শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:২২, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৪

বিমান দুর্ঘটনায় যেভাবে বেঁচে যান ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত

সুমন পালিত
অনলাইন ভার্সন
বিমান দুর্ঘটনায় যেভাবে বেঁচে যান ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত

জীবদ্দশায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের তীব্র সমালোচক ছিলেন অনেকেই। কর্তৃত্ববাদী হিসেবে তাকে ভাবতেন ফিলিস্তিনিদের কেউ কেউ। কারও কারও মতে তিনি ছিলেন আপসকামী। লড়াকু সংগঠন হামাসের অনেক সদস্য ইয়াসির আরাফাতের ধর্মনিরপেক্ষ মনোভাবে ছিলেন রুষ্ট। তবে ফিলিস্তিনি নেতার বিশাল ব্যক্তিত্বের কাছে তারা নীরব থাকতে বাধ্য হতেন। সেই সমালোচকরাও পরবর্তীতে স্বীকার করেছেন নেতা হিসেবে আরাফাতের জুড়ি নেই। কঠিন অবস্থার মোকাবিলা কিভাবে করতে হয় এ বিষয়ে তিনি ছিলেন অসামান্য প্রজ্ঞার অধিকারী। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালানোর পাশাপাশি আলোচনার মাধ্যমে সুবিধা আদায়ের কতিত্ব দেখিয়েছেন তিনি। নেতৃত্বের জন্য যে কারিশমা থাকা প্রয়োজন আরাফাত ছিলেন তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। 

ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণ করেছিলেন হজরত ঈসা (আ.) বা যিশু খ্রিস্ট। তাকে বলা হতো জনগণের রাজা। প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। জানা কথা যিশুর কোন রাজ্য ছিল না। কিন্তু জনগণের হৃদয় রাজ্যের অধিপতি ছিলেন তিনি। আরাফাত ছিলেন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তিনি বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের কাছে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো আরাফাত যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, গত কয়েক শতাব্দীতে তা কখনও স্বাধীন দেশ হিসেবে বিবেচিত হয়নি। সেই ১৯৪৬ সাল থেকে এ দেশটি ইসরায়েলিদের নাগাপাশে আবদ্ধ। ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তিচুক্তির পর আরাফাত দেশে ফেরার সুযোগ পেয়েছিলেন। সীমিত আকারের স্বায়ত্তশাসন পায় ফিলিস্তিনিরা। কিন্তু সে স্বায়ত্তশাসনও ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ইয়াসির আরাফাত নিজেই মৃত্যুর আগের তিন বছর অবরুদ্ধ জীবনযাপন করেছেন। তাকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ফিলিস্তিনি নেতার সদর দফতরে ট্যাংকের গোলা ছুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। 

আরাফাত ছিলেন দুনিয়ার একমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান- যিনি কখনও সামরিক পোশাক ত্যাগ করেননি। এমনকি প্রায় সর্বক্ষণ অস্ত্রবহনও করতেন তিনি। মাথায় আরবিয় স্কার্ফ, জলপাই রংয়ের ইউনিফরম এবং কোমরে রিভলবার, আরাফাতের অনুষঙ্গ বলে বিবেচিত হতো। ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের সময় আরাফাত তার অস্ত্র নিয়ে বিড়ম্বনার মুখে পড়েন। বিষয়টি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন তার সুবিখ্যাত আত্মজীবনীতেও উল্লেখ করেছেন। মাই লাইফ’ নামের ওই বইয়ের ৫৪২ পৃষ্ঠায় এ বিষয়ে বেশ মজাদার তথ্য রয়েছে। 

স্মর্তব্য যে, ক্লিনটনের সময় হোয়াইট হাউসে আরাফাতের সঙ্গে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিনের শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আরাফাত শান্তিচুক্তির সময়ও কাছে অস্ত্র রাখতে চেয়েছিলেন। আপত্তি করেন ক্লিনটন। তিনি তাকে বোঝাতে সক্ষম হন- শান্তি চুক্তির সময় আরাফাত হোয়াইট হাউসে অস্ত্র সঙ্গে নিয়ে এলে তা একটি ভুল ম্যাসেজ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তিনি আশ্বাস দেন, অস্ত্র ছাড়াই ফিলিস্তিনি নেতা হোয়াইট হাউসে নিরাপদ থাকবেন। 

ইয়াসির আরাফাতের অস্ত্র সঙ্গে রাখা নিয়ে একবার বেশ বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। শ্রীলংকা সফরে গিয়েছিলেন আরাফাত। তার সম্মানে সে দেশের প্রেসিডেন্ট মিস কুমারাতুঙ্গা এক ভোজসভার আয়োজন করেন। সে ভোজসভায় প্রেসিডেন্ট কুমারাতুঙ্গা রসিকতা করে আরাফাতকে বলেন, আশা করি, মি. প্রেসিডেন্ট এখন আর অস্ত্র সঙ্গে রাখেন না? এ রসিকতার জবাবে মৃদু হেসে আরাফাত তার পকেট থেকে রিভলবার বের করে টেবিলে রাখেন। যা দেখে চমকে ওঠেন উপস্থিত অনেকে। কারণ রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় কারোর অস্ত্র বহন অনুমোদনযোগ্য নয়। কিন্তু দুই প্রেসিডেন্ট এটিকে ‘জোক’ হিসেবেই নেন। তাতে অবশ্য শেষ রক্ষা হয়নি। ভোজসভায় উপস্থিত এক তামিল এমপি বিষয়টি ফাঁস করে দেন। বাধ্য হয়েই কুমারাতুঙ্গাকে সাফাই গাইতে হয়। তিনি জানান, ভোজসভায় আরাফাতের কাছে কোন অস্ত্র ছিল না। শ্রীলংকার প্রেসিডেন্টের দেওয়া রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় ইয়াসির আরাফাত অস্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন কিনা। এ অস্বীকৃতির পর বিতর্কের সুযোগ নেই। প্রশ্ন হলো, আরাফাত রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদা ভোগ করা সত্ত্বেও সর্বক্ষণ অস্ত্র কাছে রাখতেন কেন? এ প্রশ্নটি নিয়ে একবার কথা হয়েছিল এক ফিলিস্তিনি বন্ধুর সঙ্গে। যিনি নিজেও একজন মুক্তিযোদ্ধা। তার মতে, ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের প্রধান হিসেবে স্বীকৃত হলেও আরাফাত সব সময় নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা বলেই ভেবেছেন। স্বাধীনতা পাওয়ার আগে ফিলিস্তিনিদের যোদ্ধাবেশ ত্যাগের যে কোন অবকাশই নেই সামরিক পোশাক আর অস্ত্রবহন করে আরাফাত সে ম্যাসেজই দিয়েছেন। 

ইয়াসির আরাফাত ছিলেন ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার প্রতি ওয়াদাবদ্ধ একটি নাম। জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হতেন তিনি। ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের মধ্যে বিভক্তি থাকলেও সব পক্ষের কাছেই তিনি ছিলেন গ্রহণযোগ্য। ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা নিজেদের জীবনের চেয়েও আরাফাতের নিরাপত্তাকে সব সময় গুরুত্ব দিয়েছেন। যে কারণে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসেদের দক্ষতার ঈর্ষণীয় সুনাম থাকলেও তারা কখনও আরাফাতের টিকিটি ছুঁতেও পারেনি। আরাফাতের প্রতি সহকর্মীদের ভালবাসা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ মেলে একটি ঘটনায়। ঘটনাটি ফিলিস্তিন-ইসরায়েল শান্তিচুক্তিরও বেশ আগের। ১৯৯২ সালের ৭ এপ্রিল। এয়ার বিসাউ-এর বিমানে করে তিউনিস থেকে লিবিয়া যাওয়ার পথে ফিলিস্তিনি নেতাকে বহনকারী বিমানটি মরুঝড়ের কবলে পড়ে। পাইলট ও ক্রুরা নিশ্চিত হয়- তাদের বিমানটি ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। 

আরাফাতের সফরসঙ্গীদের মুখে তখন চরম উৎকণ্ঠা। নিজের জীবন নয়, নেতার জীবন কিভাবে রক্ষা করা যায়- সে বিষয়ে ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেন। সৌভাগ্যক্রমে বিমানটিতে ছিল বেশকিছু কম্বল। নিরাপত্তারক্ষী ও সফরসঙ্গীরা সঙ্গে সঙ্গে আরাফাতকে কম্বল দিয়ে পেঁচালেন। একের পর এক কম্বল পেঁচিয়ে তার শরীরের চারদিকে এমন আস্তরণ সৃষ্টি করা হল যাতে বিমানটি ভেঙ্গে পড়লেও আরাফাত বড় ধরনের আঘাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। আগুন না লাগলে দুর্ঘটনার পরও যাতে বেঁচে যেতে পারেন। আরাফাতকে কম্বল পেঁচানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিমানটি লিবিয়ার এক মরু প্রান্তরে ভেঙ্গে পড়ে বালুর স্তুপে। ভেঙ্গে পড়ার আগেই বিমানটির তেলের ট্যাঙ্ক শূন্য হয়ে পড়ায় তাতে আগুন লাগেনি। আরাফাতের বিমানটি তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিস থেকে লিবিয়া যাওয়ার পথে ঘটেছিল এ বিপত্তি। কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে যায় মরুঝড়ে পড়ার পরপরই। সে সময় আমেরিকার সঙ্গে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পিএলওর সাপে-নেউলে সম্পর্ক। তা সত্ত্বেও এ বিপদের দিনে তারা আমেরিকার সঙ্গে যোগাযোগ করে। ভাগ্যক্রমে তারা পিএলওর আবেদনে সাড়া দেয়। উপগ্রহ সিস্টেমের মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে বিমানটি কোথায় ধ্বংস হয়েছে ঠিক সে তথ্যটি জানায়। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। লিবিয়ার এক দুর্গম মরু অঞ্চলে বিধ্বস্ত বিমানটির সন্ধান পাওয়া যায়। ধ্বংসস্ত‚প থেকে আরাফাতকে উদ্ধার করা হয় কম্বল পেঁচানো অবস্থায়। বিমানটির চালক ও যাত্রীদের কেউ বেঁচে না থাকলেও আরাফাত প্রাণে রক্ষা পান সহকর্মীদের আত্মত্যাগে। যদিও সামান্য আহতও হন তিনি। ফিলিস্তিন-ইসরায়েল শান্তিচুক্তির পর আরাফাত স্বদেশে ফিরে আসার সুযোগ পান। তার আগে পিএলওর সদর দফতর ছিল তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে। আরাফাতের অবস্থানও ছিল সেখানে। অবিশ্বাস্য নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে ছিল তার বসবাস। আরাফাত কোথায় আছেন সিনিয়র দু’একজন নেতা ছাড়া আর সবারই ছিল অজানা। তার গোপন আবাসস্থলে ব্যক্তিগত স্টাফ ছাড়া আর কারও প্রবেশাধিকার ছিল না। কোন বিদেশীর জন্য সে গোপন অবস্থানে যাওয়ার ছিল অবিশ্বাস্য ব্যাপার। 

ফিলিস্তিনি জনগণের হৃদয়ের অধিশ্বর হিসেবে বিবেচিত হতেন ইয়াসির আরাফাত। মুসলিম- খ্রিস্টান নির্বিশেষে সকল ফিলিস্তিনির কাছে তিনি ছিলেন সমান প্রিয়। ফিলিস্তিনের বেথলেহামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন খ্রিস্টান ধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিস্ট। যিশুর জন্মদিনের উৎসবে বেথলেহামের গির্জায় যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হত তাতে প্রতিবারই প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হতেন ইয়াসির আরাফাত। ইসরায়েলিরা মৃত্যুর আগের তিন বছর আরাফাতকে এ অনুষ্ঠানে যোগদানের অনুমতি দেয়নি। বেথলেহাম গির্জা কর্তৃপক্ষ আরাফাতের বদলে কাউকে এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করতে রাজি হয়নি। যে কারণে প্রধান অতিথির আসনে স্থান পেয়েছে আরাফাতের ঐতিহ্যবাহী আরবি স্কার্ফ। দৈহিকভাবে আরাফাতের উপস্থিতিতে বাধা সৃষ্টি করা গেলেও মানুষের হৃদয় রাজ্যে তার স্থান যে কোথায় ছিল এটি তার প্রমাণ। 

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক। 
ই-মেইল : [email protected]

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন