শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:০২, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৪ আপডেট: ১১:১১, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৪

ব্যবসায়ীদের এই নিশ্চয়তার প্রয়োজন ছিল

নিরঞ্জন রায়
অনলাইন ভার্সন
ব্যবসায়ীদের এই নিশ্চয়তার প্রয়োজন ছিল

সম্প্রতি কালের কণ্ঠ পত্রিকায় দুটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা এই মুহূর্তে দেশের উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও সাহস জোগাবে। গত ২০ নভেম্বর অর্থ উপদেষ্টাকে উদ্ধৃত করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ স্পষ্ট করে বলেছেন যে, ভালো ব্যবসায়ীদের ভীত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি আরো উল্লেখ করেছেন যে, যারা ঋণ নিয়ে ঠিকমতো ফেরত দেন এবং ঠিকমতো কর দেন, তাদের কোনো সমস্যা হবে না। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার এক পর্যায়ে ব্যাংকিং খাতের প্রসঙ্গ উঠে এলে তিনি এ ব্যাপারেও খুবই স্পষ্ট করে বলেছেন যে, খেলাপি ঋণের চাপে নাজুক অবস্থায় আছে ১০টির বেশি ব্যাংক। তারপরও কোনো ব্যাংক বন্ধ হবে না।

এই প্রসঙ্গে তিনি ব্যাংকের আমানতকারীদের আশ্বস্ত করে খুবই স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, ‘ব্যাংক বন্ধ না হওয়ার ব্যাপারে আমরা সবাইকে আশ্বস্ত করছি। আমানতকারীদের সুরক্ষা দেওয়া হবে।’

এই প্রতিবেদন প্রকাশের ঠিক এক দিন আগে অর্থাৎ ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে উদ্ধৃত করে কালের কণ্ঠে আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর দ্ব্যর্থহীনভাবে উল্লেখ করেছেন, ‘কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানই বন্ধ হতে দেব না।’

এই প্রসঙ্গে পরিবর্তিত অবস্থার কারণে সংকটে পড়া দেশের দুটি বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করে তিনি আরো স্পষ্টভাবে বলেন যে দেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয় সম্পদ। ব্যক্তি থাকুক আর না থাকুক, প্রতিষ্ঠান থাকবে এবং চলবে। সেই আলোচনায় তিনি এমনও বলেছেন যে ‘এসব বড় শিল্প গ্রুপের সঙ্গে বহু মানুষের জীবিকা জড়িত। প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনেক কর্মচারী কর্মরত।

দেশের উৎপাদনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আছে। তাই এসব প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ হতে দেওয়া যাবে না, বরং এসব প্রতিষ্ঠানকে কিভাবে আরো শক্তিশালী করা যায় সেই বিষয়েও কাজ করতে হবে।’ এমনকি তিনি আরো বলেছেন যে ‘ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে দেশ ও জাতি উপকৃত হয়। আমরা ব্যর্থ হতে চাই না এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যর্থ হতে দেব না।’

আমরা অর্থ উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে যেভাবে চিনি ও জানি তাতে, ওপরের কথাগুলো আসলেই তাদের মনের কথা।

অনেক দেরিতে হলেও দেশের অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের এই মুহূর্তের দুজন কাণ্ডারি যে ব্যবসায়ীদের উদ্বেগের বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছেন এবং তাদের আশ্বস্ত করার উদ্দেশ্যে এসব গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, এ জন্য তাদের দুজনকেই অনেক ধন্যবাদ। এই মুহূর্তে দেশের গুরুত্বপূর্ণ দুজন ব্যক্তির এমন স্পষ্ট বক্তব্য ব্যবসায়ীদের খুব বেশি প্রয়োজন ছিল, যদিও আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা বলে, শুধু মৌখিক আশ্বাসে খুব একটা কাজ হয় না। তা-ও আবার যদি সেই বক্তব্য কোনো সংবাদ সম্মেলন বা সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার সময় বলা হয়, তাহেল সেটি আরো কার্যকর হতে দেখা যায় না। কিন্তু বর্তমানে দেশের ব্যাংক, অর্থনীতি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যে মাত্রার অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে এবং খোদ ব্যবসায়ীরা যেভাবে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে আছেন, সেখানে এই মৌখিক আশ্বাসের গুরুত্বও অনেক বেশি।

সরকার পরিবর্তনের পর থেকে দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ই সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তা এবং সমস্যার মধ্যে আছে। যেভাবে সরকার পরিবর্তন হয়েছে, সেখানে শুরুর দিকে কিছু বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে এবং কিছু অব্যবস্থা দেখা দেবে, তা সবার ধারণার মধ্যেই ছিল। কিন্তু এ রকম দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তা দেখা দেবে, তেমনটা হয়তো কারো ভাবনার মধ্যেও ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকারের সাড়ে তিন মাস সময় অতিবাহিত হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার লক্ষণ নেই। এমন পরিস্থিতি কেউ প্রত্যাশা করেনি। আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সমালোচনা এবং অভিযোগের শেষ নেই। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, ঋণখেলাপি এবং রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততাসহ অনেক অভিযোগের তীর তাদের দিকেই তাক করে রাখা হয়। এর কিছু সত্যতা নিশ্চয়ই আছে। কিন্তু সমগ্র ব্যবসায়ী সমাজ এই অভিযোগে অভিযুক্ত হতে পারে না। তার পরও এ কথা স্বীকার করতে বাধা নেই যে এই ব্যবসায়ীরাই দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি।

ব্যবসায়ীরা ঝুঁকি নিয়ে বিনিয়োগ করেন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেন, দেশের পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করেন এবং পণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে অবদান রাখেন। সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে ভূমিকা রাখেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, তাদের ব্যাবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয় নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে। বিশ্বের উন্নত দেশ তো বটেই, অনেক উন্নয়নশীল দেশেও ব্যবসা করা একটি সহজ কাজ। সেখানে ব্যবসায়ীদের সব কিছুতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়ে থাকে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের দেশে ব্যবসা করা সবচেয়ে কঠিন কাজ। সর্বক্ষেত্রে তাদের সমস্যা মোকাবেলা করে ব্যবসা এগিয়ে নিতে হয়। প্রশাসন থেকে কোনো রকম সহযোগিতা পাওয়া যায় না। পদে পদে বিশেষ সুবিধা দিয়ে কাজ আদায় করতে হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া যায় না। ঋণ পেলেও সুদের হার এত বেশি যে সেই সুদ দিয়ে ঋণ পরিশোধ করা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। এর ওপর আছে চাঁদাবাজি।

এতসব প্রতিকূল অবস্থা কাটিয়েও ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যাবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। সরকার পরিবর্তনের ফলে ঘটে গেল এক ছন্দঃপতন এবং নতুন করে দেখা দিল এক ধরনের অনিশ্চয়তা। অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আক্রান্ত হয়েছে, অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক ব্যবসায়ীও আক্রান্ত হয়েছেন। অনেক ব্যবসায়ী জেলেও গেছেন আবার অনেকে জেলে না গেলেও জেলে যাওয়ার ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এবং অনেকে এখনো আত্মগোপনে থাকছেন। অনেকে বিদেশে যেতে পারছেন না। অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিককে দুর্নীতি দমন কমিশন তলব করে বা তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করে এক নতুন আতঙ্কের মধ্যে ফেলা দেওয়া হয়েছে। এমনকি অনেকে ব্যাবসায়িক কাজে বা চিকিৎসার কারণেও দেশের বাইরে যেতে পারছেন না। দেশের অর্থনীতির বৃহত্তম স্বার্থে এসব মোটেই ভালো লক্ষণ নয় এবং এর সুদূরপ্রসারী পরিণতি মারাত্মক হতে বাধ্য।

যেসব ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে, তাদের অবশ্যই দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার হবে, এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু দেশের বেশির ভাগ ব্যবসায়ী, যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, নেই তারা যাতে আতঙ্কে বা ভয়ে না থাকেন, সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন সবার আগে। এরই মধ্যে অনেক দেরি হয়ে গেছে। তাই আর দেরি না করে অতি সত্বর ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত এবং নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এর শুরুটা হয়তো অর্থ উপদেষ্টা ও গভর্নরের বক্তব্যের মাধ্যমে হয়েছে। এখন এটি এগিয়ে নিতে হবে এবং বাস্তবে প্রতিফলন ঘটাতে হবে। শুধু মুখের কথায় যেহেতু কাজ হয় না, তাই আমরা আশা করব অর্থ উপদেষ্টা ও গভর্নর নিয়মিত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করবেন। সেই আলোচনায় অভিযুক্তরা ছাড়া দল-মতের ভিত্তিতে বিবেচনা না করে সব ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলোচনা করতে পারলে খুব দ্রুতই ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থা ফিরবে। আমাদের বিশ্বাস যে অর্থ উপদেষ্টা ও গভর্নর দেশের ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে যে আশার কথা বলেছেন, তা শুধু কথার কথা হিসেবে বলেননি, বরং প্রকৃত অর্থেই বিষয়টি বুঝিয়েছেন এবং বাস্তবায়নের অভিপ্রায় নিয়ে বলেছেন। তাই এর বাস্তব প্রতিফলন ব্যবসায়ীদের মধ্যে শিগগিরই পড়বে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।

দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এবং ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মহল যথেষ্ট আশাবাদী হয়েছিল, যখন দেশের দুজন প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ এবং আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন এবং ড. আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন। এই দুজন ব্যক্তি বাংলাদেশে খুবই পরিচিত মুখ এবং তারা দুজনই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, মুদ্রাব্যবস্থা এবং অর্থনীতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবহিত আছেন। দেশের ব্যাংকিং খাত, মুদ্রাব্যবস্থা এবং অর্থনীতির বিরাজমান সমস্যা, সীমাবদ্ধতা, সুযোগ এবং স্কোপ—সব কিছুই তাদের নখদর্পণে। এসব সমস্যা এবং এর সমাধানের বিভিন্ন দিক নিয়ে তারা দুজনই মিডিয়ায় নিয়মিত কথা বলেছেন এবং লিখেছেন। এ রকম ব্যক্তি যখন দেশের ব্যাংকিং খাত এবং অর্থনীতির দায়িত্ব পান, তখন ভালো কিছু হবে, এটিই সবার প্রত্যাশা। কিন্তু বাস্তবে তেমনটি হয়নি। উল্টো প্রথম দিকে তাদের কিছু হতাশাজনক কথাবার্তা; যেমন—অনেক ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যাবে, বন্ধ হয়ে যাবে, ঢালাওভাবে ব্যবসায়ীদের দায়ী করা প্রভৃতি বক্তব্য ভালোর চেয়ে খারাপ করেছে বেশি। যেহেতু অর্থ উপদেষ্টা ও গভর্নর তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে বাস্তবতার আলোকে কথা বলেছেন, তাই এখন হয়তো দেশের ব্যাংকিং খাত ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সৃষ্ট সংকট কাটতে শুরু করবে। এখন অর্থ উপদেষ্টা ও গভর্নরের মৌখিক আশ্বাস বাস্তবে প্রতিফলিত হলে এবং সে অনুযায়ী কাজ শুরু করতে পারলে ব্যবসায়ীরা আরো বেশি নিশ্চিত এবং আশ্বস্ত হতে পারবেন। কারণ এই মুহূর্তে উচ্চ পর্যায় থেকে এ রকম আশ্বাস দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের জন্য খুব বেশি প্রয়োজন ছিল।

লেখক : সার্টিফায়েড অ্যান্টি মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা
[email protected]
 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন