায়ীদের রাজনৈতিক নেতা হবার খায়েশে কারণে সঠিক রাজনৈতিক নেতা তৈরি হচ্ছে না সমাজে। যার প্রমাণ মিলে যখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১১ বছরে দলের ১১ হাজার কর্মী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কেন এরা দল থেকে দূরে সরে গেলো, এর জবাব আওয়ামী লীগের নেতাদের অবশ্যই দিতে হবে।’

এ কথা কতটা দুঃখজনক তা বুঝতে পারলে স্থানীয় নেতারা নিজেদের জবাবদিহিতার বন্দোবস্ত করতে পারত। তারা তা করতে পারে না। কারণ রাজনীতি এখন ব্যবসাতে পরিণত হয়েছে। তাই আদর্শ নেতা ও কর্মীদের হটিয়ে যারা জয় বাংলার লেবাস ধরে আছে তারা দুঃসময়ের বন্ধু হবে না এটা যে অবধারিত সত্য তা জেনেও চুপ থাকে দলের নেতারা।

তাই আওয়ামী লীগের সমর্থনকারীদের আজকাল বলতে শোনা যায়, ‘আওয়ামী লীগ ছাড়া দেশে আর কোন দল নাই। তাদের দল ক্ষমতায় থাকবেই, অতএব নিজেদের অর্থ সম্পদ তৈরি করে আখের গোছানোর এটাই উপযুক্ত সময়।’ এ ধরনের চিন্তা ভাবনায় সত্যিকারের নেতা কর্মীরা নিজেদের আদর্শ হারিয়ে যাবার ভয়ে নীরব অবস্থান নিয়েছে বলে কর্মীরা হারিয়ে যাচ্ছে কালের ধারায়। অন্যদিকে ত্যাগী নেতাদের চেয়ে নব্য ব্যবসায়ী ক্ষমতাধর নেতাদের দৌরাত্ম সবখানেই বেশি। এদের সাথে সম্পর্ক রেখে ফায়দা নেয়ার চেষ্টা মানবিক উন্নয়নের অন্তরায় তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

মোটকথায় বাংলাদেশের এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে ঘুষখোর দুর্নীতিবাজদের প্রভাব নেই। তাই একজন আজিজ আহমেদ বা বেনজীর আহমেদের ঘটনা নিয়ে এখন আর বিস্মিত হবার কিছু নেই। বরং যারা ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন আর টাকা পাচার করে আজ দেশকে হুমকির মুখে ফেলছে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে সবাইকে। এ সাহসটুকু না থাকলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সামনে দাঁড়াতে পারবে না দেশের মানুষ। সামান্যতম দেশপ্রেম থাকলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে হবে পরিবার ও সমাজকে। তা না হলে আগামী প্রজন্ম দায়ী করবে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে থাকা পরিবার, সমাজ ও দেশকে। 

লেখক: কলাম লেখক  

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন