শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৩২, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪

বাফুফের নির্বাচন এবং আমাদের প্রত্যাশা

ইকরামউজ্জামান
অনলাইন ভার্সন
বাফুফের নির্বাচন এবং আমাদের প্রত্যাশা

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন পরিবেশ এবং পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সর্বত্রই আলোচনায় স্থান পাচ্ছে এখনই সময় চিন্তা-ভাবনার মধ্য দিয়ে সংস্কার করার। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। ইতিবাচক দিক হলো, এই বিষয়টিকে ঐক্যবদ্ধভাবে এখন সুযোগ মনে করা হচ্ছে।

অতীতে আর ফিরে যেতে চাইছেন না কেউই।
দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল। এই খেলাটি বছরের পর বছর ধরে ধুঁকছে। আর কেন ধুঁকছে এটি সাধারণ মহলেরও অজানা নয়।

সবাই চাইছেন পেশাদারি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ফুটবল ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসবে। খেলার প্রতি মানুষের আস্থা এবং বিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। ফুটবল জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের পথে টেকসইভাবে এগিয়ে যাবে।
দেশের ফুটবল হোক মানবিক।

এই চত্বরে প্রতিষ্ঠিত হোক বৈষম্যহীনতা এবং সক্ষমতা। এখনই সময় এই চত্বর থেকে অসংগতিগুলো সংশোধনের। নীতিগত সমন্বয়হীনতার জাল থেকে ফুটবল বেরিয়ে আসুক। ফুটবল চত্বরে অবসান হোক ব্যক্তি ও সমষ্টির স্বার্থের খেলা। এই চত্বরে একত্ববাদিতা বা একনায়কতন্ত্র নয়, সবাইকে সংযুক্ত করে ঐক্যবদ্ধভাবে উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে হবে।

ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করেন, করতে চান তার প্রমাণ তো ফুটবলে আছে।
মানুষ চাইছে ফুটবল শুধু ঢাকা এবং বড় বড় শহরে নয়, দেশজুড়ে আগের মতো মাঠে মাঠে গড়াক। ফুটবল হোক সবার নির্মল বিনোদনের মাধ্যম। চিন্তা-ভাবনা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানসিকতার পরিবর্তনের মাধ্যমে সম্ভব ফুটবলকে জাগিয়ে তোলা। ফুটবল এখনো দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। যেকোনো খেলায় ঘরোয়া আসরে খেলা চত্বরে যত বেশি মানুষের সমাগম হয়, এর চেয়ে অনেক বেশি হয় ফুটবলে!

দেশে ফুটবল চলছে লক্ষ্যহীনভাবে। দায়বদ্ধতা, জবাবদিহি, শৃঙ্খলা এবং সুশাসনের ক্ষেত্রে রয়েছে প্রচণ্ড ঘাটতি। সনাতনি ফুটবল সংস্কৃতি থেকে বের হতে না পারলে ফুটবল পারবে না জাতির প্রত্যাশা পূরণ করতে। ফুটবল তো শুধু একটি খেলা নয়, একটি লাভজনক শিল্পও। যেকোনো ট্র্যাডিশনাল অর্থনৈতিক প্রকল্পের চেয়ে এই শিল্পটি অনেক বেশি লাভজনক। ৫৩ বছরেও ফুটবলকে বিপণন করা সম্ভব হয়নি। এটি একটি ব্যর্থতা। এর জন্য প্রয়োজন পেশাদারি মনোভাবসম্পন্ন, মুক্তচিন্তার অধিকারী ফুটবল সংগঠক, যাঁরা মতৈক্যে পৌঁছে তাঁদের প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শিতার সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করবেন। ফুটবলকে যখন বিপণন করা সম্ভব, তখন এই চত্বরের ৭০ শতাংশ প্রতিবন্ধকতা আর থাকবে না।

দেশের ফুটবলের রুগ্ণ চেহারা। এর জন্য যে শুধু ফুটবল সংগঠকরা দায়ী, তা কিন্তু নয়, দায়ী ক্লাব কর্মকর্তা, খেলোয়াড়, কোচ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যরাও। বাফুফের গভর্নিং বডি তো ২১ সদস্যবিশিষ্ট। শুধু এই ২১ জনের কর্মকাণ্ডে তো ফুটবল আলোর মুখ দেখবে না। দেশের ফুটবল উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট সব মহলের আন্তরিকতা এবং সহযোগিতা।

ফুটবল সংগঠকদের মধ্যে অন্তঃকলহ, বিভিন্ন ধরনের মতপার্থক্য এবং বিবাদ আছে। এটি অস্বাভাবিক কিছু নয়। যেটি প্রয়োজন, সেটি হচ্ছে জাতীয় স্বার্থে বিভিন্ন ইস্যুতে একমত হওয়া। দেশের ফুটবল প্রশাসন বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে যথাযথ সহযোগিতা থেকে হরহামেশাই বঞ্চিত হচ্ছে। ফুটবল মাঠে শুধু দলীয় খেলা নয়, ফুটবলের ভালো প্রশাসনও এর ব্যতিক্রম নেই। স্ববিরোধিতা এবং আদর্শগত শূন্যতা দেশের ফুটবলের ক্ষেত্রে বড় একটি চ্যালেঞ্জ!

ঘরোয়া ফুটবলে দু-একটি ছাড়া ক্লাবগুলোর চেহারা হতদরিদ্র। ভালো দল গঠনের পাশাপাশি যদি ক্লাবগুলো আধুনিক করার, ভালো পরিবেশ সৃষ্টির দিকে নজর দিত, তাহলে সমর্থক এবং ভক্তরা আবার মাঠমুখী হতো। ক্লাবের সান্নিধ্য চাইত। এর একটি জ্বলন্ত উদাহরণ হলো বসুন্ধরা গ্রুপের ক্লাব বসুন্ধরা কিংস। তারা প্রথম থেকেই দেশি-বিদেশি সেরা খেলোয়াড় নিয়ে দল গঠনের পাশাপাশি ক্লাবের পরিবেশ, ফুটবল কার্যকলাপে আধুনিকায়ন, ফুটবলে বিজ্ঞানের ব্যবহার, খেলার মাঠ এবং একটি পর্যায়ে এসে আধুনিক নিজস্ব অ্যারেনা নির্মাণ করেছে। এই অ্যারেনা এএফসি এবং ফিফা অনুমোদিত। নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি সম্ভব হয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ থেকে দেশের ফুটবল উন্নয়নে সর্বাত্মকভাবে পৃষ্ঠপোষকতার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য। বসুন্ধরা গ্রুপ সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে শুধু নিজস্ব ক্লাবকে নয়, ক্রীড়াঙ্গনে অন্য অংশীদারদের দিকে যেভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, এটি নজিরবিহীন। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নতি এবং ভাবমূর্তি বৃদ্ধিকল্পে এই গ্রুপের ‘ডাইরেক্ট পৃষ্ঠপোষকতা’ বাংলাদেশের গত ৫৩ বছরের ক্রীড়া ইতিহাসে তুলনাহীন।

প্রথম থেকেই ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ফুটবল অন্তপ্রাণ মো. ইমরুল হাসান। এখনো ব্যস্ততার মধ্যে ছুটির দিনগুলোতে ফুটবল খেলেন আনন্দের সঙ্গে। পেশাদার মানসিকতাসম্পন্ন ক্লিন ইমেজের এই ব্যক্তিত্ব পেরেছেন সহযোগী সবাইকে পেশাদার মানসিকতায় একত্র করতে। তিনি বিশ্বাস করেন, উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে সবার পার্টিসিপেশনের কোনো বিকল্প নেই। এই ক্লাবের গভর্নিং বডিতে ‘আমি’ শব্দ ব্যবহার করা হয় না, ব্যবহার করা হয় ‘আমরা’। সাংগঠনিক দক্ষতার পাশাপাশি ক্লাব পরিকল্পনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা, জবাবদিহি, শৃঙ্খলা এবং সুশাসনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেই খেলতে নেমেই বিপিএলে একনাগাড়ে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ক্লাব। সৃষ্টি করেছে দেশের ফুটবলে নতুন ইতিহাস। ক্লাবটি দেশের ফুটবলে বড় ‘বিজ্ঞাপন’ হতে পেরেছে। বসুন্ধরা কিংস পরিচিত হয়েছে একটি ব্র্যান্ড হিসেবে।

বাফুফের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২৬ অক্টোবর। এটি ফিফার সম্মতিক্রমে অনেক আগেই নির্ধারণ করা হয়েছে। চার বছরের জন্য ১৩৩ জন কাউন্সিলর ২১ সদস্যবিশিষ্ট গভর্নিং বডির নেতা নির্বাচিত করবেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অস্থিরতা বিরাজ করায় বাংলাদেশ থেকে ফিফার কাছে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করা হয়েছিল। ফিফা এই আবেদনে সায় দেয়নি। জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে ঘোষিত তারিখে সব ধরনের প্রক্রিয়া ও নিয়ম অনুসরণ করে।

আসন্ন নির্বাচনে কোনো কোনো পরিচিত মুখ—যাঁরা ফুটবল ফেডারেশনে দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, তাঁরা কেউ কেউ রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অনৈতিকতা এবং দলীয় রাজনীতিকে ফুটবলে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনে নিজের থেকেই অংশ নিচ্ছেন না। কেউ আড়ালে গেছেন, কেউ দেশান্তরি হয়েছেন, কেউ জেলে আছেন, আবার কেউ বলেছেন অনেক বছর থাকলাম আর কত!

ফিফা এবং এএফসির দৃষ্টি এখন বাংলাদেশে নিবদ্ধ। তাদের কাছে প্রতিদিনের আপডেট আছে। ফিফা জানে গুরুত্বপূর্ণ পদে যাঁরা নির্বাচন করছেন। আসন্ন নির্বাচনের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো চারজন মহিলা ফুটবল সংগঠক এবার সদস্য পদে (১৫টি সদস্য পদ আছে) নির্বাচন করছেন। আরেকটি বিষয় হলো দেশের রাজনৈতিক দল ফিফার নির্বাচনে দলীয়ভাবে মাথা ঘামায়নি। রাজনীতি করেন এমন কারো পছন্দনীয় পার্টি থাকতে পারে, এটি তাঁর নিজস্ব ব্যাপার।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এটি প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে। এই নির্বাচনের আবার অন্য রকম গুরুত্ব। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ফিফার গাইডলাইন অনুযায়ী। ফিফা কখনো এ ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ এবং খবরদারি পছন্দ করে না। তাদের লক্ষ্য একটাই, ফুটবলের নেতা নির্বাচিত হতে হবে স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়। আর কাউন্সিলররাই তাঁদের ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত করবেন। আসন্ন নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সদস্য পদে শুধু ভোট হবে। সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে ভোটের প্রয়োজন নেই। দুজন প্রার্থী ছিলেন। এর মধ্যে একজন প্রার্থী শেষ পর্যন্ত কাউন্সিলরদের মনোভাব অনুধাবন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী ছিলেন গতবারের নির্বাচনে (২০২০) ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ভোটে নির্বাচিত, বসুন্ধরা কিংসের প্রেসিডেন্ট, মহানগরী লীগ কমিটি এবং পেশাদার ফুটবল লীগ কমিটির পরীক্ষিত চেয়ারম্যান জনপ্রিয় ফুটবল সংগঠক মো. ইমরুল হাসান। এবার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছিলেন শিল্পপতি থেকে ফুটবল সংগঠক, সাইফ স্পোর্টিংয়ের স্বত্বাধিকারী (সাইফ পাওয়ার বিপিএল থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে) এবং চট্টগ্রাম আবাহনীর পরিচালক তরফদার রুহুল আমিন। প্রথমে তরফদার সাহেব ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। জাঁকজমক অনুষ্ঠানে ঘোষণা দিয়ে এবং প্রচুর প্রেস কাভারেজও পেয়েছেন। এরপর তিনি জানিয়েছেন, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। অনেক নাটক মঞ্চায়ন করে কাউন্সিলরদের মনোভাব বুঝতে পেরে শেষ পর্যন্ত তিনি সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মো. ইমরুল হাসান। ইমরুল হাসানের প্লাস পয়েন্ট গত চার বছর তিনি দুটি কমিটিতে সবাইকে নিয়ে কাজ করেছেন, তাঁর কাজের ধরন সবার কাছে পছন্দনীয় হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, সবার সম্মতিতে তিনি প্রচুর পরিবর্তন এনেছেন। অনেক ইতিবাচক বিষয় সংযোজন করেছেন। এদিকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর অন্যতম হলেন তাবিথ আউয়াল। ২০১২ ও ২০১৬-তে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নিজে একসময় ফুটবল খেলেছেন। দায়িত্ব পালনকালে এই সংগঠক তাঁর মেধা এবং যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। ২০২০ উপনির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচন করলেও জিততে পারেননি। তাবিথ আউয়াল বৃহৎ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত থাকলেও ক্রীড়াঙ্গনে তাঁর দলীয় রাজনীতিকে টেনে আনেননি। এবার শুধু সময়ের ব্যাপার প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার। আমরা চাইব তাবিথ আউয়াল ও মো. ইমরুল হাসানের নেতৃত্বে নতুন কমিটি দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হবে।

লেখক : কলামিস্ট ও বিশ্লেষক, সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, এআইপিএস এশিয়া, আজীবন সদস্য বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন এবং প্যানেল রাইটার, ফুটবল এশিয়া

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন